ঢাকা, শনিবার 8 December 2018, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঝিনাইদহ-৩ আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার অধ্যাপক মতিয়ারই কাণ্ডারী

সংবাদদাতা ঝিনাইদহ : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ -৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছেন অধ্যাপক মোঃ মতিয়ার রহমান। তিনি নৌকার প্রার্থী এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল এর প্রতিদ্বন্দ্বী। এ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে চুড়ান্ত মনোনয়নে যাঁর হাতেই উঠবে ধানের শীষ সেই প্রার্থীর পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে তারা। আওয়ামীলীগের দুঃশাসনে মানুষ আজ অতিষ্ঠ। তারা বলেন ধানের শীষ তথা অধ্যাপক মতিয়ার রহমানের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরাতে চলছে নির্যাতন, মামলা, হামলা। ধানের শীষের সমর্থক নেতা - কর্মী কেউ বড়িতে থাকতে পারছেনা। 

এরই অংশ হিসেবে আবারও নাশকতার মামলার আসামী হলেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মতিয়ার রহমান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই। জানা গেছে মহেশপুর থানার এসআই শামীম মিয়া বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় একটি নাশকতার মামলা করেন যার নং ২ তারিখ ০২/১২/১৮ই ।

মামলার এজাহারে বলা হয় উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামের নওয়াব আলীর ছেলে শাহজাহান আলীর বাড়িতে আসামীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। পুলিশ গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চার জনকে আটক করে এবং বোমা সাদৃশ্য ১৫ টি বস্তুু উদ্ধার করে। আটককৃতরা হলেন আলামপুর গ্রামের নওয়াব আলীর ছেলে শাহজাহান আলী ও জামাল হোসেন,শাহজাহান আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম ও দুদু মিয়ার ছেলে কাদের। এ মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় নয়জন সহ ২১ জনকে আসামী করা হয়েছে।

অন্যান্য আসামীরা হলেন, আজমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খাঁন, কাজীরবেড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আলী ,ও নাটিমা মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল আব্দুল কাদেরের নাম রয়েছে। এ সকল ব্যাক্তির নামে গত ২৮ নভেম্বর মান্দার বাড়িয়া ইউনিয়নের বেলেমাঠ বাজারে নাশকতার মামলায় আসামী করা হয়। গত এক সপ্তাহে দুটি নাশকতার মামলার বাদী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন একই ব্যাক্তি।

মামলার বাদী এস আই শামীম মিয়া জানান, যে চারজনকে আটক করা হয়েছে তাদের বাড়ি থেকে ১৫ টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বাকী আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

এ দিকে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান ই-মেইলে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে বিরোধী পক্ষকে পুলিশ হয়রানি ও নির্যাতন করছে। বিগত দুমাসে মহেশপুর ১১ টি ও কোটচাঁদপুরে ১৯ টি মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন নির্বাচনে পরাজয় জেনেই ক্ষমতাসীনরা পুলিশ প্রশাসন দিয়ে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

তথ্য মতে ঝিনাইদহ-৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ৮শত ৮৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৮১ হাজার ৭ শত ১৯ জন এবং নারী ভোটার ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ১ শত ৬৫ জন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ