ঢাকা, বুধবার 5 December 2018, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

‘নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব শিপব্রেকিং ইয়ার্ড’ গড়ে তোলা হবে

চট্টগ্রামে শীপ ব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শনে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ও শিল্প সচিব

চট্টগ্রাম ব্যুরো : বাংলাদেশের শিপব্রেকিং ইয়ার্ড গুলোকে নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য আইএমও এবং বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে সীতাকুন্ডে অবস্থিত উপকূলের ছয়টি জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ডকে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ ও পরিবেশ সম্মত করে গড়ে তুলতে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ২০০৯ সালে হংকং কনভেনশন অনুযায়ী এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করবে নরওয়ে। ২০১৯ সালের মধ্যে এই ছয়টি ইয়ার্ড নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব করে গড়ে তোলার কাজ সম্পন্ন হবে। গত ২৫ নবেম্বর চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের শীতলপুরস্থ টি আর শিপব্রেকিং ও পিএইচপি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন করেন নরওয়ের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত এইচই এমএস সিডসেল ব্লেকেনসহ সংশ্লিষ্টরা। এ সময় সাংবাদিকদের কাছে তারা এসব তথ্য জানান।

ইয়ার্ড পরিদর্শন শেষে বিকেলে ভাটিয়ারী গালফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় মতবিনিময় সভা। বাংলাদেশ শিপব্রেকিং এন্ড রিসাইক্লিং এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নরওয়ের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত এইচই এমএস সিডসেল ব্লেকেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সচিব ইয়াছমিন সুলতানা, জাতীয় প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান, বিএসবিআরএ ভাইস প্রেসিডেন্ট আমজাদ হোসেন চৌধুরী, নরওয়ে রাষ্ট্রদূতের সিনিয়র উপদেষ্টা মোরশেদ আহমেদ, আইএমও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জান সান, জহিরুল ইসলাম রিন্কু প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ইয়ার্ড গুলোকে আধুনিকায়নও করা হবে। শ্রমিকরা যেন নিজেদের মতো করে কাজ করতে পারে সে জন্য সকল সুযোগ সুবিধাও দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ বান্ধব শিপব্রেকিং ইয়ার্ড গড়ে তোলার জন্য দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সেই সাথে নরওয়ের এই ব্যবস্থাপনার ফলে  অতিদ্রুত ইয়ার্ড গুলো আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ