ঢাকা, শনিবার 5 January 2019, ২২ পৌষ ১৪২৫, ২৮ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে বিরল প্রজাতির শকুন উদ্ধার

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) : তাড়াশের সগুনা ইউনিয়নে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির শকুন ছবি         -সংগ্রাম

শাহজাহান, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) থেকে : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিরল প্রজাতির একটি শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ী পশ্চিম পাড়া নজিবুর রহমান বাড়ি থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়। 

তাড়াশ উপজেলা বন কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন জানান, বুধবার দুপুরে চরকুশাবাড়ি গ্রামের নজিবর রহমানের বাড়ির আঙিনায় হঠাৎ করে বিরল প্রজাতির ওই শুকুনটি অসুস্থ অবস্থায় উড়তে না পেরে পড়ে যায়। পরে নজিবুর রহমান শকুনটিকে ধরে একটি ঘরে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন এবং খাবার খেতে দেন। 

শকুনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজন শকুনটি দেখতে সেখানে ভিড় জমায়। অনেকে ওই শকুনের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। পাবনা বন বিভাগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শকুনের ভাইরাল হওয়া ছবির কথা তাড়াশ উপজেলা বন কর্মকর্তাকে জানান। 

বন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার দুপুরে চককুশাবাড়ি গ্রামে গিয়ে শকুনটি উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এতে বন বিভাগের সহযোগিতা প্রয়োজন হওয়ায় তিনি তাড়াশ ইউএনও ইফফাত জাহানকে জানান। তাড়াশ ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে রাজশাহী বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মাঠকর্মীসহ পুলিশ নজিবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করে। এসময় ইউএনও ইফফাত জাহানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সমকালকে বলেন, শকুনটি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির পাখি। যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে শকুনটিকে সুস্থ করার চেষ্টা চলছে।

বাস খাদে আহত ৩০ জন : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের (কোচ) সামনের চাকা খুলে উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার নগরবাড়ী-বগুড়া মহাসড়কে পাইকপাড়া গ্রামের পাশে অলিফ পরিবহনের ওই বাসটি উল্টে যায়। 

দুর্ঘটনায় শিশু ও নারীসহ বাসটির কমপক্ষে ৩০যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় উদ্ধার করে উল্লাপাড়া ২০ শয্যা হাসপাতাল, হাটিকুমরুল সাখাওয়াম মেমোরিয়াল হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত উল্লাপাড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবু হাসান ও উল্লাপাড়া ফায়ার স্টেশনের স্টেশন কমান্ডার নাদির হোসেন জানিয়েছেন, পাবনা থেকে বগুড়া যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় পড়ার কোচটি আহত যাত্রীদের মধ্যে দুই শিশু ও চার নারীর অবস্থা গুরুতর। তারা জানান, প্রাথমিকভাবে কোনও আহত যাত্রীর পরিচয় জানা যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যহত রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ