ঢাকা, বুধবার 19 December 2018, ৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

গ্রেফতার ও জীবননাশের আশঙ্কায় এলাকা ছাড়ছে প্রার্থী-নেতাকর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার: বিজিবি মোতায়েন করার পরও দেশব্যাপী ধানের শীষের প্রার্থী-নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গুলী, হামলা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবারও অর্ধশত প্রার্থীর উপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই শতাধিক নেতাকর্মী। দেশের বিভিন্নস্থানে ধানের শীষ প্রার্থীদের অফিসে ভাংচুরের পাশাপাশি অগ্নি সংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
ঢাকা: রাজধানীতে ফের হামলা চালানো হয়েছে ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের ওপর। মঙ্গলবার দুপুর  পৌনে ১২টার দিকে দক্ষিণ গোড়ানের বাগানবাড়ি রোডে এ ঘটনা ঘটে। হামলার একপর্যায়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বিএনপির নেতারা এই ঘটনার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ভাষ্য, সকালে শাহজাহানপুরের বাসা থেকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগে নামেন আফরোজা আব্বাস। বেলা সোয়া ১১টার দিকে খিলগাঁও রেলগেট অতিক্রম করে আফরোজা আব্বাস তিলপাপাড়ায় পৌঁছান। এলাকার প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন যুবক সেখানে গিয়ে নৌকার পক্ষে শ্লোগান দিতে শুরু করেন। আফরোজা আব্বাস বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় পৌঁছালে সেখানে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ভাষ্য, আফরোজার গণসংযোগে থাকা নেতা-কর্মীদের ওপর পেছন থেকে স্থানীয় কয়েকজন যুবক ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের শতাধিক কর্মী আফরোজা আব্বাসের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের পেছনে পেছনে যেতে শুরু করেন। তাদের মিছিলের আগে পুলিশ ছিল। একপর্যায়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। হামলায় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন।
ঢাকা ৪ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদের গণসংযোগে হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর জুরাইনের নতুন রাস্তা এলাকার ঘুন্টিঘড় নামের স্থানে এই হামলা হয়। এতে সালাহ উদ্দিন আহমেদের কমপক্ষে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থী নিজে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রচারপত্র বিলি করছিলেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। এ সময় হঠাৎ করেই লুঙ্গি পড়া কিছু যুবক অতর্কিভাবে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন আহত হয়। এ সময় সালাহ উদ্দিন আহমেদের বহরের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সালাহ উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ ও ৫১ নং ওয়ার্ড কমিশিনার কাজী হাবিবুর রহমান হাবুর লোকজন এই হামলা চালিয়েছে। এতে বিএনপির অন্তত ১০ কর্মী আহত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন মো সাগর দেওয়ান ফারহান, হাজী আনোয়ার সরদার, মিজান ভান্ডারি, মামুন, বিল্লাল হোসেন, মো রিপন মিয়া, মুন্না, মো. কামরুল হাসান, মো রাসেল।
ঢাকা-১১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির মহানগর উত্তর সভাপতি এম.এ কাইয়ূমের স্ত্রী শামিম আরা বেগমের সাংবাদিকদের বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই আমাদের প্রচার-প্রচারণা চালাতে হচ্ছে। নেতাকর্মীদের কোন নিরাপত্তা নেই। প্রার্থী হিসেবে আমারও কোন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। ইতোপূর্বে আমার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাসায় কাফনের কাপড় পাঠানো হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত শনিবারের প্রচারণার ছবি তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেই ছবি থেকে শনাক্ত করে ৯৭নং ওয়ার্ডের খোকন নামের এক কর্মীকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ। তিনি আরো বলেন, ছাত্রদল, যুবদল, মূলদল সহ কোন সিনিয়র নেতাকে আমি প্রচারণায় কাজে লাগাতে পারছি না।
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় আচারণবিধি লঙ্ঘন করে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যাদের নামে মামলা নেই অথবা ওয়ারেন্ট নেই তাদেরকেও আটক করা হচ্ছে। তবে পুলিশের দাবি ভিন্ন।
পুলিশের দাবি নাশকতার অভিযোগে গত তিন দিনে সাতক্ষীরায় ১৯৩ জনকে আটক করা হয়েছে। শুধু ধানের শীষ প্রতীকের অর্ধশতাধীক নির্বাচনি কর্মীকে আটক করার অভিযোগ করেছে বিএনপি ও জামায়াত। এসময় তাদের বিরুদ্ধে ১০টি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের বেশিরভাগ বিএনপি ও জামায়াত কর্মী। তাদের নামে থানায় কোন ওয়ারেন্ট কিম্বা মামলা ছিল না বলে জানান বিএনপি-জামায়তের একাধীক নেতা।
 এদিকে তফসিল ঘোষণার পর সাতক্ষীরায় ধানের শীষের প্রার্থীরা একের পর এক আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। ধানের শীষের ১০টি নির্বাচনি প্রচার মাইক ভাংচুর, পোষ্টা ছেঁড়া, নির্বাচনি প্রার্থী আটক ও মারপিটের অভিযোগ করেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম, ডা.শহিদুল আলম, জামায়াতের জেলা আমীর মুফতি রবিউল বাশার ও গাজী নজরুল ইসলাম। জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েও তারা কোন প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ। অন্যদিকে বিএনপি জামায়াতকে দায়ী করে আচারণবিধি লঙ্ঘনের পাল্টা অভিযোগ তুলেছে জেলা ১৪ দল।
গতকাল মঙ্গলবার তারা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ তোলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ১৪ দলীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সাংসদ মুনসুর আহমেদ। তারা অভিযোগ করেন, সাতক্ষীরায় নৌকার পোস্টার ছিড়ছে জামায়াত ও বিএনপি। তবে আমরা আইন হাতে তুলে নিতে রাজী নই। আমরা কারও পোস্টার ছিড়ছি না। তারা বলেন, বিরোধী দল গুজব ছড়াচ্ছে। তারা মিথ্যাকে সত্য বানানোর চেষ্টা করছে। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, বিরোধীরা ভোট কেন্দ্র দখল করার হুমকি দিয়েছে। আর আমরা ভোট কেন্দ্র রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।
এদিকে জেলাব্যাপী গত তিন দিনে ১৯৩ জনকে অটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদরে ৫২ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৪৪ জন, তালা থানা থেকে ১২ জন, কালিগঞ্জ থানা থেকে ২২ জন, শ্যামনগর থানা থেকে ২১ জন, আশাশুনি থানা থেকে ২২ জন, দেবহাটা থানা থেকে ১০ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৫৩ জন, গত রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ৬৬ জন এবং শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত ৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান জানান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাতক্ষীরা জামায়াত অভিযোগ করেন, জেলায় জামায়াত নেতা-কর্মীদের বাড়ীতে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান এবং পোষ্টার মারার অপরাধে হুমকী-ধামকী ও ভীতি প্রদর্শন করেছে পুলিশ। ধানের শীষের পোষ্টার টাঙানোর অপরাধে সদরের জোড়দিয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী আহাদ মল্লিক, আঃ সাত্তার ও শাহিনুর রহমানের বাড়ীতে পুলিশ অভিযান চালায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদেরকে বাড়ীতে না পেয়ে পরিবারের মহিলা সদস্যদেরকে হুমকী-ধামকী দেয়া হয়েছে। জোড়দিয়া গ্রামের তেতুলতলা নামক স্থান হতে স্বয়ং পুলিশের বিরুদ্ধে ধানের শীষের পোষ্টার ছিড়ে পায়ের তলায় পিষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা।
গত সোমবার রাতে আলিপুর ইউনিয়নের গাঙনিয়া গ্রামের হাবিবুল্লাহর ছেলে জামায়াত সমর্থক সাইফুল্লাহকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। সদরের কুশখালী ইউনিয়নে নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়েছে আরো ৩ জামায়াত কর্মীকে। তারা হলেন কুশখালী গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডের আনিস উদ্দীনের ছেলে জামায়াত কর্মী আসাদুজ্জামান (৩৫), বাওকোলা গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি মোশাররফ হোসেন। আড়ুয়াখালী গ্রামের জামায়াতের সহযোগী সদস্য জিয়ারুল ইসলাম। তাদের কারো নামে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছিলনা বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।
অন্যদিকে সাতক্ষীরা ৩ নং আসন হতে সোমবার ২ জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে জামায়াত কর্মী মোজাম্মেল হক ও শোভনালী ইউনিয়নের বাউচাষ গ্রামের মৃত অজিয়ার রহমানের ছেলে জামায়াতের সহযোগী সদস্য আব্দুল মজিদ। পরিবার সূত্রে জানা যায় তাদের নামে কোন মামলা ছিলনা। নতুন মামলায় তাদেরকে চালান দেওয়া হয়েছে। দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরা গ্রামের হায়দার শাহরীর ছেলে জামায়াত কর্মী ওয়াহাব শাহরী তার দৈনন্দিন কাজ খেজুর গাছকাটতে গেলে রাস্তার ধার হতে তাকে আটক করে নিয়ে যায় দেবহাটা থানা পুলিশ।
সাতক্ষঢীরা ৪ শ্যামনগর আসন শ্যামনগরেও থেমে নেই গ্রেফতার আতঙ্ক। শশুর বাড়ী বেড়াতে যেয়ে গতকাল বিকালে গ্রেফতার হয়েছেন ভুরুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান (৫০)। তার নামে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছিল না বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
সাতক্ষীরা ১ তালা কলারোয়া আসনে কলারোয়া উপজেলার ঝিকরা গ্রাম হতে আটক করা হয়েছে জামায়াতের সদস্য মাও. আব্দুল কুদ্দুসকে। গতরাতে নিজ বাসা হতে তাকে আটক করে কলারোয়া থানা পুলিশ।
ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মতিয়ার রহমানের নামে ২৮ তারিখে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর মামলা হয়েছে ৬টি ১৭ তারিখে হাইকোর্টে জামিন নিতে গিয়ে তিনি নতুন মামলার খবর পান। মহেশপুর কোর্টচাঁদপুর থানা নিয়ে গঠিত ঝিনাইদহ-৩ আসন। বিএনপি জামায়াতের ঘাটি হিসাবে পরিচিত এ আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনিত হন মতিয়ার রহমান। যিনি বিভিন্ন মামলার আসামী তার নামে বর্তমানে সর্বমোট মামলা ২৩ টি। যার মধ্যে ৬ টি মামলা হয় তিনি ২৮ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর। তিনি যে দিন মনোনয়ন পত্র জমা দেন সেদিন রাতেই তার নামে মহেশপুর থানায় মামলা দায়ের হয় যার নং মহেশ জি.আর ৪০৯/১৮। এর পর একে একে ২/১২ তারিখে হয় মহেশ জি.আর ৪১১/১৮, ৬/১২ তারিখে হয় মহেশ জি.আর ৪১৪/১৮, ১১/১২ তারিখে হয় মহেশ জি.আর ৪১৯/১৮, ১২/১২ তারিখে হয় ঝি জি.আর ৭১৬/২০১৮। মজার ব্যপার তিনি ১২ তারিখের মামলার জামিনের জন্য ১৭/১২ তারিখে হাইকোর্টে অবস্থান করা কালীন নতুন মামলার খবর পান যার নং মহেশ জি.আর ৪২৬/১৮ যার বাদী এস.আই মাসুদুর রহমান।
সরোজমিনে দেখা গেছে তার আসনে প্রচার প্রচারণা তেমন চলছে না। মতিয়ার রহমানের পক্ষ থেকে সরকার দলীয় লোকজন কর্তীক অফিস ভাংচুর, পোস্টার ছেড়া, প্রচার কাজে বাধা ও প্রশাসনের বিমাতা সুলভ আচরণের অভিযোগ করা হয়।
টঙ্গী সংবাদদাতা: নিজের নিরাপত্তা চেয়ে রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী সালাহ্উদ্দিন সরকার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জিএমপি পুলিশের পক্ষপাতমূলক ভূমিকাকে নির্বাচনে কাঙ্খিত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি বলেন সোমবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা ও টঙ্গী পূর্ব থানা কম্পাউন্ডে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের জন্য ভূড়িভোজের আয়োজন করে পুলিশ। এসময় আওয়ামীলীগ দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, মতিউর রহমান মতিসহ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এর পর থেকে রাতব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে চলে পুলিশী অভিযান। পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে নৌকায় ভোট দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে; অন্যথায় মিথ্যা মামলায় দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহ্উদ্দিন সরকার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাজীপুর জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত করে এসব অভিযোগ করেন। তিনি এসময় নিজ হাতে সরাসরি একটি লিখিত অভিযোগও দাখিল করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জিএমপি পুলিশের পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নির্বাচনে কাঙ্খিত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর মারাত্মক অন্তরায়। এতে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সরাফত হোসেন ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদারসহ নির্বাচনী কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্ট ৫৮ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে গত ১৫ ডিসেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় গায়েবী মামলা (নং-৩৯) দায়ের করে পুলিশ। ইতিমধ্যে জিএমপির সদর থানায়ও আরেকটি গায়েবি মামলা দেয়া হয়েছে। এমনকি পুলিশ আরো একাধিক গায়েবি মামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে তার (ধানের শীষের প্রার্থীর) কাছে খবর রয়েছে।
এছাড়া পৃথক তিনটি অভিযোগে সালাহ্উদ্দিন সরকার রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে জানান, তাকে নির্বাচনী প্রচারকাজে বাধা প্রদানসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামীলীগ কর্মীরা সোমবার সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী প্রচার কাজে নিয়োজিত ২টি মাইক ভেঙ্গে ফেলে এবং প্রচারকর্মীদের মারধর করে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের প্রাচির ঘেঁষে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের সব পোস্টার ছিড়ে ফেলছে এবং নতুন করে কোথাও পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না। এমনকি বিএনপি প্রার্থীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘেঁষে টানানো ধানের শীষ প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে তদস্থলে নৌকার পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। লাগামহীনভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নৌকা প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বীপ্রার্থী ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে সালাহ্উদ্দিন সরকার আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার পর সংসদ স্থগিত হলেও স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তাসহ সব ধরণের সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন। অপরদিকে আওয়ামীলীগের হুমকি ও সহিংস আচরণের কারণে তিনি নিরাপত্তহীনতায় ভোগলেও তাকে কেন নিরাপত্তা দেওয়া হবে না’ তিনি এমন প্রশ্ন রাখেন রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে।
মিরসরাই (চট্টগ্রাম)সংবাদদাতা: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে উজ্জীবিত আওয়ামীলীগ আর গ্রেপ্তার আতঙ্কে বিএনপি। নির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে আ’লীগের হেবিওয়েট প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সাথে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনের। নির্বাচনে বিরামহীন প্রচারণা করছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত গনসংযোগের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নির্বাচন উপলক্ষে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। এদিকে প্রতীক বরাদ্ধ পাওয়ার পরও প্রকাশ্যে এখনো গনসংযোগে দেখা যায়নি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিনকে। উপজেলা জুড়ে নৌকা প্রতীকের সমর্থনে মাইকিং, পোস্টার, ব্যানার, তৌরণ চোখে পড়লেও দেখা যায়নি ধানের শীষ প্রতীকের কোন প্রচারণা সামগ্রী।
নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ উজ্জীবিত থাকলেও একেবারে নীরব ভূমিকায় রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নুরুল আমিন ও তার সমর্থকরা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে পূর্বের অভিজ্ঞতা না থাকলেও তিনি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা চেয়াম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। নুরুল আমিন বলেন, উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মধ্যে থাকা সকল মতানৈক্য নিরসনে আমি সব পক্ষের সাথে বৈঠক করেছি। ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সকল শক্তিকে সাথে নিয়ে শীঘ্রই আমরা মাঠে নামবো। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হামলা এবং পুলিশের গ্রেপ্তার আতঙ্কে গনসংযোগে বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আসতেছেনা। যেখানে বিএনপি নেতাকর্মীরা গণসংযোগ করছে সেখানে আ’লীগ হামলা করছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করতে বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে। ইতমধ্যে উপজেলার অনেকে সিনিয়র নেতাসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যারা আমার নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলো।
খুলনা অফিস : খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের লোকজন প্রতিদিনই বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এছাড়া পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালাচ্ছে। বিএনপির কেন্দ্র কমিটির সচিব ও সাবেক কাউন্সিলরসহ এ পর্যন্ত ১২ জন নেতাকে কোনো মামলা ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অবস্থায় এলাকায় নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ নেই। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। পরে তিনি এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে গত কয়েকদিনে খুলনা-৩ আসনের তিন থানায় বিএনপির যেসকল নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, হামলায় যারা আহত হয়েছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়েছে তার একটি তালিকা দেন বিএনপির ওই প্রার্থী।
লিখিত বক্তব্যে বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিন চরম বৈরী ও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নির্বাচনী কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন গণসংযোগে ধানের শীষের পক্ষে জনতার ঢল দেখে একদিকে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে তিন থানায় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা আমাদের দলের মহিলা নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমাদের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করা হচ্ছে। প্রচারণা চালানোর সময় পোস্টার, লিফলেট সন্ত্রাসীরা নিয়ে যাচ্ছে এবং ছিড়ে ফেলছে।
বিএনপির ওই প্রার্থী বলেন, একদিকে পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে, অন্য দিকে সন্ত্রাসীদের হামলা মোকাবেলা করে নির্বাচনী মাঠে আমাদেরকে কঠিন অবস্থায় টিকে থাকতে হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে বহুবার অভিযোগ করার পরও কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। সাংবাদিক সম্মেলনে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রিটানিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে প্রার্থী বলেন, নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি হয় নি। খুলনা-৩ নির্বাচনী এলাকায় গায়েবি ও নতুন করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয় নি। নির্বাচনী আচারণ বিধি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
এদিকে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। গতকাল মঙ্গলবার খুলনায় নিম্নচাপের কারণে সারা দিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর শৈত্য প্রবাহের মধ্যেই প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়েছেন। সেই সঙ্গে বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণে নির্বাচনী এলাকা ছিল সরগরম।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে খুলনা-২ আসনে মহাজোট প্রার্থী শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল নগরীর শিববাড়ি মোড়, কেডিএ এভিনিউ, গোবরচাকা, শেখপাড়া এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। তিনি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।
একই সঙ্গে নৌকার সমর্থনে নগরীর নিরালা বাজার, আবাসিক এলাকা, শেরেবাংলা রোড এলাকায় ১৪ দলের গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, জেপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায়, সাম্যবাদী দলের এফ এম ইকবাল, জেপি’র নেতা ডা. অধ্যক্ষ এমএন আলম সিদ্দিকী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর গোবরচাকা, চেম্বার ভবন, খানজাহান আলী রোড, ফুল মার্কেট, রায়ের মহল এলাকায় গণসংযোগ করেন।
এদিকে নি¤œচাপের প্রভাবে মেঘলা আকাশ। থেমে থেমে বৃষ্টি। হিম শীতল বাতাসে জুবুথুবু নগরী। প্রয়োজন ছাড়া ঘর ছেড়ে বের হওয়ার দায় নেই যেন। এমন বৈরী পৌষেও জনগনের দুয়ারে দুয়ারে ছুটছেন জনগনের নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা সদর আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী। বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা তার নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের লিফলেট নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর অবধি ছুটে বেড়িয়েছেন নগরীর ১৮ ও ২১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়। ভোটারদের কাছে আহবান জানিয়েছেন সকল প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে, ভয়কে সাহসের সাথে মোকাবেলা করে ৩০ ডিসেম্বর ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার। তিনি বলেন, অত্যাচার-দুরাচার-জুলুম-নির্যাতন-নীপিড়ন-লুটপাট চালানোর কারণে শাসক দল আওয়ামী লীগ আজ গণবিচ্চিছন্ন হয়ে পড়েছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে সিটি নির্বাচনের মতো ভোট ডাকাতির কোন বিকল্প তাদের সামনে খোলা নেই। এ জন্য তার পুলিশ প্রশাসনকে নির্লজ্জ দলবাজদের মতো ব্যবহার করছে। ধানের শীষের কর্মীদেরকে গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে। কিন্ত এভাবে শেষ রক্ষা পাবেনা। শেষ পর্যন্ত জনগনের বিজয় হবে। তবে সে বিজয় অর্জনের জন্য আমাদেরকে ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।
মঙ্গলবার সকাল ৮টায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু ১৮ নং ওয়ার্ডের মসজিদে ওমর এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। তিনি সোনার বাংলা গলি, নবীনগর, গোবরচাকা, শাহবাড়ি মোড়, গাবতলা, মোল্লা বাড়ি মোড় এলাকায় ব্যাপক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বেলা ১১ টায় ২১ নং ওয়ার্ডের হার্ডমেটাল গ্যালারী, চেম্বার ভবন, ফেরীঘাট, খানজাহান আলী রোড স্যানিটারী মার্কেট, টাইলস মার্কেট হয়ে ফুলমার্কেট অবধি গণসংযোগ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, খেলাফত মজলিস ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নসিরউদ্দিন, জেপি সভাপতি মোস্তফা কামাল, মুসলিম লীগ সেক্রেটারি এ্যাড. আক্তার জাহান রুকু, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, বিএনপি নেতা এ্যাড. বজলুর রহমান, রেহানা আক্তার, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, মহিবুজ্জামান কচি, আজিজুল হাসান দুলু, মুজিবর রহমান, ড্যাবের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ সেখ মোঃ আখতার উজ জামান, বিএনপি নেতা ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, এশরামুল হক হেলাল, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, শরিফুল ইসলাম বাবু, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, হাফিজুর রহমান মনি, ইশতিয়াকউদ্দিন লাভলু, নাসির খান, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল আলিম, কাজী মাহমুদ আলী, শাহাবুদ্দিন মন্টু, আকরাম হোসেন খোকন, জামালউদ্দিন মোড়ল, জাহাঙ্গীর হোসেন, নিপুন হোসেন প্রমুখ।
খুলনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। প্রচারণায় নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান। এছাড়া খুলনা-১,৩,৫ ও ৬ আসনেও প্রার্থী বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষ করে প্রচারণা চালিয়েছেন।
রাজশাহী অফিস : রাজশাহীতে ২০ দলীয় জোট-বিএনপি’র এমপি প্রার্থীদের এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনের প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনের প্রার্থী আবু হেনা ও রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী কারাবন্দী আবু সাইদ চাঁদের ছেলে রাকিব হাসান ওয়ালিদ। লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে বিএনপি প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন, হুমকি-ধমকি, মামলা দেয়াসহ বিভিন্ন অন্যায়ের প্রতিবাদে রাজশাহীর ছয় প্রার্থীর উদ্যোগে এই সাংবাদিক সম্মলেন ডাকা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি’র পোস্টার ব্যানার ছিড়ে ফেলা ও নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। এতে বিএনপির প্রার্থীদের জীবন শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। একের পর এক এ সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। মিনু বলেন, এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার অযোগ্য। তিনি তামাশার নির্বাচন আয়োজন করেছেন। তার মাধ্যমে নিরোপক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। এতে আরো বক্তব্য দেন, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, এড. শফিকুল হক মিলন, আবু হেনা, নগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু প্রমুখ। রাজশাহী-৫ আসনে প্রার্থীতা নিয়ে জটিলতা ও রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী কারাগারে থাকায় তারা সাংবাদিক সম্মেলনে আসতে পারেননি বলে মিনু জানান।
 শেরপুর : শেরপুর-১ (সদর) আসনের বিএনপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর প্রত্যক্ষ মদদে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নিযার্তন চলছে। তিনি বলেন, ধানের শীষ প্রার্থীর নির্বাচন বানচাল করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ বিএনপির অফিস ভাংচুর, প্রচারণায় বাধাসহ প্রার্থী ও ভোটারদের নানা প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর শহরের মাধবপুরে বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় ডা. প্রিয়াংকা এসব অভিযোগ করেন। এসময় আইনশৃংখলাবাহিনী কর্তৃক বিনা পরোয়নায় অসংখ্য বিএনপি নেতাকর্মীর গ্রেফতারের অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমার বিভিন্ন নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। কোথায় পোষ্টার লাগাতে দেয়া হচ্ছে না। প্রচার মাইক ভেঙ্গে দিয়ে আমার গণসংযোগ চলাকালীন অবস্থায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ : উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার দাবি নিয়ে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজমুল হাসান পাপন আর ভোটের মাধ্যমে কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার বার্তা নিয়ে হামলায় আহত বিএনপি প্রার্থী মো: শরীফুল আলম চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। জমজমাট প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে চলছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ। অন্য দিকে বিএনপি প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণাবিহীন গণসংযোগের অভিনব কৌশল দলমত ও শ্রেণী-পেশার ভোটারদের মুখে মুখে। শরীফুল আলম বলেন, তাকে সুকৌশলে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরাতে তার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ ভৈরব-কুলিয়ারচর এলাকায় ৪২টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের মাঠের নানা অনিয়ম তুলে ধরে বেশ কয়েকবার নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছেন তিনি। সেখান থেকে জেলা রির্টানিং অফিসারকে তদন্তের জন্য বলা হলেও, কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
কুমিল্লা : কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির দুটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। দুপুরে বাংগরা ইউনিয়নে এ দুটি অফিস ভাঙচুর করা হয়। অন্যদিকে গতকাল রাতে বিএনপির গণসংযোগে অংশ নেয়ায় সংখ্যালঘু সসম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ক্যাডাররা এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদেরকে ঘর থেকে বের না হতে হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, সংখ্যালঘু হয়েও ধানের শীষের গণসংযোগে যাওয়ায় রামকৃষ্ণ সাহা ও রতন কুমার দাস নামে দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।
দিনাজপুর: জামায়াতের নেতা দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নুরে আলম সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব বলছে, নুরে আলম সিদ্দিকি নাশকতা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। অন্যদিকে তার পরিবার বলছে, দিনাজপুর-৬ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো: আনোয়ারুল ইসলামের কাজ করছিলেন মো: নুরে আলম সিদ্দিকি। চেয়ারম্যানের ছেলে মো: গোলাম আজম অভিযোগ করে বলেছেন, মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে আমার বাবা উপজেলা চেয়ারম্যান নুরে আলম সিদ্দিকিকে শিমর গ্রামের নিজ বাসা থেকে সাদা পোষাকে লোকজন কালো মাইক্রোতে করে তুলে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার খানসামা উপজেলা বিএনপি নেতা ও ঠিকাদার রবিউল আলম তুহিনকে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করেছে খানসামা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার পাকেরহাট থেকে গ্রেফতার করে খানসামা থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন খানসামা থানা ভারপ্রাাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন প্রধান।
অপরদিকে সোমবার দিবাগত রাত ১ টায় নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউপির হিলিরডাঙ্গা গ্রাম হতে ধানের শীষের নির্বাচনী কর্মী মোঃ আব্দুল আউয়াল মাস্টার ও পল্লী চিকিৎসক ডা. আতিয়ার রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দিনাজপুর-৬ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো: আনোয়ারুল ইসলাম।
 মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব সোমবার দুপুরে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মৌলভীবাজার রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই রাতে তার ছেলে গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নূরুল আলম সিদ্দিকী এই অভিযোগ করেন।
বিএনপির সাংবাদিক সম্মেলন: গতকাল মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে এতো সহিংস সন্ত্রাসের প্রকোপে জনজীবন নিঃশঙ্ক হতে পারছে না। গত ১৪ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুলিশের ছত্রছায়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের গাড়ী ভাংচুর ও তাদের সাথে থাকা কর্মী-সমর্থকদেরকে রক্তাক্ত জখম করেছে। নোয়াখালীতে আমাদের একজন প্রার্থী ওসি’র গুলীতে গুরুতর আহত হওয়াসহ অসংখ্য অপরাধজনক কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে হয় সরাসরি পুলিশের দ্বারা অথবা পুলিশের প্রত্যক্ষ মদদে।
তিনি বলেন, ভোলা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমসহ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর চলছে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতন। সেখানে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে দিচ্ছে না আওয়ামী ক্যাডার’রা। আর এক্ষেত্রে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ধানের শীষের কোন নেতাকর্মী কিংবা সমর্থকদেরকে বাড়ির বাইরে বেরুতে দেয়া হচ্ছে না। খাবার অথবা ঔষুধ কেনার জন্য বাড়ির কাজের ছেলেকে পাঠানো হলে তাদেরকেও বেধড়ক পিটিয়ে থানায় সোপর্দ করছে আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী। সিরাজগঞ্জ-১
বিএনপির প্রার্থী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপাকে তার ভাইয়ের বাসায় তৈরী প্রধান নির্বাচনী অফিসে যেতে দিচ্ছেনা আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ফলে তিনি নির্বাচনী কার্যক্রম চালাতে পারছেন না। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানার ওসির সাথে কথা বললে তারা উপরের নির্দেশ নেই বলে কিছু করতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এমন পরিস্থিতিতে কনকচাঁপা জীবন শঙ্কায় ভুগছে। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি’র নামে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা-৪ ডেমরা এলাকায় ধানের শীষের প্রচারনার সময় ৩ জন মহিলা নেত্রীকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঢাকা-৫ যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদল সরদার নিম্ন আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাসায় আসার পথে ডিজি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। ঢাকা-৬ ৩৭নং ওয়ার্ড এলাকা থেকে ঐক্যফ্রন্ট নেতা নবকুমার রতœকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাড্ডা থানা বিএনপির সহ সভাপতি জনাব মাকসুদুর রহমানকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা-১৪ গতরাতে ২ জন বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা-১২ তেজগাঁও থানা পুলিশ বিএনপি নেতা শিফুকে গ্রেফতার করেছে। ঢাকা-১৭ বনানী থানা পুলিশ করাইল নামক স্থান থেকে বিএনপি নেতা শাকিলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর-১ সহকারী পুলিশ সুপার কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা। পুলিশ বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার ছিড়ে ফেলে। বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে বিষ্ফোরক আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এলাকা ছেড়ে যাবার হুমকি দিচ্ছে। গাজীপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ গতকাল এলাকার নেতাকর্মীদের নামে মটরসাইকেল পোড়ানো মামলা দায়ের করে। গাজীপুর-৪
 নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি দিয়ে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করছে আওয়ামী ক্যাডার বাহিনী। গাজীপুর-৫ নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা প্রদান ও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ-১ পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাসী ও ভাংচুর করছে। যুবদল নেতা কামাল সহ ৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। নরসিংদী-১ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন বাবু ও ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক হান্নান সরকারকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নরসিংদী-৪ বেলাবো উপজেলায় নৌকার প্রার্থী নিজেই নিজেদের প্রতীক ও পোস্টারে আগুন দিয়ে থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আহসান হাবীব বিপ্লব ও প্রতিটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করে মোট ৩০ জনের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করে। নরসিংদী-৫ আলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি বুলবুল মিয়া, মহেসপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোজাম্মেল, আমির উদ্দিন পলাশ, আমিরগঞ্জ ইউপি বিএনপি নেতা সোহরাব গাজী সহ ৮ জন নেতাকর্মীকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মুন্সীগঞ্জ-২ ৬ জন বিএনপি নেতৃবৃন্দকে বিনা কারণে গ্রেফতার করে পুলিশ। সকালে মহিলা দল সভাপতি পাপিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। মুন্সীগঞ্জ-৩ রামপালে ৪৭ জনের নামে মামলা করে ও ১ জনকে গ্রেফতার করে। জুনায়েদ মিয়াকে জুপিয়ে জখম এবং নির্বাচনী প্রচারনার মাইক ভাংচুর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। টাঙ্গাইল-১ মুসুদ্দী ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিসে পুলিশের উপস্থিতিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। টাঙ্গাইল-২ হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ লিটন, ধোপাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালেক মেম্বার, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল তালুকদার ও বিএনপি নেতা লিটনকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। টাঙ্গাইল-৪ পুলিশ প্রতিটি নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাসী করছে। বাড়িতে না পেলে পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার, নির্যাতনের হুমকি দিচ্ছে। মিটিং মিছিলে গেলে রক্ষা করার কেউ নাই বলে সতর্ক বার্তা দিচ্ছে। গেলে পরিবারের সকলকে এলাকা ছাড়া হবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
টাঙ্গাইল-৬ নগরপুর থানার ওয়ার্ড বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার। টাঙ্গাইল-৭
থানা যুবদল নেতা শওকতকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মানিকগঞ্জ-১ সদর থানার পুলিশ ৩০ জন নেতাকর্মীকে আসামী করে গায়েবী মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম-৮ মোহরা ওয়ার্ড যুবদলের সহ সভাপতি সাবেক আহমেদ, যুবদল নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বোয়ালখালী পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন নান্নু, বিএনপি নেতা সুমন, চাঁন্দগাও থানা বিএনপি নেতা আবুল বাশার, বোয়ালখালী পৌর বিএনপি নেতা মাহমুদুল হক কমিশনার, রিয়াজ উদ্দিন, পাঁচলাইশ থানা যুবদল নেতা মোঃ শাহেদ সহ ১২ জনের অধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ফেনী-১ পরশুরাম উপজেলা মিজানগর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারনার সময় আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা করে যুবদল নেতা নুরুল আফসার হৃদয়, মোঃ মোমিন, শফিকুর রহমানকে গুরুতর আহত করেছে। ফেনী-২ ফেনী পৌর যুবদল নেতা এনামুল হক ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শেখ ফরিদ লিটনকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফেনী-৩ নির্বাচনী কার্যক্রম করে ফেরার পথে সোনাগাজীর তাকিয়া বাজার এলাকায় প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলা করে গাড়ি ভাংচুর করে। এতে ধানের শীষের প্রার্থী আকবর হোসেন সহ অনেকেই গুরুতর আহত হয়। সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সেন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
চাঁদপুর-১ ২নং ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক গোলাম মাওলা, ৬নং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, আব্দুল বারেক, ৭নং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাখাওয়াত ও ২নং পার্থের ইউনিয়ন বিএনপি নেতা দেলোয়ার মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাঁদপুর-৩ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে প্রচারনার সময় ধানের শীষের প্রার্থীসহ কর্মীদের উপর অতর্কিতে হামলা করে ১৫ জন নেতাকর্মীকে আহত করে আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা এবং শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সাহেবকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে নেতাকর্মীরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। নোয়াখালী-১ চাটখিল থানা এলাকায় সকল প্রচার মাইক নিয়ে গেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ৭ নং হাট পুকুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি কামরুজ্জামান শাহীন মাস্টারের বাড়িতে হামলা করে বাড়িঘর ভেঙ্গে ব্যাপক লুটপাট করে। নোয়াখালী-২ নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোর্শেদ আলমের ছোট ভাই জসীম উদ্দিনের নির্দেশে অম্বরনগর ইউনিয়ন যুবলীগ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ ১৫/২০ জন অস্ত্রধারী প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে রামপাড়া দিঘিরপাড় ধানের শীষের নির্বাচনী অফিসে তালা লাগিয়ে দেয় এবং ওই স্থানে দাড়িয়ে ঘোষণা দেয় সোনাইমুড়ীর কোন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর কোন অফিস থাকবে না। যারা বিএনপির ভোটে অংশগ্রহণ করবে তাদেরকে হত্যা করা হবে।
 নোয়াখালী-৬ হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা, নিঝুম দ্বীপ, বুড়ির চর, সোনাদিয়া, তমরদ্দি, চরকিং, চরঈশ্বর, হাতিয়া পৌরসভা, নলচিরা, সুখচর ও হরনী-চানন্দী ইউনিয়নের নলের চর, চর আজমল, চর আমানত, বয়ারচর, কেরিংচর সহ অনেক স্থানে রাজনৈতিক কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের ব্যাপক মারধোর, অপহরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শণ এবং নির্বাচনী প্রচারনার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি, মাইক ভাংচুর ও নির্বাচনী পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আনিছ সরদার, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জীবন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিল, সহিলপুর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামদুকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ কসবার তিনলাখপীর এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখে। সেখানে ধানের শীষের প্রার্থীকে প্রচারনায় নামতে দিচ্ছেনা দুষ্কৃতিকারীরা। এ পর্যন্ত ৩ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদারীপুর-২ গত ১৫ ডিসেম্বর মাদারীপুর-২ আসনে বিএনপির মিছিরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে। ফরিদপুর-১ ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনাকালে পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। ফরিদপুর-৩ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, পৌর ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মিরা শেখকে নির্বাচনী প্রচারনার পর বাড়ি ফেরার পথে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজবাড়ী-১ ধানের শীষের প্রার্থীর বাসা ডিবি পুলিশ ঘিরে রাখে এবং বাসা থেকে নির্বাচনে গণসংযোগের নেতাকর্মীরা বের হলে গ্রেফতার করছে। সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ওবায়দুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, রামকান্তপুর ইউনিয়ন বিএনপি সহ সভাপতি শফিকুর রহমান, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য শিপন, ৩নং বসন্তপুর ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য আব্দুর রব শেখ, সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য আসমত আলী, দাসছি ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য আাসমত আলী, গোয়ালন্দ উপজেলার ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কুষ্টিয়া-৩ প্রচারণার সময় আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসী হামলায় যুবদল নেতা সমির উদ্দিন, জিয়া ও রাশেদুল সহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে সমির উদ্দিনের অবস্থা আশংকাজনক। ঝিনাইদহ-২ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ইমদাদুল হক শেখ ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তল্লাসীর নামে হয়রানি অব্যাহত রেখেছে। মাগুরা জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খান আমিনুর রহমান সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন আশপাশের থানা ও সংশ্লিষ্ট ডিবি অফিসে খোজ খবর নিতে গেলে গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ। পরিবার গুম আতঙ্কে ভুগছে। মাগুরা-২ ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন এর বাড়িতে আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং তার বৃদ্ধা দাদা নুরজাহান ও বাবা-মা’কে মারধোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। গোপালগঞ্জ-২ ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহায়তায় হামলা ও হুমকি প্রদান অব্যাহত রেখেছে।
বাগেরহাট-১ ফকিরহাট উপজেলার আটটাকী বাজার থেকে যুবদল নেতা মিঠুন রায়, জাড়িয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সিংগাতী যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম রবি, চিতলমারীর সন্তোষপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বাগেরহাট-২ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফর রহমান আলম, পৌর ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শহিদুল ইসলামকে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে অতর্কিতে হামলা করে বেধড়ক মারধোর করে মারাত্মক আহত করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। সদর উপজেলা থেকে মাঝিডাঙ্গা গ্রামের জাহিদ, রফিক, চুলকাঠি এলাকার যুবদল নেতা মুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চাপাইনবাবগঞ্জ-১ পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জানিবুল ইসলাম জোসি ও কানাসাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এরশাদ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তাদের না পেয়ে বাড়ীর সকল আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। রাজশাহী-৪ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কামাল এবং প্রস্তাবকারী আলহাজ্ব আঃ সামাদ এর বাড়িতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাদের না পেয়ে হুমকি ধমকি দিয়ে আসে।
রাজশাহী-৫ পুটিয়া থানা বিএনপি নেতা আমিনুল হক মিন্টুকে ধানের শীষের প্রচারনাকালে বিনা কারণে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজশাহী-৬ বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নির্বাচনী ক্যাম্পের সামনে রিভলভার দিয়ে ফাঁকা গুলী করে জনগণের মাঝে ভিতির সৃস্টি করার র আগুন ধরিয়ে উল্লাস করে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। সিরাজগঞ্জ-৬ শাহাজাদপুর উপজেলার জালালপুর, গালা, সোনাতলী ও তায়েমপুর ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয় হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করেছে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। নওগাঁ-২
পতœীতলা থানার পাটীচড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মাজেদকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নওগাঁ-৫ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রুপম এবং সদর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ ও তিলকপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ভূট্টোকে পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। নওগাঁ-৬ রানীনগর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সানিয়ার স্বামী বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলামকে বিনা কারণে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাকে বিষ্ফোরক আইনে মিথ্যা মামলা দেয়ার চেস্টা চলছে।
নাটোর-৩ সিংড়া থানার প্রতিটি ইউনিয়নে ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়া, হাতুড়ী ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং সশস্ত্র মহড়া দিয়ে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি করে চলেছে। নাটোর-৪ সীমান্ত বাজার এলাকায় বিএনপি নেতা রাশিদুল ইসলামের উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করে তার মটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এছাড়াও নাজিরপুর ইউনিয়নে শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভাংচুর করে তালা মেরে দেয়। কিশোরগঞ্জ-৪ ইটনা থানার মৃগা ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ খোকনকে হামলা করে মারধোর করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। নেত্রকোণা-১ পৌর বিএনপি সভাপতি ফজলুর রহমান রুনুকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি আবু হোসেন এর ছেলে জামান, দেঘরিয়া ইউনিয়নের ফিরোজ মিয়া, সুরুজ মিয়া, যুবদল নেতা বাবুল মিয়া সহ বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নেত্রকোণা-৫ ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রহিমকে বিনা কারণে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জামালপুর-৫ শ্রীপুর ইউনিয়নের দড়িপাড়া, দড়িপাড়া বাজার, মাটিখোলা এবং ইটাইল ইউনিয়নের জাগির নামক স্থানের বিএনপি নির্বাচন প্রচারনা অফিস ভাংচুর করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
রংপুর-৬ গত ১২ ডিসেম্বর কাবিলপুর ইউনিয়ন বিএনপি অফিসে আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে অফিস ভাংচুর করে। মৌলভীবাজার-১ বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সদস্য হাজী মুছাব্বির আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৌলভীবাজার-৩ বিএনপি প্রার্থী এম. নাসের রহমানের শহরে লাগানো সকল পোস্টার গত রাতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ছিড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। মৌলভীবাজার-৪ ধানের শীষের প্রার্থী হাজী মুজিব এর ছেলে মুহিদ আশীদ চিশতী শ্রীমঙ্গল এলাকায় গণসংযোগ থেকে ফেরার পথে তার গাড়িতে হামলা করে গাড়ি ভেঙ্গে তাকে ও তার সঙ্গী নেতাকর্মীদেরকে মারধোর করে মারাত্মক আহত করে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী। এছাড়াও শ্রীমঙ্গল উপজেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক এমাদ আহমেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ