ঢাকা, বুধবার 5 December 2018, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সেরা দশে ইডিইউ

 চট্টগ্রামের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কানাডার এইচইসি মন্ট্রিয়েল বিজনেস স্কুলের সামাজিক ব্যবসা উদ্ভাবন প্রতিযোগিতার সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি। সোমবার ৩ ডিসেম্বর এই ছয় শিক্ষার্থীর হাতে কানাডা থেকে আসা সার্টিফিকেট তুলে দেয়া হয়।

মোট ছয় সদস্যের দুটি দল আট মাসব্যাপী তিন পর্বের প্রতিযোগিতা শেষে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয়। সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল পর্বের জন্য নির্বাচিত হয় ৪২টি দল।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, সামাজিক ব্যবসার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইডিইউর অর্জনের ঝুলিতে নতুন পালক হিসেবে যোগ হলো আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থাকে জনকল্যাণমুখী করতে সামাজিক ব্যবসার প্রসার জরুরি। বৈশ্বিক ভারসাম্য তৈরিই এই ব্যবসার অন্যতম লক্ষ্য। ছোট পুঁজির মাধ্যমে যে সমাজে বড় প্রভাব রাখা যায়, তা সামাজিক ব্যবসা ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে। এই ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন ধারণা প্রবর্তন প্রমাণ করে ইডিইউ বিশ্বমানের গ্র্যাজুয়েট গড়ে তুলছে।

 গত সোমবার ইডিইউ স্থায়ী ক্যাম্পাসে সামাজিক ব্যবসা বিষয়ক এক কর্মশালা শেষে তিনি কানাডার এইচইসি মন্ট্রিয়েলের প্রতিযোগিতার ফাইনালিস্ট দ্য সিঙ্ক দলের নাহিয়ান ইসলাম, রিমান, জাহিদ হাসান এবং প্লাস্টিক হাউজ দলের ফারিয়া তাবাসসুম, সাদিয়া মুসলিম ও সাদিয়া রহমানের হাতে সার্টিফিকেটগুলো তুলে দেন।

ইডিইউ সোশ্যাল বিজনেস ক্লাবের উদ্যোগে ও ক্লাবের উপদেষ্টা রওনক আফরোজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ কর্মশালায় অতিথি বক্তা ছিলেন ওয়াই ওয়াই গোষ্ঠীর প্রধান নির্বাহী সজীব এম খাইরুল ইসলাম ও সোশ্যাল বিজনেস ইয়ুথ অ্যালায়েন্স গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী খালিদ হোসেন।

বক্তারা বলেন, ২০০৭ সালে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুস সর্বপ্রথম সামাজিক ব্যবসার ধারণাটি প্রবর্তন করেন। সেই থেকে অনুপ্রেরণা, শিক্ষা ও নেতৃত্ব এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বিশ্বব্যাপী অবদান রেখে চলেছে ধারণাটি।এনজিও’র মতো শোনালেও এই ব্যবসা এনজিও থেকে একেবারেই ভিন্ন। অন্যান্য ব্যবসার মতোই সামাজিক ব্যবসাতেও মুনাফা রয়েছে। কিন্তু সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে এই মুনাফা সামাজিক উন্নয়নের খাতে পুনরায় বিনিয়োগ করতে হয়।

ক্লাবের সদস্য সামিয়া মেহজাবিন ও ফারিহা তাবাসসুমের সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইডিইউর ট্রেজারার অধ্যাপক সামস-উদ-দোহা, রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া, প্ল্যানিং এন্ড ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টর শাফায়েত কবির চৌধুরী, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির, প্রক্টর অনন্যা নন্দী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ