ঢাকা, বুধবার 02 January 2019, ১৯ পৌষ ১৪২৫, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ২০১৮

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায় ২০১৮ সালে ১৬২টি রাজনৈতিক হত্যাকা- ঘটে। এ বছর ২৪৩৩টি রাজনৈতিক ঘটনায় নিহত ১৬২ জন, আহত আট হাজার ৩৭, আটক এগার হাজার ৩৯০ জন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ২৭৩ জন। নিহত ১৬২ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের হাতে ৮১ অর্থাৎ ৫০%, ছাত্রলীগের হাতে ১৫ অর্থাৎ ৯.২৬%, যুবলীগের হাতে ১৯ অর্থাৎ ১১.৭৩%, শ্রমিক লীগের হাতে ২ অর্থাৎ ১.২৩%, কৃষক লীগের হাতে ১ অর্থাৎ ০.৬২%, বিএনপির হাতে ১১ অর্থাৎ ৬.৭৯%, ছাত্রদলের হাতে ২ অর্থাৎ ১.২৩%, জাতীয় পার্টির হাতে ১ অর্থাৎ ০.৬২%, জেএসএস-এর হাতে ১২ অর্থাৎ ৭.৪১%, ইউপিডিএফ-এর(গণতান্ত্রিক) হাতে ৬ অর্থাৎ ৩.৭০%, ইউপিডিএফ-এর(প্রসীত) হাতে ১১ অর্থাৎ ৬.৭৯% এবং তাবলীগ জামায়াতের হাতে ১ জন অর্থাৎ ০.৬২% খুন হয়।
১৬২টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে আওয়ামী পরিবারের হাতে ১১৮টি যা শতকরা ৭২.৮৪ ভাগ, বিএনপি পরিবারের ১৩টি যা শতকরা ৮.০২ ভাগ, ইউপিডিএফ দু’গ্রুপের হাতে ১৭টি যা শতকরা ১০.৪৯ ভাগ, জেএসএস ১২টি যা শতকরা ৭.৪১ ভাগ এবং জাপা ও তাবলীগ জামায়াত ১টি করে যা শতকরা ০.৬২ ভাগ। উল্লেখ, হত্যাকাণ্ড আরো বেশি হলেও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত না হওয়া এবং সব খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ না হওয়ায় সেগুলো এখানে সংযোজন করা সম্ভব হলো না।
দলভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের বিবরণ 
আওয়ামী লীগ ৮১টি : (১) ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগের হাতে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ কনস্টেবল রুবেল মাহমুদ সুমন নিহত হয়, (২) ২২ নবেম্বর ২০১৭ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে খুন হয় দলীয় নেত্রী স্বপ্না আক্তার। আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন ঢাকায় গ্রেফতার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। বিলম্বে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ হওয়ায় এই দু’টি এ বছরের কলামে কলামে তা প্রকাশ করা হলো, (৩) ৩ জানুয়ারি যশোরের ঝিকরগাছায় দোস্তপুরে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে আব্বাস আলী নামে এক কর্মী ছুরিকাঘাতে খুন হয়। আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বে এই খুনের ঘটনা ঘটে, (৪) ৩ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জ সদরে মোল্লাকান্দি ইউপিতে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মানিক কাজী নামে এক কর্মী খুন হয় এবং (৫) ২৫ জানুয়ারি বরিশালের আগৈলঝাড়ায় টর্কী বন্দরের সুতা ব্যবসায়ী মাহবুব বেপারী আওয়ামী লীগের হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ডিসেম্বর ২০১৭ মাহবুব বেপারী আহত হয়। (৬) ৮ ফেব্রুয়ারি নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার মামলার রয় নিয়ে বিএনপি-জামায়াত ঠেকাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আনতে গেলে তাদের সাথে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী সুমন নিহত, (৭) ১৫ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের লোহাগড়ায় দলীয় কোন্দলে আওয়ামী লীগ উপজেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ খুন হয় এবং (৮) ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে টান্নি হাওর সংলগ্ন জমি দখল করতে গিয়ে বাধা দেয়ায় মজনু মিয়াকে খুন করে আওয়ামী লীগের কুলঞ্জ ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন চৌধূরী ডনেল ও তার লোকজন।
(৯) ৬ মার্চ সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে বরইকান্দি ইউনিয়নের এক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি মাসুক মিয়া ও (১০) যুবলীগ নেতা বাবুল মিয়া নিহত হয়, (১১) ৮ মার্চ ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সহ-সভাপতি আশফাক আল-রাফি শাওন আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে ২৬ ফেব্রুয়রি গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়, (১২) ১০ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে বাগডাঙ্গা গ্রামে দু’দিন ধরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় বোমা বিস্ফোরণে বাবু গ্রুপের সর্মথক আইউব আলী নামে একজন খুন হয়, (১৩) ২৪ মার্চ খাগড়াছড়ি সদরে মিলনপুর ব্রীজ এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল শেখকে খুন করে প্রতিপক্ষ গ্রুপ, (১৪) ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের বন্দর থানায় স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচী চলাকালে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে মেহের আফজাল উচ্চবিদ্যালয়ে যুবলীগ কর্মী মহিউদ্দিন মহি খুন হয় এবং (১৫) ২৯ মার্চ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সাগরদীঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আগের রাত তিনটায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হেকমত সিকদারের লোকজন ভোট কাটছে এমন খবরের পর সতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহারের লোকজন কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য এগিয়ে আসলে কেন্দ্রের ভিতর থেকে গুলিতে ইউনিয়ন যুবদল সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।
(১৬) ৯ এপ্রিল খুলনার তেরখাদায় আটলিয়া গ্রামের খামার বিল এলাকায় সদর ইউনিয়নে নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মওলা নামে এক ইউপি মেম্বার নিহত হয়, (১৭) ১৫ এপ্রিল ফরিদপুরের সদরপুরে কৃষ্ণপুর বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আব্দুল মান্নান সিকদার নিহত হয়, (১৮) ২১ এপ্রিল পটুয়াখালীর বাউফলে নওমালা ইউনিয়নের ভাঙ্গাব্রিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল ও হামলায় ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সহ-সভাপতি(একাংশ) ও ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার নিহত হয়, (১৯) ২১ এপ্রিল নড়াইলের লোহাগড়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল ও সংঘর্ষে আবুল খায়ের মৃধা নামে একজন নিহত হয় এবং (২০) ২২ এপ্রিল ঢাকার বাড্ডায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে কামরুজ্জামান দুখু নামে একজন নিহত হয়। (২১) ৩ মে নরসিংদীর রায়পুরার দলীয় কোন্দলে বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক খুন হয়, (২২) ১২ মে জামালপুর সদরের মাওলানা আব্দুল হককে হত্যা করা হয়। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও নরুন্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহজান আলী সরকারকে ৩০ জুলাই আটক করে পুলিশ, (২৩) ১৩ মে যশোর শহরে পালবাড়ী ভাস্কর্য মোড়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে তরুণ লীগ নেতা শেখ মনিরুল ইসলাম নিহত হয় এবং (২৪) ২৭ মে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্র হোসেন আহমেদ রুবেল হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদসহ ১৪ জনকে আসামী করে মামলা হয়। (২৫) ৩ জুন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের রবিন বাহিনীর হাতে ইসমাইল নামে একজন খুন হয়, (২৬) ৫ জুন চাঁদপুর শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদ এলাকায় কেন্দ্রীয় মহিলা লীগ নেত্রী ও ফরিদগঞ্জ গল্লাক আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষা শাহীন সুলতানা ফেন্সী নিজ বাসভবনে খুন হয়। ঘটনায় তার স্বামী ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ জহিরুল ইসলাম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখাসহ আরো ৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়, (২৭) ১৫ জুন ঢাকার বাড্ডায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে বাড্ডা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ফরহাদ আলী নিহত হয়, (২৮) ১৯ জুন ঢাকার গুলশানে নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল করীম চৌধুরীর স্ত্রীর গাড়ির চাপায় সেলিম নামে এক চালক নিহত হয়। এ গাড়ি চালাচ্ছিল একরামুল করীমের ছেলে শাবাব, (২৯) ২২ জুন সুনামগঞ্জের ছাতকে আওয়ামী লীগের কোন্দলে দলীয় নেতা ফারুক মিয়া হত্যা মামলায় অপর নেতা ও খুরমা ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল আহমেদসহ ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়, (৩০) ২৩ জুন যশোর শহরে আওয়ামী লীগর দলীয় কোন্দলে আরাফাত রহমান লিটন নামে এক যুবলীগ কর্মী খুন হয়, (৩১) ৭ জুলাই নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারে মধ্যারচর গ্রামে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষে সুজন মিয়া ও (৩২) রোজিনা আক্তার নিহত হয় এবং (৩৩) ৩১ জুলাই ময়মনসিংহ শহরে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদ খুন হয়।
(৩৪) ৯ আগস্ট ফেনী সদরের মোহাম্মদ আলী বাজারে আহত যুবদল শর্শাদী ইউনিয়ন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল হক রিপন পঙ্গু হাসপাতালে চিকিসৎাধীন অবস্থায় মারা যায়। ৮ আগস্ট রিপনকে ধরে নিয়ে আওয়ামী লীগের লোকজন কুপিয়ে আহত করে বলে অভিযোগ করে বিএনপি, (৩৫) ২৬ আগস্ট যশোর শহরের শংকরপুর ইসাহাক সড়কে বিএনপি নেতা শেখ মশিয়ার রহমানকে খুন করে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন, (৩৬) ২৭ আগস্ট চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে যুবলীগ কর্মী রামজান আলী ও (৩৭) তার ভাই সিজান খুন হয়, (৩৮) ২৭ আগস্ট পাবনার সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম গ্রুপের হামলার সময় অপর আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মুক্তি খাতুনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ১৯ আগষ্টে এক হামলায় মুক্তি আহত হয়, (৩৯) ২৯ আগস্ট নোয়াখালীর হাতিয়ায় যুবলীগ নেতা অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিনসহ আরো দুই নেতা হত্যা মামলায় ১৫৭ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। উল্লেখ্য, মার্চ ২০১৭ যুবলীগ নেতা অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। বিলম্বে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়ায় এ বছরের কলামে তা যুক্ত করা হলো এবং (৪০) ৩০ আগস্ট ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে উথুরী গ্রামে সৌদী প্রবাসী সাইদুর রহমানের অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছেলে রিয়াদকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করায় সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুর রশীদসহ ৯ ব্যবসায়ীর নামে মামলা করে নিহতের ফুফা আব্দুর রাজ্জাক। (৪১) ৩ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের সালথায় খোয়ার গ্রামে আওয়ামী লীগে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে সাকু মহরী নামে একজন খুন হয়, (৪২) ২১ সেপ্টেম্বর বরিশালের উজিরপুরে দলীয় কোন্দলে জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে হত্যা করে, (৪৩) ১ অক্টোবর বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দৈবজ্ঞহাটি বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ফকিরের টর্চার সেলে মারধর ও গুলি করে দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনছার আলী দিহিদার ও (৪৪) যুবলীগ নেতা শেখ শুকুর আলীকে হত্যা করা হয়।  [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ