ঢাকা, শুক্রবার 15 November 2019, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ডেমোক্রেসি ওয়াচ সহ চার পর্যবেক্ষক সংস্থায় আপত্তি আওয়ামী লীগের 

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

নিবন্ধিত ১১৮টি দেশীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার মধ্যে চারটি সংস্থার নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আপত্তি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। ডেমোক্রেসি ওয়াচ, খান ফাউন্ডশেন, লাইট হাউজ, মানবাধিকার সমম্বয়ক পরিষদ- এই চারটি সংস্থার বিষয়ে 'মারাত্মক' তথ্য আছে বলে দাবি দলটির।

নির্বাচন কমিশনকে এই চারটি সংস্থাকে পর্যবেক্ষণের অনুমতি না দেয়ার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১২ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা কমিশনের কাছে এ দাবি জানান। পরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এইচ টি ইমাম বলেন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার মধ্যে চারটি সংস্থার বিরুদ্ধে মারাত্মক তথ্য আছে। তারা একেবারেই দলীয়। এনজিও ব্যুরো থেকে যখন নিবন্ধন নেয় তখন তো আর বলেন না নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব। তবে নির্বাচন কমিশনে এসে তারা নিবন্ধন পেয়ে যান।

তিনি বলেন, ডেমোক্রেসি ওয়াচ পরিচালনা করেন বিএনপিপন্থী সাংবাদিক শফিক রেহমানের স্ত্রী তালেয়া রহমান। শফিক রহমান বিএনপির একজন বড় নেতা, লেখক এবং বিএনপির পক্ষে প্রচার প্রচারণা করেন। অতীতে তারা ভোটকেন্দ্রে ঢুকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নামে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। আরেকটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা খান ফাউন্ডেশন বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের স্ত্রী পরিচালনা করেন। এবং এটি একেবারেই দলীয়। নির্বাচনের আইন অনুযায়ী তারাই নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন যাদের কোনো রজনৈতিক দল ও আদর্শের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। একেবারে দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তারা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।

লাইট হাউজ এনজিও তারেক রহমান পরিচালনা করেন দাবি করে তিনি বলেন, লাইট হাউজ বগুড়ার। লাইট হাউজের প্রতিষ্ঠাতা তারেক রহমান নিজেই। এবং তিনি এটি পরিচালনা করেন। লাইট হাউজের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে বিভিন্ন রকম তথ্য আছে। তারা শুধু রাজনীতির সঙ্গেই সম্পৃক্ত নন। তারা রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন রকম প্রভাব সৃষ্টি করেন।

বাংলদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ বিষয়ে তিনি বলেন, 'অধিকার'র আদিলুর রহমানের সঙ্গে বিদেশী কয়েকটি সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকায় তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। সেটি এখন সেটি এখন বাংলাদেশের মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ নামে এসেছে। আমরা এদের বিষয়ে উদ্বিগ্ন। এদের যদি নিয়ন্ত্রণ করা না হয় তাহলে বিপর্যয় ঘটতে পারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ