ঢাকা, রোববার 13 January 2019, ৩০ পৌষ ১৪২৫, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শাহজাদপুরে যমুনায় জেগে উঠা চরে বাদামের সবুজ স্বপ্ন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বেশ কয়েকটি চরে চলতি মওসুমে ২ হাজার একর জমিতে কয়েক হাজার মেট্রিক টন বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ মৌসুমেও বাদামের বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা। বাদাম চাষ করে চরের প্রায় ২৫ হাজার ভূমিহীন বর্গাচাষি ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। যমুনা নদীর ভাঙ্গনে কৈজুরী, গালা, সোনাতনী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিল। বাদাম চাষ করে নদীভাঙা অনেক মানুষের মুখে এখন হাসি ফুটেছে। কৃষি স¤প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর চরাঞ্চলের পলিযুক্ত বেলে মাটিতে  হাজার একর জমিতে সাড়ে কয়েক হাজার মেট্রিক টন বাদাম উৎপন্ন হয়। বাদাম চাষ করে চরাঞ্চলের শতাধিক ভূমিহীন বর্গাচাষি পরিবারে এসেছে স্বচ্ছলতা। বাদামের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা লাভবান হয়েছেন। চলতি মৌসুমে গত বছরের চেয়ে বেশি জমিতে বাদাম আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারো বাদামের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষি অধিদফতরের কর্মকর্তারা। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,  উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের যমুনা চরের শ্রীপুর, ধীতপুর, বড় চানতারা, ছোট চানতারা, গালা ইউনিয়নের বাঙ্গালা, রতনদিয়া, ঘোড়জান, ভাটদিঘুলিয়াসহ ছোট-বড় ৫/৬টি চরের প্রায় ২ হাজার একর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। বাদাম চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চরাঞ্চলে বাদাম চাষের সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে নানা সমস্যা। বীজসঙ্কট বাদাম চাষের প্রধান সমস্যা। চাষিরা স্থানীয়ভাবে দেশি পদ্ধতিতে বাদামবীজ সংরক্ষণ করায় অনেক সময় ভালো ফলন পাওয়া যায় না। চরাঞ্চল হওয়ায় বাদাম চাষে কৃষি বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা পাওয়া যায় না বলে বাদাম চাষিরা অভিযোগ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ