ঢাকা, শুক্রবার 7 December 2018, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ৩৩ শতাংশ

 

স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। তা গত ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে ছিল ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আমাদের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ১৭৫১ মার্কিন ডলার। ২০০৮ সালে এ আয় ৯৫৭ মার্কিন ডলার ছিল বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মতিঝিলে অবস্থিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভাপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল হালিম, অতিরিক্ত সচিব পরাগসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত পাঁচ বছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাফল্যতা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী জানান, ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ১৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শুধুমাত্র বিসিক শিল্প নগরীর রফতানি ইউনিটগুলোতেই বছরে ২৫ হাজার ২৪২ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এ সময় গত পাঁচ বছরে দেশের কোথাও সারের কোনও সংকট হয়নি বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক, কেমিক্যাল ও মুদ্রণ শিল্পের জন্য আলাদা শিল্প নগরী স্থাপনের কাজ চলছে। বিসিকের ৬৪টি শিল্প সহায়ক কেন্দ্রের মাধ্যমে গত পাঁচ বছরে ৩০ হাজার জন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে সাত হাজার ২৩৭ জন, নকশা কেন্দ্রের মাধ্যমে দুই হাজার ৩০১ জন এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ৯ হাজার৭২৮ জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, দেশে বর্তমানে এক লাখ ২৫ হাজার ক্ষদ্র শিল্প ও সাড়ে আট লাখেরও বেশি কুটির শিল্প রয়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে এ পর্যন্ত ৩৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। গত পাঁচ বছরে বিসিকের আওতায় সরকারিভাবে ১৫ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন ও বেসরকারিভাবে প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন মধু উৎপাদিত হয়েছে। একই সময় বিসিকের আওতায় ১০০ লাখ মেট্রিক টন লবন উৎপাদন করা হয়েছে।

 কেরু চিনি শিল্পে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত জৈব সার ‘ সোনার দানা’ ইতোমধ্যে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারজাত করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার আখ চাষিদের স্বার্থে আখের দাম বাড়িয়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে মণপ্রতি আখের দাম ছিল ১০০ টাকা, সেখানে ২০১৮ সালে তা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ