ঢাকা, শনিবার 8 December 2018, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নবেম্বর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : ॥ চার ॥
শিবির : ৪ নবেম্বর সাতক্ষীরার সদর থেকে পুলিশ শহর শিবির সভাপতি রুহুল আমিন ও পৌর পশ্চিম থানা সভাপতি নূরুল আমিনকে আটক করে। ৫ নবেম্বর সিলেট মহানগরীর সোনারপাড়া একটি মেস থেকে শিবিরের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- আবু সুফিয়ান, সুমেল আহমেদ, আবু আইউব, শামীম রশীদ, দেলোয়ার হোসেন, আবু তালহা মিহরাব, ফাহিম আহমদ ও জাহিদ হাসান। ৬ নবেম্বর বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়ন শিবির সভাপতি রিয়াজকে পুলিশ সন্ন্যাসী বাজার থেকে আটক করে। ১০ নবেম্বর মৌলভীবাজার শহর সাবেক শিবির সভাপতি আনোয়ার চৌধুরী মোর্শেদকে পুলিশ বড়ঘাট এলাকা থেকে আটক করে। ২০ নবেম্বর গাজীপুর গাছা থানা পুলিশ আল-বারাকা একাডেমি থেকে শিবিরের ৬ নেতা-কর্মী হাবিবুর রহমান, জুয়েল রানা, আব্দুর করিম, রিয়াদ হোসেন, মাঈদুল ইসলাম ও তাওয়াহিদুল হাসানকে আটক করে।
২৩ দলীয় জোট : ১ নবেম্বর মেহেরপুরের পৌর কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা সোহেল রানা ডলার এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জেলা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলমকে আটক করে পুলিশ। যশোরের কেশবপুর থেকে পুলিশ ২৩ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বিএনপি নেতা গৌরীঘোনা গ্রামের ইউসুফ ফকির, ফতেপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, সারুটিয়া গ্রামের মশিয়ার সরদার, আড়–য়া গ্রামের কামাল হোসেন, ভালুকঘর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান, জামায়াতের সারুটিয়া গ্রামের কর্মী শাহীনুর রহমান, আড়–য়া গ্রামের আব্দুল মালেক ও ভবানীপুর গ্রামের রাশেদ। ২ নবেম্বর যশোরের কেশবপুর থেকে পুলিশ ২৩ দলীয় জোটের ৬ নেতা-কর্মীকে নিজ নিজ বাড়ী থেকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বিএনপির বরণডালী গ্রামের কর্মী গোলাম রসুল, কাবিলপুর গ্রামের এনামুল হক, নাজমুল হুদা, শিকারপুর গ্রামের শহীদুল ইসলাম, জামায়াত কর্মী আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক ও পাত্রপাড়া গ্রামের শিবির কর্মী মাহবুবুর রহমান। ৩ নবেম্বর ঝিনাইদাহের মহেশপুর থেকে ২৩ দলীয় জোটের ১৬ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- গোড়াপোতা গ্রামের মিজানুর রহমান, আবুল কাশেম, আব্দুল জলিল, কচুয়ারপোতা গ্রামের মোশাররফ হোসেন, খলিলুর রহমান, ভগবতিতলার খায়রুল ইসলাম, এনামুল, শহীদুল, দোলোয়ার হোসেন, কুলবাড়িয়া গ্রামের রুহুল আমীন, গুড়দাহ গ্রামের আব্দুল কাদের, আব্দুস সাত্তার, শ্যামকুড় গ্রামের আফসার উদ্দিন, আবুল কাশেম ও কেশবপুর গ্রামের কবির হোসেনসহ ১৬ জন। যশোর জেলার কেশবপুর থেকে ২৩ দলীয জোটের
৮ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- বিএনপির গৌরীঘোনা গ্রামের কর্মী রবিউল ইসলাম, আরাফাত গাজী, আসাবুর রহমান, সন্ন্যাসগাছা গ্রামের আব্দুল আলিম ও ডায়না গ্রামের জামায়াত কর্মী আলা উদ্দিনসহ ৮ জন। ৪ নবেম্বর নড়াইল জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- দিঘলিয়া ইউনিয়ন জামায়াত আমীর সারজান আহমেদ, ইতনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ রইছ উদ্দিন পলু, ইতনা ইউনিয়ন শ্রমিক দল নেতা কামাল হোসেন, লোহাগড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাঈদুল আলম শিপলু, লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা তৌহিদুর রহমান, নড়াইল পৌর বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন, সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল আলিম, কলোড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সুলতান আলী ও বড়গাতি ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন টুলু। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- মারুফদহ গ্রামের মাওলানা সাইদুর রহমান, আন্দুল বাড়িয়ার আসাদুজ্জামান আড়িয়াল, সেনেরহুদা গ্রামের বিএনপির ফরজ আলী, কন্দর্পপুর গ্রামের জামায়াত কর্মী শরিফুল ইসলাম, শাহজান আলী, সুবলপুর গ্রামের সোহাগ, আব্দুস সালাম ও জাহিদ হোসেন।
৭ নবেম্বর বগুড়ার শেরপুর থেকে ২৩ দলীয় জোটের ১৩ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- শেরপুর পৌর যুবদল সভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্প্,ি পোদ্দারপাড়া এলাকার যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন, জগন্নাথ পাড়ার তাইফুর রহমান পাভেল, কাওসার, টাউন কলোনীর আল-আমিন, আশিকুর রহমান, হলদিবাড়ী গ্রামের বিএনপি নেতা ইয়াকুব আলী রাঙ্গা, গোসাইবাড়ী বটতলার শহিদুল ইসলাম পাশা, খামারকান্দি গ্রামের ইয়াহিয়া, মির্জাপুর দক্ষিণপাড়ার আব্দুল মুন্নাফ, ঘৌরদৌড় গ্রামের আব্দুর রউফ ফকির বাচ্চু, শেরুয়া দহপাড়ার জামায়াত কর্মী শামসুল হক ও শাহাদাৎ হোসেন। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ২৩ দলীয় জোটের ১৮ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- উপজেলা পরিষদ চেয়ারমান ও উপজেলা জামায়াত আমীর মাওলানা আজিজুর রহমান, বেগমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আসলাম উদ্দিন, বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, মাহ্্বুবুর রহমান, আমির হোসেন, আব্দুল মালেক, জামায়াত নেতা মামুনুর রশীদ, আব্দুল রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর হোসেন, জয়নাল আবেদীন, আলমডাঙ্গা এক ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিন, কর্মী জান মোহাম্মদ, জনি, এস.এম সাইফুল ইসলাম, জামায়াত কর্মী রেজাউল করীম, ইসাহাক আলী ও আসাদুল ইসলাম। ঢাকার আশুলিয়া থেকে ২৩ দলীয় জোটের ১২ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- জালাল উদ্দিন, শাহ পরাণ হানিফ, জাহিদুল ইসলাম রাকিব, মোফাজ্জল হোসাইন, পাপন চৌধুরী পাপ্পু, সজীব ভূঁইয়া, শামীম হাসান শাওন, রমজান আলী, মজিবুর রহমান মাসুম, আব্দুল আলিম, সাইফুল ও দুলাল হোসেন।
চুয়াডাঙ্গার জীববনগর থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- উপজেলা বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদর উদ্দিন বদে, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান সোনা, জেলা ছাত্রদল যুগ্ম-আহবায়ক তানভীর আহমেদ রাজিব, জীবননগর পৌর জামায়াত কর্মী আব্দুর রশীদ ও আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন শিবির সভাপতি সাইদুর রহমান বাপ্পি। একই জেলার দামুড়হুদা থেকে বিএনপি নেতা ও বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন, জামায়াত নেতা ও কড়–লগাছি ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান সরফরাজ উদ্দিন এবং চাঁদপুর গ্রামের মাওলানা শহীদুল ইসলামসহ ৩৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
৯ নবেম্বর কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৬৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন এবং সদর উপজেলা জামায়াত নেতা ও গলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামসহ ৬৩ জন। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থেকে ২৩ দলীয় জোটের ২ দুই নেতা আটক। আটককৃতরা হলো- উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহমেদ মাসুম ও উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ফকির। ১০ নবেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৪ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- জামায়াতের অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বিএনপি কর্মী খায়রুল বাশার, স্বপন খান ও এসএম হাবিবুর রহমান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশের হাতে ২৩ দলীয় জোটের ১৩ নেতা-কর্মী আটক। আটককৃতরা হলো- খালগাট মহল্লার আইউব আলী, তার ছেলে মিলন, শিবতলা পন্ডিতপাড়ার আব্দুল্লাহ, বাগডাঙ্গা গ্রামের আলম, আনোয়ারুল, শিবগঞ্জের মহিষপুর গ্রামের শিরিনা আক্তার, রাহেলা বেগম, রোজিনা বেগম, আজিজা বেগম, তাহেরা বেগম, শুকতারা বেগম, শাকেরা বেগম ও নাজমা বেগম।
২৩ নবেম্বর কুমিল্লা লাঙ্গলকোটে থেকে বিগত তিন দিনে ২৩ দলীয় জোটের ৩৩ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। ২২ নবেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াত আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ও সাটুরিয়া উপজেলা আমীর আবু সাঈদ বিএসসিসহ ২৩ দলীয় জেটের ১১ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর জেল হাজতে পাঠায়। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থেকে পুলিশ ২৩ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মী আটক করে। আটককৃতরা হলো- নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান শাহীনুর রহমান, জামায়াত নেতা তৌহিদুল ইসলাম, শিবলী আজম ও গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আক্তারুজ্জামানসহ ৫ নেতাকর্মী। ২৪ নবেম্বর সিলেট শহর থেকে ২৩ দলীয় জোটের জামায়াত নেতা মাওলানা সোহেল আহমেদ ও বিএনপি নেতা শাহ জামাল নূরুল হুদাকে আটক পুলিশ। ২৯ নবেম্বর ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩ দলীয় জোটের ৪ জনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- সাবেক শিবির নেতা ব্যারিস্টার জোবায়ের আহমেদ, বশির উদ্দিন, বিএনপির নাছিমুল গণি ও মোয়জ্জেম হোসেন মোড়ল।
জাপা : ২৫ নবেম্বর ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে পার্টি অফিসে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। জাপা নেতা আব্দুস সাত্তার গ্রুপের লোকজনের এই হামলায় ৩ জন আহত হয়। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৯ জনকে আটক করে। ২৬ নবেম্বর ঢাকার বনানী জাপা কার্যালয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগে জাপা মহাসচিব এ.বি.এম রুহুল আমিন হাওলাদার অবরুদ্ধ হয়। ২৭ নবেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ আসনে জামাই এ্যাডঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়ার পরিবর্তে তার শ্বশুর এ্যাডঃ জিয়াউল হক ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেয়ার দাবীতে বিক্ষোভ করে জাপা কর্মীরা। ২৮ নবেম্বর রংপুরে জাপার সিদ্ধান্ত অমান্য করে রংপুর-২ অথবা নীলফামারী-৪ আসনে প্রার্থী হওয়ায় জাপা নেতা জিয়াউদ্দিন বাবলুকে রংপুর জাপা প্রতিহত করা হবে বলে হুমকি দেয়। ২৯ নবেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় জাপা প্রার্থী এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পথসভা, মতবিনিময় ও গণসংযোগের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘণ করে। আচরণ বিধির ১২ ধারা মোতাবেক কেউ নির্বাচনের ৩ সপ্তাহ আগে প্রচরণা চালাতে পারে না।
আনছার আল-ইসলাম : ৮ নবেম্বর ঢাকার মিরপুর থেকে আনছার আল-ইসলাম সদস্য সাফওয়ানুর রহমান, সুলতান মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, আবু তাহের, ইলিয়াস মৃধা, আশরাফুল আলম, হাসনাইন ও কামরুলকে আটক করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট পুলিশ।
ইউপিডিএফ (প্রসিত) : ৯ নবেম্বর রাঙ্গামাটির লংগদুতে বড়াদম বান্দরতলা এলাকায় ইউপিডিএফ-এর হাতে জেএসএস নেতা রাজা চাকমা খুন হয়। ২৩ নবেম্বর খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মিতালী চাকমা নামে এক ছাত্রী অভিযোগ করে যে, ইউপিডিএফ-এ যোগ দিতে রাজী না হয়োয় তাকে অপহরণ ও নির্যাতন করা হয়। বিগত ১৭ আগষ্ট তাকে অপহরণ করা হয় এবং ১৯ নবেম্বর সেনা সহায়তায় তিনি ছাড়া পান। ২৬ নবেম্বর রাঙ্গামাটির কাউখালীতে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের বড় নাঙ্গাভা গ্রামের সমরেশ সম্রাট চাকমা, কলাবুনিয়া গ্রামের ম্যানশন চাকমা, ছোট নাঙ্গাভা গ্রামের এডিশন চাকমা ও পোড়াপাড়া গ্রামের লিটন চাকমাকে আটক করে যৌথবাহিনী।
 জেএমবি : ১১ নবেম্বর ঢাকার যাত্রবাড়ী থেকে ৮ জেএমবি সদস্য রাকিবুল হাসান রুহুল, হাফিজ ভূঁইয়া, সৈয়দ জাকারিয়া, জসিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান সুমন, শাহ আলম ওরফে সাইফুল্লাহ ওরফে সাকিব ওরফে আব্দুস সালাম ও মিলন হোসেন তপনসহ ৮ জনকে আটক করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তাদের কাছ থেকে ১টি পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ দাবী করে।
হিজবুত তাহরির : ২৫ নবেম্বর ঢাকার মিরপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগ থেকে হিজবুত তাহরিরের সদস্য তারেক মোহাম্মদ ফয়সাল, তানভীর আহমেদ, মোস্তফা মোরসালিন প্রাঙ্গণ, জামিনুর রহমান নবীন ও ফারাবী খান অনিককে আটক করে র‌্যাব-৪।
তাবলীগ জামায়াত : ৯ নবেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে তাবলীগ জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতরা হলো- বেলাল হোসেন, শহীদুল ইসলাম, রমজান আলী, নজরুল ইসলাম, আব্দুল হাই, সানাউল্লাহ, শাহ আলম, আব্দুল্লাহ, সোহেল ও আবু ইউসুফ। (সমাপ্ত)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ