ঢাকা, সোমবার 14 January 2019, ১ মাঘ ১৪২৫, ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বরগুনার হাট-বাজার ভেজাল খাদ্যে সয়লাব

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা, ১২ জানুয়ারি: বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার ১টি পৌরসভা এবং ১৪ টি ইউনিয়নে  রয়েছে সহস্রাধিক খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বেকারি, আইসক্রিম ফ্যাক্টরি ও হোটেল রেস্তোরাঁ।এসব খাদ্য তৈরি করতে কারখানাগুলোতে রয়েছে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এবং কর্মচারীরা কাজ করছে উদম শরীরে। কর্মচারীদের শরীরের ঘাম তৈরিকৃত খাবারে পড়লেও সে দিকে নজর নেই কর্তৃপক্ষের।
ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্যের কাছে জিম্মি এখন উপজেলা ২টির  সকল শ্রেণির মানুষ। বাজারজাত হওয়া  বেশিরভাগ খাদ্য পণ্যই ভেজাল এবং সে সব খাদ্য পণ্য দেহের জন্য চরম ক্ষতিকর। অপরদিকে স্যাঁতসেঁতে, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা খাদ্য দ্রব্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে দেদারছে। আমতলী পৌর এলাকায় খাদ্য উৎপাদনকারী বেকারি, মোয়াসহ  অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য তৈরির  কারখানা রয়েছে বেশ কয়েকটি। হোটেল, রেস্তোরাঁ রয়েছে দেড় শতাধিক।
 বাজারে ভেজালমুক্ত খাদ্য সামগ্রী পাওয়াটাই কষ্টকর। ভেজাল খাদ্য খেয়ে প্রতি বছর জনসাধারনের পেটে পড়ছে কয়েক মণ ফরমালিন। আর ভেজাল খাদ্যে জীবনঘাতী রোগের বিস্তার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে ক্যান্সার, চর্মরোগ, আলসার, লিভার ও কিডনি সংশ্লিষ্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতি বছর শুধু ভেজাল খাদ্য পণ্যের কারণেই উপজেলা দু’টির কয়েক হাজার মানুষ জটিল রোগে আক্রান্ত হন। আর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও খাদ্যে ভেজাল মেশানোকে জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন।
শুধু ভেজাল খাদ্যগ্রহণের ফলে বিপুল সংখ্যক লোক কঠিন রোগে আক্রান্ত  হচ্ছেন। এছাড়া অন্তঃসত্ত্বা মায়ের শারীরিক জটিলতাসহ গর্ভজাত বিকলাঙ্গ শিশুর সংখ্যাও কম নয়। চিকিৎসকরা বলেন, ভেজাল খাদ্য পণ্য কিনে আমরা শুধু প্রতারিতই হচ্ছি না, মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেও রয়েছি। ভেজাল পণ্য আমাদের ক্যান্সার, হেপাটাইটিস, কিডনি ও লিভারের জটিল রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
এ প্রসঙ্গে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সরোয়ার হোসেন বলেন , ভেজাল খ্দ্য সামগ্রী তৈরি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ