ঢাকা, সোমবার 10 December 2018, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মনোনয়ন বাতিলের সার্টিফাইড  কপি দেন নি রিটার্নিং অফিসার 

স্টাফ রিপোর্টার : মনোনয়ন বাতিল করার পর তার সার্টিফাইড কপি না দেয়ায় আইনী প্রতিকার চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেছেন রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ গোলাম রব্বানী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোলাম রব্বানী তার মনোনয়ন পত্রটি বাছাইয়ের পর তা বাতিল করায় বাতিলের সার্টিফাইড কপির আবেদনের সাড়ে ৮ ঘণ্টা পরও সার্টিফাইড কপি না পেয়ে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিকট লিখিত আবেদন জানান।

তিনি তার আবেদনে বলেন, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী, ২৮ ডিসেম্বর রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার এর নিকট মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। বেশ কয়েকটি পত্রিকায় এ সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমি সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আমার রিট পিটিশনটি গৃহীত হয় এবং নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারকে আমার মনোনয়ন পত্র জমা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সরকার আপিল করলে আপিল খারিজ হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার মনোনয়ন পত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। ৫ ডিসেম্বর আমার প্রস্তাবক, সমর্থক ও একজন আইনজীবী মনোনয়ন পত্রটি রিটার্নিং অফিসার এর নিকট জমা দেন। ৬ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় আমার মনোনয়ন পত্র বাছাই এর সময় নির্ধারিত হয়। আমার প্রস্তাবক, সমর্থক ও একজন আইনজীবী সেখানে উপস্থিত হন। বাছাই এর পর রিটার্নিং অফিসার আমার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করেন। 

তিনি বলেন, আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের আদেশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিলের জন্য বলা হয়েছে। আমার আবেদন পত্র বাতিল করার পরপরই ৬ ডিসেম্বর ২০১৮  আমার নিয়োজিত আইনজীবী আমার পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারের আদেশের সর্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৬.১৫ টা পর্যন্ত আমাকে সার্টিফাইড কপি সরবরাহ করা হয়নি। রিটার্নিং অফিসারের এই দায়িত্বহীন ভূমিকার কারণে  নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল  আবেদন পেশ করতে না পারার আশংকা দেখা দিয়েছে। আমি যেন যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করতে না পারি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হই সেজন্য রিটার্নিং অফিসার ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করেন। আমাকে যথাসময়ে আপিল করতে না দেয়ার ষড়যন্ত্র করে রিটার্নিং অফিসার আইন, সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের বিধি লংঘন করেছেন। সেইসাথে তিনি সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ লংঘন করে আদালত অবমাননা করেছেন। তিনি রিটার্নিং অফিসারের এই ভূমিকার বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার প্রার্থনা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ