ঢাকা, সোমবার 10 December 2018, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

‘মাত্রই’ সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা!

আশিকুল হামিদ : গত ৯ ডিসেম্বর দেশের সবচেয়ে আলোচিত খবরটি ছিল অর্থ কেলেংকারি এবং লোপাট সংক্রান্ত। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালাগ- ‘সিপিডি’র একটি সেমিনারে উপস্থাপিত তথ্য-পরিসংখ্যানের উল্লেখ করে এই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বর্তমান সরকারের গত দশ বছরে মাত্র দশটি কেলেংকারিতেই লোপাট হয়ে গেছে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকা! কেলেংকারিগুলো হয়েছেও আবার ব্যাংকিং খাতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি থেকে জনতা, সোনালী, যমুনা, শাহজালাল, প্রাইম, প্রিমিয়ার, বেসিক ও ফারমার্স পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের নাম রয়েছে রিপোর্টে। কোন ব্যাংক থেকে কত শত বা হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে সে সম্পর্কেও জানতে পেরেছে মানুষ। হলমার্ক, ক্রিসেন্ট, বিসমিল্লাহ ও থারমেক্স ধরনের কয়েকটি গ্রুপের নামও উল্লেখ করা হয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যের নামে যে গ্রুপগুলোর মালিকরা টাকা লোপাটের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।
এ পর্যন্ত এসে পাঠকরা ভাবতে পারেন, লোপাট হয়ে যাওয়া সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকাই আজকের বিষয়বস্তু। অন্যদিকে উদ্দেশ্য আসলে দেশের ব্যাংকিং খাত সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোকপাত করা। ‘কোমর’ ভেঙে দেয়া বিষয়ক প্রবাদ ও এর মূলকথা সম্পর্কে পাঠকদের নিশ্চয়ই ধারণা রয়েছে। কোনো মানুষের কোমর ভেঙে দেয়া হলে তার পক্ষে আর সোজা হয়ে দাঁড়ানো এবং চলা-ফেরা করা সম্ভব হয় না। যে কোনো দেশ ও জাতির ক্ষেত্রেও কথাটা সমানভাবে প্রযোজ্য। একটি দেশকে দুর্বল ও পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করতে হলে প্রথমে তার কোমর ভেঙে ফেলতে হয়। আর কোনো দেশের কোমর বলতে দেশটির অর্থনীতিকেই বোঝানো হয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার পেছনেও অর্থনীতিই প্রধান ফ্যাক্টর বা নির্ধারক হিসেবে ভ’মিকা রেখেছিল। বিশ্বের সব দেশে এখনো অর্থনীতিকেই প্রাধান্যে রাখা হয়। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। আসলে ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগও নেই। কোনো একটি বা কয়েকটি বিদেশি শক্তি যদি বাংলাদেশকে দুর্বল বা বিপন্ন করতে চায় তাহলে প্রথমেই দেশটি এবং দেশগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টার্গেট করবে। দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি কিংবা কয়েকটি শক্তিও যদি একক বা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চায় এবং দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে চায়, তাহলেও প্রথমে আক্রান্ত হবে দেশের অর্থনীতিই। এই অর্থনীতি বলতে আবার কেবলই ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রফতানি বোঝায় না। বরং যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে প্রধান ভ’মিকা পালন করে দেশটির ব্যাংকিং খাত। ভীতি ও আশংকার কারণ হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনস্থ হয়ে পড়া বাংলাদেশে সে ব্যাংকিং খাতই ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বলা চলে, সুচিন্তিতভাবে ব্যাংকিংক খাতকে চ’ড়ান্ত সর্বনাশের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এখনো ঠেলে দেয়ার কর্মকান্ড অব্যাহত রয়েছে। একই কারণে দেশের ‘কোমর’ ভেঙে যাওয়ার প্রসঙ্গ না তুলে পারা যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বহুুদিন ধরেই। বলা হচ্ছে, সরকারের ভুল ও ক্ষতিকর নীতি এবং দলীয় বিবেচনার কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত মারাত্মক বিপর্যয়ের কবলে পড়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির এতটাই অবনতি ঘটেছে যে, সাবেক ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদসহ তথ্যাভিজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করে বলেছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে নীতিতে সংশোধন করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা না নেয়া হলে ব্যাংকিং খাতই শুধু ধ্বংস হয়ে যাবে না, জাতীয় অর্থনীতিও ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমন অবস্থার কারণ জানাতে গিয়ে বলা হয়েছে, একদিকে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও একের পর এক নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে সরকার, অন্যদিকে সরকারের অঘোষিত সহযোগিতায় একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী পুঁজি বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন করার এবং নিজেরা পরিচালক হওয়ার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ঋণখেলাপি ও অসৎ ব্যবসায়ীরাও। লক্ষ্য হাসিলে তারা অনেকাংশে সফলও হয়েছেন। এর ফলেই ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশসহ ইসলামী ধারার দুটি বড় ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে পরিবর্তন ঘটিয়ে সাধারণ আমানতকারীদের ভীত-আতংকিত করা হয়েছে। তারা ব্যাংকগুলো থেকে তাদের জমা রাখা সঞ্চয়ের অর্থ উঠিয়ে নেয়ার পথে পা বাড়িয়েছেন। অথচ ইসলামী ধারার এ দুটি ব্যাংক বহু বছর ধরে দেশের জনগণের মধ্যে সঞ্চয়ের ব্যাপারে আগ্রহ তৈরি করেছিল। সামগ্রিকভাবে জাতীয় অর্থনীতির বিকাশেও ব্যাংক দুটির ছিল বিপুল অবদান। অন্যদিকে মূলত ইসলাম বিরোধী উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে সুচিন্তিত আক্রমণের শিকার হওয়ার পর দুটি ব্যাংকই মুখ থুবড়ে পড়েছে।
সরকারের অন্য কিছু অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্তের পরিণতিতেও দেশের ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে প্রাধান্যে এসেছে নতুন কয়েকটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও সরকার নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রধান ভ’মিকা রেখেছে রাজনৈতিক বিবেচনা। কিন্তু দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের পরিসর অত্যন্ত সীমিত হওয়ার কারণে এসব ব্যাংক মোটেও সাফল্যের মুখ দেখতে পারেনি। কোনো কোনো ব্যাংক বরং প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রাথমিক দিনগুলো থেকেই লোকসান গোনার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণও হয়ে উঠেছে।
উদাহরণ দেয়ার জন্য ফারমার্স ব্যাংকের কথা উল্লেখ করা যায়। সরকারি চাকরির শর্ত লংঘন করে ‘জনতার মঞ্চে’ নেতৃত্বদানকারী সাবেক সচিব ও পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরকে চেয়ারম্যান করে প্রতিষ্ঠিত ফারমার্স ব্যাংক সূচনাকাল থেকেই দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। ব্যবসা ও আমদানি-রফতানির জন্য বাণিজ্যিক ঋণের নামে ব্যাংকটি আওয়ামী ব্যবসায়ীদের হাতে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে দিয়েছে। এসব ঋণের কোনো অর্থই ফিরে আসেনি। অর্থাৎ কেউই ঋণ পরিশোধ করেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফারমার্স ব্যাংক একদিকে অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, অন্যদিকে নতুন নতুন আওয়ামী ব্যবসায়ীকে শত এবং হাজার কোটি টাকার অংকে ঋণ দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় ব্যাংকটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে এসে গিয়েছিল। অবস্থা এতটাই শোচনীয় হয়ে পড়েছিল যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ সাহায্য নিয়েও ফারমার্স ব্যাংক তার সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি।  
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠাকালে ঋণসহ কৃষকদের সহায়তা দেয়ার উদ্দেশ্যের ঘোষণা দিলেও ফারমার্স ব্যাংকের কাছ থেকে কৃষকরা কোনো সহায়তাই পায়নি। কৃষকদের দোহাই দিয়ে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটি বরং আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ী নামধারীদের লুণ্ঠনের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। গত বছর, ২০১৭ সালের শেষদিকে ‘মখা যুগের’ অবসান ঘটলেও ফারমার্স ব্যাংকের পক্ষে আর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ, এর অর্থের লুণ্ঠন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যারা এই ঋণ নিয়েছেন তাদের সকলেই আওয়ামী ব্যবসায়ী হওয়ায় ব্যাংকটির দেয়া ঋণের কোনো অর্থই আর ফেরৎ পাওয়া যাবে না।
প্রকাশিত বিভিন্ন রিপোর্টে অন্য ব্যাংকগুলো সম্পর্কেও একই ধরনের আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গলদ ছিল আসলে এসব ব্যাংককে অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্তের মধ্যেই। কারণ, অত্যন্ত সীমিত অর্থনীতির বাংলাদেশে এত বেশি সংখ্যক ব্যাংকের লাভজনক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ছিল না, এখনো নেই। উল্লেখ্য, শুধু ২০১২ সালেই সরকার নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছিল। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৫৭টিতে। এ ছাড়া ছিল ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত, দুটি বিশেষায়িত এবং নয়টি বিদেশি ব্যাংক। এসবের বাইরে গ্রামীণ, আনসার-ভিডিপি, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণসহ আরো কয়েকটি ব্যাংক এবং ৩২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানও তৎপরতা চালিয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মতো ক্ষুদে অর্থনীতির একটি দেশে এত বেশি সংখ্যক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাভজনক হওয়া এবং অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু এ বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কিছুদিন আগে সরকার আরো তিনটি নতুন ব্যাংককে অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বলা বাহুল্য, প্রতিটি ব্যাংকের সঙ্গেই ক্ষমতাসীন দলের রাঘব-বোয়ালরা জড়িত রয়েছেন।
বলা হচ্ছে, সরকারের এই ভুল ও ক্ষতিকর নীতি এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দেশের ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। লোপাট হয়ে গেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। লোপাট হচ্ছে এখনো। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়ার পরিবর্তে সরকারের উচিত ছিল বিদ্যমান ব্যাংকগুলোকে বিপর্যয়ের কবল থেকে উদ্ধার করার লক্ষ্যে তৎপর হয়ে ওঠা। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বংলাদেশসহ ইসলামী ধারার দুটি প্রধান ব্যাংকের ব্যাপারে অবশ্যই নীতি ও কৌশলে পরিবর্তন ঘটানো উচিত। ব্যাংক দুটিকে তাদের প্রতিষ্ঠাকালীন নীতি ও নিয়মে স্বাধীনভাবে চলতে দেয়া দরকার। না হলে এবং ঋণ ও বাণিজ্যের নামে লুণ্ঠনের বাধাহীন কারবারকে চলতে দেয়া হলে একদিকে কোনো ব্যাংকের পক্ষেই বিপর্যয় কাটিয়ে লাভজনক হয়ে ওঠা সম্ভব হবে না, অন্যদিকে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে দেশের ব্যাংকিং খাত। আর ব্যাংকিং খাত ধ্বংস হওয়ার অর্থই হলো দেশ ও জাতির ‘কোমর’ ভেঙে যাওয়া।
এখানে খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে যত কম বলা যায় ততই ভালো। কারণ, এ বিষয়ে এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও সর্বশেষ সঠিক তথ্য নেই বলে ধারণা করা হয়। জানা গেছে, খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি রয়েছে অবলোপনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার মন্দ ঋণকে আড়াল করে ফেলার অপতৎপরতা। প্রকাশিত সকল রিপোর্টেই বলা হয়েছে, আইন ও নিয়ম না মেনে বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ দেয়ার ফলেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ এভাবে বেড়ে গেছে। সরকার দলীয় পরিচিতির বিবেচনায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রাধান্য দেয়ার কারণে শুধু নয়, ঋণের অর্থ নির্ধারিত সময়ে ফেরৎ না দিলে যেহেতু কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয় না সে কারণেও ঋণের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। এ ব্যাপারে সরকারি ও বেসরকারি ৫৭টি ব্যাংকের প্রতিটিই কমবেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। বড় কথা, খেলাপি ঋণের প্রতিটি ক্ষেত্রে সরাসরি জড়িত রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। এই নেতারা প্রভাব খাটিয়ে ঋণের ব্যবস্থা যেমন করেন তেমনি আবার বাঁচিয়ে দেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কবল থেকেও। ফলে ঋণের অর্থ না দিয়েও পার পেয়ে যান খেলাপিরা। মূলত সে কারণেই বেড়ে চলেছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। এভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে ব্যাংকিং ইতিহাসে এক বিরল ও অস্বাভাবিক বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করে বলেছেন, অবস্থায় পরিবর্তন না ঘটানো হলে দেশের ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিই মুখ থুবড়ে পড়বে। বাস্তবে এরই মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছেও।
বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের সততা ও সদিচ্ছার অভাবই পরিস্থিতিকে এতটা ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। একই কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত আর কখনো সহজে ‘কোমর’ সোজা করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ