ঢাকা, শনিবার 20 April 2019, ৭ বৈশাখ ১৪২৬, ১৩ শাবান ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কুষ্টিয়ায় আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘাতে নিহত ১

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম মইনুদ্দিন বিশ্বাস (৬০)। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল জুয়েল রানা হালিমের বাবা।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে বলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা ওসি রতন শেখ জানান।

পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার ১১ নম্বর আব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হয়দার এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সকালে ওই সংঘর্ষ বাঁধে।

স্থানীয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের ভাষ্য, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফার সঙ্গে একই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হায়দারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আগেও কয়েকবার পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশের মধ্যস্থতায় তার মীমাংসাও হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এলাকার আধিপত্য ধরে রাখতে দুই পক্ষ ফের সক্রিয় হলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জের ধরে আজ ভোরে গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে কয়েকশ' কর্মী সমর্থক দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা নিয়ে আব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলী হায়দার স্বপনের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মঈনুদ্দিন।

রক্তাক্ত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকিল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মইনুদ্দিনের মৃত্যু হয়।

নিহত মঈনুদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা বলেন, তারা বাবা ইউপি চেয়ারম্যান আলী হায়দার চেয়ারম্যানের পক্ষের লোক।প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

ঘটনার বিষয়ে গোলাম মোস্তাফা ও আলী হায়দারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ