ঢাকা, সোমবার 14 January 2019, ১ মাঘ ১৪২৫, ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলনায় জিয়া হল সরকারিভাবে পরিত্যক্ত করতে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন

খুলনা অফিস : খুলনা জিয়া (পাবলিক) হলের বর্তমান ভবন অপসারণের জন্য আনুষ্ঠানিক তৎপরতা শুরু করেছে বিভাগীয় প্রশাসন। এজন্য বর্তমান স্থাপনাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন এবং কমিটিতে ৬ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে চলতি মাসের মধ্যেই জিয়া হলের বর্তমান স্থাপনা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে। এরপর এই স্থাপনা অপসারণের উদ্যোগ নেবে কেসিসি। পাশাপাশি বহুতল মাল্টিপারপাস ভবন নির্মাণের জন্য একটি বড় প্রকল্প তৈরির কাজ চলবে।
এদিকে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য বুধবার জিয়া হল ঘুরে দেখেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে জিয়া (পাবলিক) হল প্রাঙ্গণে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সভায় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, গণপূর্ত বিভাগ খুলনা’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী ওয়াসিফ আহমেদ, কেসিসি’র প্যানেল মেয়র মো. আলী আকবর টিপু, প্রধান প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জাহিদ হোসেন শেখ প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় খুলনা পাবলিক হল দ্রুত পরিত্যক্ত ঘোষণার লক্ষ্যে গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী ওয়াসিফ আহমেদকে প্রধান করে কেসিসি ও এলজিইডি’র প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার সমীপে রিপোর্ট পেশ করবেন মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার পূর্বে সিটি মেয়র বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে পাবলিক হলের বর্তমান অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান জানান, ১ দশমিক ৭২ একর জমির উপর অবস্থিত খুলনা পাবলিক হল ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর কেসিসি’র বিশেষ সভায় হলটি পরিত্যক্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর এ সংক্রান্ত নথি বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে পাঠানো হয়। সভায় স্থাপনাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই স্থাপনা পরিত্যক্ত ঘোষণা হলে কেসিসির পক্ষ থেকে এটি অপসারণ করা হবে। এর পাশাপাশি বহুতল ভবন নির্মাণের প্রকল্প তৈরির কাজও শুরু হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ