ঢাকা, শুক্রবার 28 December 2018, ১৪ পৌষ ১৪২৫, ২০ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সুষ্ঠু ভোট হলে গাইবান্ধার ৪টি আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্র্থীরা জয়লাভ করবে

গাইবান্ধা সংবাদদাতা : জেলার  ৫টি আসনের মধ্যে ৪ টিতেই ২০ দলীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্র্থীরা জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন। যদি অবাধ নিরপেক্ষ ও  সুষ্ঠু ভোট হয় তাহলে গাইবান্ধার ৪টি আসনের মধ্যে ৪ টিতেই ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্র্থীরা ্জয়লাভের সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচেছ। ১টিতে পলাশবাড়ি-সাদুলালাপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের  প্রার্র্থী ইন্তেকাল করায় এখন  আর নির্বাচন হচ্ছেনা। এদিকে, মাঠে সরকার দলীয় প্রার্থীরা জাঁকজমকের সাথে গান বাজিয়ে শো ডাউনের মাধ্যমে প্রচারণা চালালেও বিরোধী দলের প্রার্থীরা পুলিশের বাধা, বিপত্তি, হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের ভয়ে আতংকের  মধ্যে কোন রকমে  মাঠে চলাফেরা করছেন। বার বার লেবেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বললেও তা সম্পুর্ণ বিপরিত। যে কারণে ভোটারদের মধ্যে এক প্রকার সংশয়ের কাজ  করছে। তাদের কথা ভোট কি আদৌ হবে? ভোট কেন্দ্রে কি  আমরা যেতে পারব? মাঠ পর্যায়ে অনেকে ভোট দিতেও  অনীহাও প্রকাশ করছেন। এতে করে ভোটের হিসাব নিকাশেও পাল্টে যাচ্ছে। দেখা যাচেছ  সবকটি  আসনে ২০দলীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থীরা জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন। 

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগণজ আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে  ২০দলীয় ঐক্য ফ্রন্টের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান  মাজেদুর রহমান (ধানের শীষ) এবং জাতীয় পাটির শামিম হায়দার পাটোয়ারি (লাঙ্গল) মার্কার সাথেই মূলত  প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এরশাদের ভেলকিবাজি  রাজনীতির কারণে  জনগণ তাকে আর আগের মত পছন্দ করে না, বিশেষ করে গৃহপালিত বিরোধী দল হওয়ায় তার জনপ্রিয়তা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে ফলে লাঙ্গল  তেমন ভোট পাবেনা গোটা জেলায়।  এখানে ২০ দলীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী মাজেদুর রহমান সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছেন, কেননা বিএনপি জামায়াতের বিশাল ভোট ব্যাংক থাকায় তার বিজয়ের সম্ভাবনা সব চেয়ে বেশি। এ আসনে মোট ভোটার হল ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫৬ জন এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৪ ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬২২ জন। গাইবান্ধা-২ সদর আসনে ২০দলীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী সদ্য বি এন পিতে যোগদানকারী সাবেক এমপি  আব্দুর রশিদ সরকার (ধানের শীষ)এবং আওয়ামী লীগের  মাহবুবা আরা বেগম গিনি (নৌকা) এই দুজনের মধ্যে  মুল প্রতিদন্দ্বিতা হবে। বর্তমান সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ  শাসন  সহ বিভিন্ন কারণে জনগণ তাদের অপশাসন থেকে মুক্তি চায় সে জন্য তারা বিকল্প প্রার্থীকে বেছে নিলে বি এনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেননা বিএনপি জামায়াতের বিশাল ভোটব্যাংক থাকায় তার বিজয়ের সম্ভাবনা সব চেয়ে বেশি এবারে এ আসনে মোট ভোটার হল-৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১লাখ ৬২ হাজার ৮৬০ এবং মহিলা সংখা ১লাখ ৭১ হাজার ৮০৫ জন। গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনে ২০দলীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক কবির আহমেদ(ধানের শীষ), আওয়ামী লীগের মনোয়ার  হোসেন চৌধুরি(নৌকা)জাতীয় পাটির কাজি মশিউর রহমান(লাঙ্গল) সহ ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানেও ধানের শিষ ও নৌকার মধ্যে লড়াই হবে তবে এ আসনে বি এন পি জামায়াতের বিশাল ভোটব্যাংক থাকায় ২০ দলীয় প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৭৫ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫২১ জন। গাইবান্ধা-৫(সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে  ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ২০দলীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আওয়ামী লীগ থেকে বি এনপিতে আসা ফারুক আলম (ধানের শীষ), আওয়ামী লীগের  ফজলে রাব¦ী মিয়া (নৌকা) জাতীয় পার্টির গোলাম শহীদ রন্জু (লাঙ্গল)। এ আসনে নৌকা ও লাংগলের ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় বি এন পির ফারুক আলম (ধানের শীষ) সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছেন। দুটি উপজেলার  মোট ভোটার সংখ্যা হল ৩ লাখ ১৩ হাজার ৭৫৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১লাখ ৫৪ হাজার ১৪৯ জন এবং নারী ভোটার হল ১লাখ ৫৯ হাজার ৬০৬ জন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ