ঢাকা, শনিবার 8 December 2018, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ইজতেমা মাঠ খুলে না দিলে কঠোর কর্মসূচি

গতকাল শুক্রবার জামিয়া নূরানী ইসলামিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে কামরাঙ্গীরচরে সাদপন্থী ওয়াসিফাদের শাস্তির দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

গাজীপুর সংবাদদাতা : টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন মাওলানা জুবায়ের পন্থী আলেম ওলামাগণ। শুক্রবার জুমা নামাজের পর টঙ্গীর কলেজ গেইট এলাকায় পূর্ব নির্ধারিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। সমাবেশে মাওলানা জুবায়ের পন্থী আলেমগণ বলেন, অনতিবিলম্বে ইজতেমা মাঠে আলেম ওলামা ও ছাত্রদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে। এছাড়া জুবায়ের পন্থী কোন আলেম ওলামা এবং ছাত্র শিক্ষককে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করা হলে পুরো টঙ্গীকে অচল করে দেয়া হবে। তারা আরো বলেন, আগামী সোমবারের মধ্যে ইজতেমা ময়দান খুলে দেয়া না হলে মঙ্গলবার থেকে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার জুবায়ের পন্থী মুসল্লিরা টঙ্গীর বিভিন্ন মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হয়। জুমার নামাজের পর থেকে মুসল্লিরা দলে দলে টঙ্গীর স্টেশন রোডের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আসতে থাকে। এসময় মুসল্লিদের ভিড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
কলেজ গেইট এলাকায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জুবায়ের পন্থী মুফতি মাসউদুল করীম, মুফতি মুহাম্মদ আবু বকর কাসেমী, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসেন কাসেমী, মুফতি মিজানুর রহমান, আনোয়ার হোসেন ফরিদী, মাওলানা মোছাদ্দেকুর রহমান, মাওলানা জাকির হোসেন প্রমুখ।
পরে হামলায় আহতদের সুস্থতা ও তাবলীগী আলেম ওলামা মাশায়েখসহ মুসলমানদের শান্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ইউনুস শায়েদী।
এদিকে মুসল্লিদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা টঙ্গী এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল। যে কোন নাশকতা রোধে পুলিশ ছিল বেশ তৎপর। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মাওলানা জুবায়ের পন্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষ হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ