ঢাকা, বুধবার 23 January 2019, ১০ মাঘ ১৪২৫, ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আওয়ামীলীগের ইশতেহার ঘোষণা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

আজ মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ইশতেহার তুলে ধরেন।

ঘোষিত ইশতেহারের স্লোগান হলো ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’।

একনজরে আওয়ামীলীগের ইশতেহার:

গণতন্ত্র, নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ 

মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, গণমাধ্যম, বিচারবিভাগকে শক্তিশালী করা।

আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষা

দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন

জনবান্ধব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গড়ে তোলা 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও মাদক নির্মূল

স্থানীয় সরকার: জনগণের ক্ষমতায়ন 

সামষ্টিক অর্থনীতি: উচ্চ আয়, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন

অবকাঠামো উন্নয়নে বৃহৎ প্রকল্প (মেগা প্রজেক্ট)

‘আমার গ্রাম - আমার শহর’: প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ

তরুণ যুবসমাজ: ‘তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’

নারীর ক্ষমতায়ন

দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষম্য হ্রাস

কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টি: খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে নিশ্চয়তা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

শিল্প উন্নয়ন

শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রমনীতি

শিক্ষার উন্নয়ন

স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ

যোগাযোগ উন্নয়ন

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন

সমুদ্র বিজয়: ব্লু-ইকোনমি- উন্নয়নের দিগন্ত উন্মোচন

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষা

শিশু কল্যাণ

প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ কল্যাণ

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন

ধর্ম ও সংস্কৃতি

ক্রীড়া উন্নয়ন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ

প্রতিরক্ষা: নিরাপত্তা সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা সুরক্ষা

পররাষ্ট্র: ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’- বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত এই নীতির আলোকে ভারতের সঙ্গে তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ সকলক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহাযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।

এনজিও: বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বশাসিতভাবে তাদের নিজস্ব বিধি মোতাবেক পরিচালিত হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান/বিভাগ স্থানীয় সরকারের সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় জোরদার করা হবে।

এমডিজি অর্জন এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন) বাস্তবায়ন কৌশল (২০১৬-২০৩০)

দারিদ্র ও ক্ষুধা নির্মুল, নারী-পুরুষ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস এবং মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন-এই চারটি এমডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ বিশেষ সাফল্য অর্জন করে  প্রশংসিত হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন করা হবে।

ব-দ্বীপ বা ডেল্টা পরিকল্পনা ২১০০: বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ সাল নাগাদ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয়ের যোগসূত্র সৃষ্টি করবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ