ঢাকা,মঙ্গলবার 8 January 2019, ২৫ পৌষ ১৪২৫, ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কাউকে মন্ত্রী করার শর্তে ১৪ দলীয় জোট করা হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার : শরিক দলের কোনো নেতাকে মন্ত্রিপরিষদে স্থান দেয়ার শর্তে ১৪ দলীয় জোট গঠন করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভায় শরিকদের মন্ত্রীত্ব না পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। রোববার প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা বাদ পড়েছেন।
অন্যান্যবারের মতো এবারও মন্ত্রিপরিষদে শরিকদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে, এটা বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানাভাবে আলোচনায় ছিল। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পাওয়ার তালিকায় শরিকদের কারো নাম না থাকায় অনেকেই অবাক হন।
প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় শরিক দলের ঊর্ধ্বতন নেতারা গণমাধ্যমকে বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা অবগত নন। পাশাপাশি সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
এ অবস্থার মধ্যেই গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ১৪ দলীয় জোট কাউকে মন্ত্রী করার শর্তে গঠন করা হয়নি। মন্ত্রী হলে জোটে আছি, না হলে নাই বিষয়টি এমন নয়। আর তা ছাড়া পাঁচ বছর অনেক বড় সময়। এর ভেতরে অনেক রদবদল হতে পারে। তখন জোট থেকে বা দলের ভেতর থেকে অনেকেরই ডাক পড়তে পারে।
দলের জ্যেষ্ঠ ও প্রভাবশালী নেতাদের মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ পড়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের প্রভাবশালী ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের এখন দল গোছানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে। তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় নাই। দায়িত্ব ট্রান্সফার হয়েছে মাত্র। দল যাতে সরকারে হারিয়ে না যায়, জ্যেষ্ঠ ও পোড়খাওয়া নেতারা সে দায়িত্ব পালন করবেন।
একটি স্মার্ট ও আধুনিক সরকার, সরকারের পাশাপাশি দল যদি গতিশীল হয়, তাহলে স্কোর করতে সুবিধা, বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
মন্ত্রী না হওয়ায় তাঁদের মনে কোনো কষ্ট আছে কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, মন্ত্রিসভা থেকে বাদ গেলে মনে কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক। আমাকে বাদ দিলে আমিও কষ্ট পেতাম। তবে প্রধানমন্ত্রী যেটা করেছেন সেটা সরকার, দেশ, জাতি ও দলের ভালোর জন্যই করেছেন। মন্ত্রী না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে কষ্ট আছে বলে মনে হয় না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ