ঢাকা, মঙ্গলবার 18 December 2018, ৪ পৌষ ১৪২৫, ১০ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিরিয়ার আফ্রিনে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৯

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহর গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য                               -রয়টার্স

১৭ ডিসেম্বর, রয়টার্স : সিরিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আফ্রিনে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে অন্তত নয় জন নিহত হয়েছেন।

তুরস্ক সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা শহরটির একটি সব্জি বাজারে গাড়ি বোমাটি বিস্ফোরিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্রোহী সূত্রগুলো, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। 

ব্যস্ত ওই সব্জি বাজারের পাশে পার্ক করা একটি গাড়িতে বিস্ফোরণটি ঘটানো হয় বলে জানিয়েছেন তারা।

এর মাত্র দুই দিন আগে তুরস্ক সমর্থিত বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা তুর্কি সীমান্তবর্তী শহর আজাজ, রে ও আল বাবের ব্যস্ত বেসামরিক এলাকায়ও একই ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। 

গত বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সিরীয় কুর্দি ওয়াইপিজি গেরিলাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করতে পারে তার সেনাবাহিনী।

ওয়াইপিজিকে তিন দশক ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে আসা কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সম্প্রসারিত অংশ মনে করে আঙ্কারা। পশ্চিমা দেশগুলোও পিকেকেকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে রেখেছে।

সিরিয়ার উত্তরপশ্চিম এই এলাকাটির বাসিন্দারা প্রধানত আরব। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এই এলাকাটির বাসিন্দাদের ও বিদ্রোহীদের সন্দেহ ইউফ্রেতিস (ফোরাত) নদীর পূর্ব পাশে উত্তর সিরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী ওয়াইপিজি এই বিস্ফোরণগুলোর পেছনে আছে; তুরস্কের অভিযান শুরুর আগে তুরস্ক সমর্থিত বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে তারা এসব বোমা হামলা চালাচ্ছে। 

আফ্রিনের বাসিন্দা ইব্রাহিম দারবিশ রয়টার্সকে বলেছেন, “নিরাপত্তা পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে। আতঙ্ক নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করি আমরা, পার্ক করে রাখা গাড়িগুলো এড়িয়ে যাই, ভয়ে থাকি কখন আবার বিস্ফোরণ ঘটে।”

চলতি বছরের প্রথমদিকে সীমান্তবর্তী সিরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে কার্যত একটি বাফার জোন গড়ে তুলেছে তুরস্ক। মার্চে তাদের সমর্থিত স্থানীয় বিদ্রোহীদের সহায়তায় ওয়াইপিজিকে হটিয়ে কুর্দি অধ্যুষিত শহর আফ্রিনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছিল দেশটির সেনাবাহিনী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ