ঢাকা, শুক্রবার 28 December 2018, ১৪ পৌষ ১৪২৫, ২০ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মুহম্মদ মতিউর রহমান জীবন ও সাহিত্য

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন : সাহিত্য ও সাহিত্যিকের অবস্থান পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বেশ সুসংহত আদিকাল থেকেই। সাহিত্যিক তাঁর দৃষ্টিকোণ নির্ধারণের মাধ্যমে একটি জাতিকে ধ্বংস বা এগিয়ে নিতে পারেন। সেসব সাহিত্যিক সবার মাঝে জাতির ক্রান্তিকালে কা-ারি হয়ে কলম ধরেন তাঁরাই স্মরণীয় হয়ে ওঠেন। অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান তেমনি একজন। 

 অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান সিরাজগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শাহজাদপুর উপজেলায় চরবেলতৈল গ্রামে ৩ পৌষ, ১৩৪৪ সনে (১৮ ডিসেম্বর ১৯৩৭) এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস একই উপজেলার চরবেলতৈল গ্রামে। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্য-রতœ (১৮৬০-১৯২৩)-এর নিকটাত্মীয়। বার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ, যদিও ছোটবেলায় দ্বিতীয় বোন মারা যান। 

বাবার তত্ত্বাবধানে তিনি চরবেলতৈল স্কুলে শিক্ষার হাতের খড়ি শুরু করেন এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে ১৯৫০ সালে নরিনা মধ্য ইংরাজি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন। সেখান থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষালাভের পর ১৯৫৪ সালে তিনি পোতাজিয়া হাই স্কুলে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে সেখান থেকে কৃতিত্বের সাথে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একই বছর পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে আই.এ. ক্লাসে ভর্তি হয়ে ১৯৫৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও ১৯৬০ সালে বি.এ. পাশ করেন।  ১৯৬২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ১৯৬২ সালে ২৬ নভেম্বর ঢাকাস্থ সিদ্ধেশ্বরী নৈশ কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। উক্ত কলেজে তিনি ১৯৭৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যথাক্রমে অধ্যাপক, ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল ও সর্বশেষে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপ্যাল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, যদিও ১৯৬৫ সালে তিনি মাত্র চার মাসের জন্য করটিয়া সা’দৎ কলেজে অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করেন। সিদ্ধেশ্বরী নৈশ কলেজে অধ্যাপনাকালে তিনি ১৯৬৩-৬৯ সাল পর্যন্ত প্রায় সাত বছর ঢাকাস্থ আমেরিকান প্রকাশনা সংস্থা ‘ফ্রাঙ্কলিন বুক প্রোগ্রামস’-এর নিয়মিত বিভাগে সহকারী সম্পাদক ও প্রথম বাংলা বিশ্বকোষ প্রকল্পের অন্যতম সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত বিশ্বকোষের প্রধান সম্পাদক ছিলেন খান বাহাদুর আব্দুল হাকিম। সম্পাদনা বিভাগে মতিউর রহমানের সহকর্মী হিসাবে ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক সানাউল্লাহ নূরী, লেখক আব্দুল হাফিজ, জনাব কামাল উদ্দিন (কবি সুফিয়া কামালের স্বামী) প্রমুখ। ১৯৭০ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মতিউর রহমান একটি জাতীয় দৈনিকে সাহিত্য সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই নগরীতে প্রবাস-জীবন যাপন করেন। সেখানে ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত তিনি ‘দুবাই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি'তে প্রকাশনা বিভাগে সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। দুবাইতে সরকারি দায়িত্বে অধিষ্ঠিত থাকা অবস্থায় তিনি বিবিধ শিক্ষা-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাজে বিশেষভাবে আত্মনিয়োগ করেন। দুবাইতে ‘বাংলাদেশ সমিতি’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।  তার উদ্যোগে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬শে মার্চ (স্বাধীনতা দিবস), ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুবাইতে যথাযথ মর্যাদার সাথে উদ্যাপিত হয়। দুবাই ও পার্শ্ববর্তী আমিরাতসমূহে প্রবাসী বাংলাদেশী ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দান, তাদের বাংলা ভাষা শেখানো ও বাংলাদেশ সম্পর্কে জ্ঞানদানের উদ্দেশ্যে তিনি দুবাইতে ১৯৮১ সালে ‘বাংলাদেশ ইসলামিক স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। ইংরাজি মাধ্যমে পরিচালিত উক্ত স্কুলে যথারীতি বাংলা ভাষা, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান শিক্ষাদান ও বাংলাদেশের জাতীয় অনুষ্ঠানসমূহ উদ্যাপিত হতো। দুবাইতে তাঁর উদ্যোগেই প্রথম বাংলাদেশ স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি নিয়মিতভাবে বিদেশে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে তুলে ধরেন সাহিত্য সম্মেলন আয়োজন করেন। 

তিনি শিক্ষা বিস্তারে দেশ-বিদেশে যেমন কাজ করেছেন তেমনি নানামুখী সমাজসেবার জন্য সংগঠন তৈরি করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য  নিজ গ্রাম চর বেলতৈলে যুব সংগঠনের দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে গ্রামের মসজিদে একটি মক্তব চালু করেন। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান কায়েম ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

এ গুনী ব্যক্তি  ‘পাবনা জেলা সাহিত্য পরিষদ’-এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৫৮-৬০ পর্যন্ত পাবনা থেকে প্রকাশিত মাসিক ‘আমাদের দেশ’ পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সেক্রেটারি ছিলেন ১৯৫৮-৬০ সাল পর্যন্ত ১৯৬১-৬২ সেশনে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় থেকে প্রকাশিত ‘ফজলুল হক হল বার্ষিকী’-এর সম্পাদক ছিলেন; ‘পাক সাহিত্য সংঘ’ ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৬১-১৯৭১ পর্যন্ত; ‘পাকিস্তান তামদ্দনিক আন্দোলন’-এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৬৬ সালে; ‘পাকিস্তান শাহীন ফৌজ’-এর কেন্দ্রীয় শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন ১৯৬৩-৬৭ পর্যন্ত; ‘শাহিন ফৌজ’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন ১৯৬৭-১৯৭১ পর্যন্ত; ‘স্বদেশ সংস্কৃতি সংসদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ১৯৭৩-১৯৭৭ পর্যন্ত; ‘বাংলাদেশ ইসলামিক ইংলিশ স্কুল’ দুবাই-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ১৯৮১-১৯৯৬ পর্যন্ত; ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’, দুবাই-র সভাপতি ছিলেন ১৯৮৩ সালে; ইসলামিক কালচারাল সেন্টার, আবুধাবী, সংযুক্ত আরব আমিরাত-র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ছিলেন ১৯৮৩-৯৬ পর্যন্ত; স্বদেশ সংস্কৃতি সংসদ, ঢাকার সভাপতি ছিলেন ১৯৯৭-২০০২ পর্যন্ত; ফররুখ একাডেমী, ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ১৯৯৮ থেকে এখন পর্যন্ত; শাহজাদপুর ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদ, সিরাজগঞ্জ-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; আহম্মদ নগর ইসলামী পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ পরিষদ, ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ১৯৯৯-২০০৬ পর্যন্ত; নজিবর রহমান সাহিত্যরতœ একাডেমী-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে ২০১৫ এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন; কথাশিল্পী শাহেদ আলী-চেমনআরা ট্রাস্ট-র সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ২০১৮ সাল থেকে। এছাড়া তিনি জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রকাশিত বহু সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনার সাথে জড়িত। 

অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান নিয়মিতভাবে বাংলা ও ইংরেজিতে বই প্রকাশ করে চলেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য বই হচ্ছে: সাহিত্য কথা; ভাষা ও সাহিত্য;‘ইসলামের দৃষ্টিতে ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি; ঞযব ঋৎববফড়স ড়ভ ধ ডৎরঃবৎ ধহফ ড়ঃযবৎ ঊংংধুং; বাংলা সাহিত্যের ধারা; বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্য; বাংলা ভাষা ও ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন; বাংলাদেশের সাহিত্য,; সমকালিন বাংলা সাহিত্য; বাঙালি মুসলিম নবজাগরণে সাহিত্য-সংস্কৃতি সংগঠনের ভূমিকা; হাজার বছরের বাংলা কবিতা; রবীন্দ্রনাথ; রবীন্দ্রনাথ ও আমাদের সংস্কৃতি; অমর কথাশিল্পী মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরতœঃ জীবন ও সাহিত্য; নজিবর রহমান রচনাবলী, ১ম খন্ড (সম্পাদিত),; নজিবর রহমান রচনাবলী, ২য় খন্ড (সম্পাদিত); কথাশিল্পী নজিবর রহমানের আনোয়ারা উপন্যাস ও তার পর্যালোচনা; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম; গদ্যশিল্পী নজরুল; বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি নজরুলঃ জীবন ও কাব্য; ফররুখ প্রতিভা; কবি ফররুখ আহমদঃ জীবন ও সাহিত্যবিষয়ক তথ্যপঞ্জি;  ফররুখ আহমদের সাত সাগরের মাঝি;  ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য, ১ম খন্ড (সম্পাদিত); ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য, ২য় খন্ড (সম্পাদিত); মতিউর রহমান মল্লিকের সাহিত্যকর্ম; সংস্কৃতি; ঐতিহ্য বাংলা সন ও বাংলা নববর্ষ;  আমাদের বিশ্বাস ও সংস্কৃতি;  ঐতিহ্য সভ্যতা সংস্কৃতি; ইবাদত;  মানবাধিকার ও ইসলাম;  ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার; মানবতার সর্বোত্তম আদর্শ মহানবী স.; মাতা-পিতা ও সন্তানের হক;  মুসলিম বীর ও মনীষী;  হৃদয়ে কাবা; হজ্বের সফর; পানাহার সম্পর্কিত ইসলামের বিধান; ইবাদতের মূলভিত্তি ও তার তাৎপর্য; মহানবীর স. আদর্শ সমাজ; রাসূলুল্লাহর স. জীবন চরিত ও ইসলামী সমাজের রূপরেখা; মহৎ যাঁদের জীবনকথা, ৪৪। ছোটদের গল্প, ৪৫। কিশোরগল্প; আরব উপসাগরের তীরে;  ইউরোপ আমেরিকার পথে জনপদে; অনিন্দ্য নগরী ইস্তাম্বুল; স্মৃতির সৈকতে; স্মৃতির আলোয় জীবনের বাঁকে বাঁকে (জীবনস্মৃতি); নিভৃতে অলিন্দে; সকল মহিমা তোমার, ইত্যাদি। 

এছাড়া প্রচুর গ্রন্থ তিনি সম্পাদনা করেছেন। এর উল্লেখযোগ্য হলো: প্রবাসী কবিকণ্ঠ; ভাষা সৈনিক সংবর্ধনা স্মারক;  ব্যারিস্টার কোরবান আলী স্মারকগ্রন্থ; ভাষা সৈনিক আব্দুল গফুর স্মারকগ্রন্থ; কথাশিল্পী শাহেদ আলী-চেমনআরা স্মারকগ্রন্থ, ইত্যাদি। তিনি একজন দক্ষ অনুবাদকও। তাঁর উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ হলো: ইরাক;  ইরান;  আমার সাক্ষ্য। সম্পাদিত পত্রিকাঃ প্রবাসকণ্ঠ; স্বদেশ সংস্কৃতি; ফররুখ একাডেমি পত্রিকা (১৯৯৮-বর্তমান পর্যন্ত);  নজিবর রহমান সাহিত্যরতœ একাডেমি পত্রিকা উল্লেখযোগ্য।

এ গুনী সাহিত্যিক-সম্পাদক-অনুবাদক-সংগঠক শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ  অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘বাংলাদেশ ইসলামিক ইংলিশ স্কুল’, দুবাই স্বর্ণপদক (১৯৯৬); ‘বাংলাদেশ আধ্যাত্মিক কবিতা পরিষদ’, পদক-২০০৪;  সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার পদক-২০১৫; সুধী সাহিত্য সংঘ প্রদত্ত নবাব আব্দুল লতিফ পদক-২০১৫;  বগুড়া ফররুখ চর্চা সম্মাননা পদক-২০১৫;  অনলাইন-২৪ পদক-২০১৫;  নতুন গতি সাহিত্য পুরস্কার (কলকাতা)-২০১৭;  কিশোরকণ্ঠ পুরস্কার-২০১৮, ইত্যাদি। 

পবিত্র হজ্জব্রত পালন উপলক্ষে চার বার সৌদি আরব গমনসহ মুহম্মদ মতিউর রহমান বিভিন্ন সময় এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার পঁচিশটি দেশ সফর করেন। পেশাগত জীবনে মুহম্মদ মতিউর রহমান অধ্যাপনা ও সম্পাদক হিসাবে আজীবন দায়িত্ব পালন করেন। সাহিত্য চর্চা তার  নেশা। পঞ্চম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে তার সাহিত্য চর্চা শুরু হয়। এক্ষেত্রে তার পিতার দ্বারা তিনি বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হন। আজীবন তিনি নিরলসভাবে সাহিত্য চর্চা ব্যতীত শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গঠন করে তিনি সর্বদা শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চায় কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তিনি শিক্ষা ও সাহিত্য জগতের এক পরিচিত ব্যক্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ