ঢাকা, শুক্রবার 4 January 2019, ২১ পৌষ ১৪২৫, ২৭ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

লালমনিরহাটে তিস্তার চরাঞ্চলে মরিচের আবাদ বদলে দিয়েছে চরবাসির ভাগ্য

লালমনিরহাট : চরসির্ন্দুনার চরে মরিচের ক্ষেতে পরিচর্যা করছেন কৃষাণী

লালমনিরহাট সংবাদদাতা : লালমনিরহাট জেলার ৫ উপজেলার তিস্তা নদীর ধু-ধু বালু চরে মরিচের আবাদ বদলে দিয়েছে চরবাসির ভাগ্য। তারা চলতি মৌসুমে তিস্তার ধু-ধু বালুচরে মরিচ,পিয়াজ সহ নানা জাতের শাক সবজি আবাদ করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছে। হাতিবান্ধা উপজেলার চর সিন্দুর্না মজিবুর রহমান, মোকলেছুর ও সাজু মিয়া জানান, প্রতিবছর এ মৌসুমে আমরা চরাঞ্চালে মরিচ, পিয়াজ, শাক সবজি আবাদ করে হাজার হাজার টাকা আয় করি। তবে বন্যার সময় আমাদের দুঃখের সীমা থাকে না। তারা জানান, সরকার আসে সরকার যায়। তবুও ব্যবস্থা হয়না। তিস্তা নদী সংস্কার ও শাসন এবং সেই সাথে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের দাবি জানান তারা। ওই চরের বাসিন্দা মোঃ আশরাফ এ প্রতিবেদক কে জানান, বন্যার সময় বাড়ী-ঘর তলিয়ে যায়। শত শত একর জমি নদীগর্ভে বিলীন ও গরু-ছাগল বন্যার পানিতে ভেসে যায়। ওই সময় আমাদের দুঃখের সীমা থাকেনা। ত্রান চাইনা , আমরা মাথা গোজার ঠাঁই চাই। সব মিলিয়ে চরঞ্চাল বাসী বর্তমানে সুখে আছেন বলে জানায়। তবে লালমনিরহাট জেলার ৫ উপজেলার চর এলাকা গুলো মরিচ, পিয়াজ,ভ’ট্টা ও শাক-সবজি আবাদে সবুজের সমারহ হয়েছে। লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর জানান, চলতি মৌসুমে ৫২০ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়। তা ছাড়িয়ে ৫৩৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও দেশী জাতের মরিচ আবাদ করা হয়েছে। বর্তমান প্রতিমন মরিচ খুচরা বাজারে ১২ শত ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পাইকারী বাজারে এক হাজার টাকা দরে মরিচ বিক্রি করে চরবাসীরা এখন মহাখুশি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ