ঢাকা, শনিবার 15 December 2018, ১ পৌষ ১৪২৫, ৭ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলনা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্যাবল চুরির সময় ট্রাক আটক

খুলনা অফিস : খুলনা বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মাণাধীন ৩৩০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল কম্বাইন্ড পাওয়ার প্লান্টের বেসরকারি একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা আন্ডার লাইন ক্যাবেল চুরি করে নেয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তিনটি আটক করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা বিভাগের কাছে রেখেছে। ট্রাক তিনটি কেন্দ্রের ২ নং গেটে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিভাগ।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চিনের কনসারটিউম অব হারবিন ইলেক্ট্রিক ইন্টারন্যাশনাল কোং লি. ও জিয়াঙ্গসু ইটার্ন কোং লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে খুলনা গোয়ালপাড়ায় ৩৩০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল কম্বাইন্ড পাওয়ার প্লান্ট নির্মিত হচ্ছে। সেখানে সেনা কল্যাণ সংস্থার পাশাপাশি ঢাকার একটি সাব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙ্গে মালামাল নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে। এ প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা স্থাপনার মালামালের পাশাপাশি সিডিউলের বাইরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন পাওয়ার প্লান্টের আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল কেটে পাচার করছে। এর আগেও শ্রমিকরা ফার্নেস অয়েল ও আন্ডার লাইন ক্যাবল পাচার করার অভিযোগ ছিল। যা সিডিউলে লেখা নেই। সোমবার প্রায় ৫শ’ মিটার ক্যাবল কেটে তিনটি ট্রাকে ভরে অন্যান্য মালামালের সাথে করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। স্থানীয় লোকজন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী শেখ শহিদুজ্জামান ও নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী পরিচালক (এ,ডি) মো. ওলিয়ার রহমানকে সংবাদ দেয়। এ সময় ট্রাক তিনটি নিরপত্তা বিভাগের সহকারী পরিচালক ওলিয়ার রহমানের হেফাজতে রাখা হয় ।

স্থানীয় ইকবাল হোসেন জানান, ঠিকাদারদের একটি চক্র নিরাপত্তা বিভাগের লোকজনদের ম্যানেজ করে এর আগে দু’টি ওভারহেড ক্রেন কেটে পাচার করেছে। এছাড়া লোহার রড, পাইপ, লোহালক্কড়সহ অন্যন্যা মালামাল পাচা করেছে।

নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ওলিয়ার রহমান বলেন, এ পর্যন্ত কোন মালামাল চুরি হয়নি। তার নিরাপত্তা বিভাগ সজাগ দৃষ্টিতে কাজ করছে। এখানে চুরি বা পাচার করার কোন সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে খুবিকে’র প্রধান প্রকৌশলী শেখ শহিদুজ্জামান জানান, কয়েকদিন আগে লেবাররা কিছু ক্যাবল নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা বিভাগের কাছে ধরা পড়ে। পরে ক্যাবল উদ্ধার করে স্টোরে রাখা হয়েছে। অনেক সময় লেবাররা ক্যাবল উদ্ধার করে স্টোরে জমা রেখে যায়। স্থানীয় লোজন কর্তৃক তিনটি ট্রাক জব্দ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ট্রাকগুলি সার্চ করা হবে। এরপর জানা যাবে ট্রাকের ভিতরে কি আছে না আছে। এ বিষয়ে তার একটি কমিটি পুলিশের সহযোগীতায় ট্রাকগুলি সার্চ করবে বলে তিনি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ