ঢাকা, বুধবার 02 January 2019, ১৯ পৌষ ১৪২৫, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান : ॥ পাঁচ ॥
এ ছাড়াও রামচন্দ্র খান, চিরঞ্জীব সেন, যশোরাজ খান, দামোদর, কবি রঞ্জন, হিরণ্য দাস, গোবর্ধন দাস, গোপল চক্রবর্তী প্রমুখ আরো হিন্দু কর্মচারীর নাম পাওয়া যায়। এরা সকলেই উচ্চ রাজপদে কর্মরত ছিলেন। ধারণা করা যায় যে, নিম্নপদের অনেক হিন্দু কর্মরত ছিল যাদের নাম সূত্রে পাওয়া যায় না। রূপ সনাতনরা চার ভাই একসঙ্গে চাকুরি করতেন। রূপ সনাতনের ভগ্নিপতি শ্রীকান্ত ও রাজ সরকারে উচ্চপদে চাকুরি করতেন। তার কার্যস্থান ছিল হাজীপুর। তিনি সেখানে ঘোড়া কেনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। “চৈতন্য চরিতামৃত, মধ্যলীলা, ২০শ পরিচ্ছেদ। উদ্ধৃত আবদুল করিম, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৩৫” তাদেরকে প্রদত্ত উপাধিতে অনুধাবন করা যায় যে, সুলতানি আমলে তাদের বেশ প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। হিন্দুদের প্রতি সুলতানদের এমন উদারতাকে হিন্দু লেখক ভিন্নভাবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন। সুখময় মুখোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন যে, হোসেন শাহ কর্তৃক হিন্দুদের উচ্চ রাজপদে নিয়োগের মাধ্যমে হিন্দুদের প্রতি তার উদার মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায় না। তার নিজের ভাষায়-
“সব সময়ে সমস্ত কাজের জন্য যোগ্য মুসলমান কর্মচারী পাওয়া যেত না বলে হিন্দুদের  গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের প্রথা বাংলাদেশে অনেক দিন আগে থেকেই চলে আসছিল, রুকনউদ্দীন বারবক শাহের আমলেও বহু হিন্দু উচ্চ রাজপদে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। সুতরাং হোসেন শাহ এ ব্যাপারে পূর্ববর্তী সুলতানদের প্রথা অনুসরণ করেছিলেন।....এতে রাজা হিসাবে তার বিচক্ষণতা ও দুরদর্শীতার প্রমাণ পাওয়া যায়, হিন্দুদের প্রতি উদার মনোভাবের প্রমাণ মেলে না।” “সুখময় মুখোপাধ্যায়, বাংলার ইতিহাস (১২০৪-১৫৭৬), কান ব্রাদার্স এ্যান্ড কোম্পানী, ঢাকা, ২০০০, পৃ. ৫৪৪; উদ্ধৃত-আবদুল করিম, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৩৫”।
আবদুল করিম সুখময় মুখোপাধ্যায়ের উপরোক্ত মতামতের বিরোধিতা করে উল্লেখ করেছেন-“সুলতানি আমলে উচ্চ রাজপদে নিয়োগ  করার মতো যোগ্য মুসলমান পাওয়া যাইতো না, এই কথা ঠিক নয়। আরব, তুর্কিস্তানএবং মধ্য এশিয়ার মত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হইতে শিক্ষিত এবং দক্ষ মুসলমানেরা প্রায়ই ভারত উপমহাদেশে আগমন করিত এবং উচ্চ রাজপদ লাভ করিত, তাহাদের আগমন তখনও বন্ধ হয় নাই্ ইহার প্রমাণ এই যে, দিল্লী সাম্রাজ্যে এই সকল বহিরাগত মুসলমানেরা রাজপদে নিযুক্তিতে প্রাধান্য লাভ করিত। বাংলাদেশে মুসলমানদের আগমন বন্ধ ছিল না, সুতরাং বাংলাদেশে যোগ্য কর্মচারীর অভাব হওয়ার কতা নয়।....ইহা একদিকে তাহার বিচক্ষণতা এবং দূরদর্শীতার যেমন প্রমাণ, অন্যদিকে তাহার উদারতার এখনও বহন করে।” “আবদুল করিম, পৃ. ৩৩৫”।
এই আলোচনা থেকে স্পষ্ট হওয়া যায় যে, বাংলার সুলতানি পর্বে সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দুদের সুযোগ সুবিধা পেতে কোনো বাধা হয়নি। বাংলার সুলতানগণ শিক্ষিতজন ও দক্ষ মানুষের যেমন মূল্যায়ন করতেন,তেমনি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের শাসনকার্যে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গত গণতান্ত্রিক অধিকার দেয়ারও পক্ষপাতি ছিলেন।
মুসলমানগণ শাসক জাতি হলেও তারা হিন্দুদের থেকে দূরে থাকেননি কিংবা হিন্দুদেরকেও দূরে সরিয়ে রাখেননি। রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে তাদেরকে সংযুক্ত রেখেছেন। যোগ্যতা ও প্রতিভাকে মর্যাদা দিয়ে তারা পন্ডিত, কবি, বিদ্বান ব্যক্তিদের প্রতি উদার পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন এবং হিন্দুদের সরকারী পদ, উপাধী ও জমি দান করে মর্যাদাবান করেন। “এম এ রহিম, পূর্বোক্ত, পৃ. ২৯২”।
সুলতান ইলয়াশ শাহ দিল্লীর সালতানাতের বিরুদ্ধে তার স্বাধীনতা সংগ্রামে নিুদ সামন্ত জমিদার, সেনাপতি ও সৈনিকদের সমর্থন ও সাহায্য করেন। তিনি দুর্যোধন নামক একজন কর্মচারীকে ‘বঙ্গভূষণ’ এবং চক্রপাণিকে ‘রাজজয়ী’ উপাধীতে ভূসিত করেন। এ ছাড়াও তিনি কয়েকজন হিন্দু জমিদারকে সম্মানজনক উপাধী প্রদান করেন। “পূর্বোক্ত, পৃ. ২৯৩”।
সুলতান জালালউদ্দীন মুহাম্মদ শাহ বিখ্যাত সংস্কৃত পন্ডিত ও কবি বৃহস্পতি মিশ্রকে ‘রায়মুকুট’ ও অন্যান্য উপাধী দ্বারা সম্মানিত করেন এবং তাকে সৈন্যদলে উচ্চপদ প্রদান করেন।
মুসলিম শাসকগণ রাজ দরবারে হিন্দু পন্ডিত ও কবিদের আহবান করে তাদের সঙ্গে হিন্দু শাস্ত্র সম্পর্কে আলোচনা করতেন। হিন্দুদের  জ্ঞানের ক্ষেত্রে গভীর আগ্রহউপলব্ধি করে তাদের মাধ্যমে রামায়ণ, মহাভারত, ভাগবত ও অন্যান্য সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা অনুবাদ করান। সংস্কৃত ভাষার মরমীবাদ গ্রন্থটিও আরবি ও ফারসী ভাষায় অনুদিত হয়। হিন্দুদের ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে মুসলমানদের এ ধরনের আগ্রহের পশ্চাতে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে উন্নততর সামাজিক সমঝাতা সৃষ্টির পরিচয় পাওয়া যায়। “পূর্বোক্ত, পৃ. ২৯৪”। সুলতানি শাসকগণ হিন্দুদের ধর্মীয় ব্যাপারে কোনরূপ হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করেন। ফলে হিন্দুগণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি উদযাপনে, শিক্ষায় ও ধর্মপ্রচারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতো।
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ হিন্দু সংস্কারবাদী বিপ্লবী শ্রী চৈতন্যের বিপ্লবী মতবাদ প্রচারে কোনো ধরনের বাধা প্রদান না করে সহযোগিতা করার জন্য তার প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। “পূর্বোক্ত, পৃ. ২৯৫; এ কে এম শাহ নাওয়াজ, মুদ্রায় ও শিলালিপিতে মধ্যযুগের বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি পৃ. ১৪৪”। সামাজিকভাবেও মুসলমানরা হিন্দু প্রতিবেশীদের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল ছিল। একবার হিন্দু সম্প্রদারে দু’গ্রুপের মধ্যে এক সমস্যা ও সংঘর্ষের বিচার করতে গিয়ে কাজী সাহেব এক গ্রুপের পক্ষে রায় প্রদান করলে অপর পক্ষ ক্রুদ্ধ হয়ে তার বাড়ি পুড়িয়ে ফেলে কাজী সাহেব চাইলে এর উপযুক্ত প্রতিশোধ নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি আপোষমূলক নিষ্পত্তির অভিপ্র্রায়ে দোষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধানের বাড়িতে গিয়ে তাকে ভাগ্নে সংম্বোধন করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন।

“চৈতন্য চরিতামৃত কাব্যে নিম্নোক্ত কবিতাটি উল্লেখ আছে, কাজী সাহেব একই ভাবে সমস্যার সমাধানে প্রবৃত্ত হয়েছিল।
গ্রাম সম্বন্ধে চক্রবর্তী হয় মোর চাচা
দেহ সম্বন্ধে হৈতে হয় গ্রাম সম্বন্ধ সাঁচা
নীলাম্বর চক্রবর্তী হয় তোমার নানা
সে সম্বন্ধে হও তুমি আমার ভাগিনা।
দ্র. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রাগুক্ত, পৃ. ৩২৫”। এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, মুসলমান তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভ্রাতা-ভগ্নি, ভাগ্নে ইত্যাদি স্নেহ-প্রীতির সম্পর্কে স্থাপন করতেন। “এ কে এম শাহ নাওয়াজ, মুদ্রায় ও শিলালিপিতে মধ্যযুগের বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি, পৃ. ১৪৪”। দীর্ঘ সুরতানি আমলের দু’একটি ঘটনা ছাড়া হিন্দুরা মুসলমানদের বন্ধুসূলভ মনোভাবের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন। বাংলার সাধারণ স্বার্থ রক্ষায় তাদের জমিদার, শাসক ও অন্যান্যরা মুসলমানদের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন। মুসলমান সুলতানগণ যেমন তাদের অধিনস্থ প্রতিষ্ঠানে ও কার্যে হিন্দুদের নিয়োগ দিতেন, হিন্দু জমিদাররাও তাদের বিভিন্ন কার্যে মুসলমান কর্মচারী নিয়োগ দিতেন। তারা মুসলমান রাজদরবারের শিষ্টাচার ও আনুষ্ঠানিকতায় মুগ্ধ হয়ে সেগুলো নিজেদের দরবারে অনুসরণ করতেন। “এম এ রহিম, পৃ. ২৯৫”। সুলতানি শাসনকালে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সামাজিক সম্পর্কও গড়ে উঠেছিল। হিন্দুরা তাদের বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক উৎসবাদিতে মুসলমানদের নিমন্ত্রণ করতো, মুসলমানরাও তাদের এই সমস্ত আনন্দ উৎসবে যোগ দিত। কবি বিজয়গুপ্ত বলেন,চাঁদ সওদাগরের পুত্র লক্ষীন্দরের বিয়েতে নয়শত মুসলমান গায়ক যোগদান করেছিলেন। “বিজয়গুপ্ত, মনসামঙ্গল, পৃ. ১৭৯; এম এ, রহিম, প্রাগুক্ত, পৃ. ২৯৬”। মুসলমানগণও তাদের সামাজিক উৎসবাদিতে হিন্দুদের আমন্ত্রণ জানাতেন। এভাবে সামাজিক লেনদেনও চিন্তাধারার আদান-প্রদানের ফলে হিন্দু ও মুসলমানরা একে অন্যের সম্বন্ধে ভালভাবে জানতে পারে। হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থের প্রতি মুসলমানদের অনুরাগ স্বভাবতই মুসলমাদের ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতি শিক্ষিত হিন্দুদের ভক্তি জাগরিত করেছিল। একে অন্যের সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহের ফলে বাংলার দুই প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পথ প্রশস্ত হয়। সে সমরে অনেক ব্রাহ্মণ ব্যবসা-বাণিজ্য শুরুর শুভক্ষণেও পুত্র সন্তান কামনায় আল্লাহর নাম নেয়ার পরামর্শ দিতেন। মুসলমানদের পীর দরবেশদের দরগাহসমূহের শিরণী বা উপটৌকন প্রদান হিন্দুদের মধ্যেও সমানভাবে প্রচলিত পীর দরবেশকে তারা গভীর শ্রদ্ধা ও প্রীতির চোখে দেখতো। তাদের আশীর্বাদ কামনা করতো। যুগ যুগ ধরে শেখ জালালউদ্দীন তাবরিজীর প্রতি হিন্দুদের ভক্তি, শ্রদ্ধা প্রদর্শন ‘শেক শুভোদয়া’ গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। তারা কবিতার প্রারম্ভে মুসলমান পীর দরবেশদের প্রশস্তি লিখে শুরু করতেন। “এম. এ রহিম, প্রাগুক্ত, পৃ. ২৯৭”। বাংলাদেশে মুসলমান রাজত্বকালে সামাজিক মেলামেশা এবং সাধারণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে সে সময়ের হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কখনো কখনো শত্রুতামূলক ঘটনা দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। কিন্তু এগুলো দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অন্যবিধ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে তিক্ততা সৃষ্ট করতে পারেনি।
মুসলমান সম্প্রদায়ের সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় জীবনে ভেদাভেদ থাকলেও বিরোধ ছিল না। এই প্রমাণ পাওয়া যায় মুসলমানদের আল্লাহ রাসুল এবং প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল কুরআনের প্রতি হিন্দু সমাজ মানসের সুগভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়ে। কেতকাদাস ক্ষেমান্দের মনসা মঙ্গল’ কাব্যের নায়ক শৈব সাধক ভাগ্য বিড়ম্বিত চাঁদ সওদাগর পুত্র লক্ষ্মীন্দরকে সর্পদেবী মনসার আক্রোশ থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এ কারণেই লক্ষ্মীন্দরকে লৌহ বাসরে অন্যান্য হিন্দুস্থানী রক্ষাকবচের সঙ্গে একখানা কোরআন শরীফও রাখা হয়েছিল। “দীনেশচন্দ্র সেন, বঙ্গভাষা ও সাহিত্য, পৃ. ৩১৯”। অপুত্রক লক্ষপতি সওদাগর তার অপুত্রক হওয়ার কারণ জানতে ব্রাহ্মণদের ডাকলে, তারা আল কুরআন দেখে অঙ্কপাত করেন। অনুরূপ লক্ষপতি সওদাগরের পুত্র বাণিজ্য যাত্রাকালে হিন্দু দেবদেবীকে স্মরণ করার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকেও স্মরণ করেছেন। “Azizur Rahman Mallick, Brirish Policy and the Muslims in Bengal, Dhaka, 1965. p. 9” সামাজিক জীবনের এই প্রভাব হয়তো সর্বব্যাপী ছিলনা, তবে মুসলিম সমাজের ধর্মকর্মের প্রতি কিছু কিছু হিন্দুর যে উদার মনোভাব ছিল এ কথা অস্বীকর করা যায় না। সমকালীন হিন্দু কবিদের কেউ কেউ হিন্দু মুসলিম চরিত্র চিত্রায়নে অনেক সময় সাম্প্রদায়িকতার প্রাচীর অতিক্রমে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মুসলমান শাসক ও ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন নিয়মনীতি, এমনকি নবী রাসূল এবং মুহাম্মদের (সা) দৌহিত্র হাসান হোসেনকে আক্রমণ করতেও তারা ছাড়েননি। জবাবেমুসলমান কবিরা অনেক সময় তাদের মনোভাবের জবাব রচনার মাধ্যমেই ব্যক্ত করেছেন। এই সমস্ত বিরোধ সমাজকে তেমনভাবে আলোড়িত করেনি, বরং সমাজের মানুষকে ধর্ম সচেতন জাতিতে পরিণত করেছিল। চৈতন্য মঙ্গলের কবি জয়ানন্দ এই বিষয় লক্ষ্য করে লিখেছিলেন, “ব্রাহ্মণে যবনে বাদ যুগে যুগে আছে।” “জয়ানন্দ, চৈতন্যমঙ্গল, (নগেন্দ্রনাথ বসু ও কালিদাস নাগ সম্পাদিত) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, কলিকাতা, ১৩১২ সন, পৃ. ১১”।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ