ঢাকা, সোমবার 14 January 2019, ১ মাঘ ১৪২৫, ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ৯০ হাজার প্রান্তিক চাষিকে কৃষি প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে

মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, রংপুর অফিস : চলতি ২০১৮-১৯ মওসুমে রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলার ৯০ হাজার ৪৪০ জন প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র চাষির মধ্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে ১২ কোটি সাড়ে ১৫ লাখের বেশি টাকা মূল্যের বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সহায়ত প্রদান করা হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই কর্মসূচির আওতায় রবি ও খরিপ মওসুমে কৃষি অঞ্চলের ৫ জেলার চাষিদের মধ্যে বিভিন্ন জাতের ৮টি ফসল চাষে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে রবি মওসুমের ফসল চাষের জন্য কৃষকরা এসব সহায়তা পাচ্ছেন। রংপুরের আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট এবং লালমনিরহাট নীলফামারী জেলার চাষিদের গম, ভূট্টা, সরিষা, চিনা বাদাম, গ্রীষ্মকালীন তিল, গ্রীষ্মকালীন মুগ, বিটি বেগুন এবং বোরো ধান চাষের জন্য উল্লিখিত জেলার নির্বাচিত প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র চাষীরা বীজ এবং কৃষি উপকরণ প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন।
এই কর্মসূচির আওতায় রংপুর জেলার ১৯ হাজার ৪১৫ জন চাষির জন্য ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের কৃষি সহায়তা বরাদ্দ হয়েছে। এ ছাড়া কুড়িগ্রাম জেলার ১৯ হাজার ৯২৫ জন চাষীর জন্য প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। গাইবান্ধা জেলার ১৮ হাজার ২৩০ জন চাষির জন্য প্রায় ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। লালমনিরহাট জেলার ১৫ হাজার ৪২৫ জন চাষির জন্য প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং নীলফামারী জেলার ১৭ হাজার ৪৪৫ জন চাষীর জন্য প্রায় ২ কোটি ৪৬ লাখের বেশি টাকা মূল্যের কৃষি সহায়তার বরাদ্দ হয়েছে।
এ ছাড়া প্রত্যেক চাষিকে বিঘা প্রতি গম চাষের জন্য ২০ কেজি বীজ এবং ৫০ কেজি রাসায়নিক সার (ডিএপি ও এওপি), ভূট্টার জন্য ২ কেজি বীজ এবং ৩২ কেজি রাসায়নিক সার, সরিষা ১ কেজি বীজ এবং ৩১ কেজি রাসায়নিক সার, চিনাবাদামে ১০ কেজি বীজ এবং ২৫ কেজি রাসায়নিক সার, গ্রীষ্মকালীন তিল ১ কেজি বীজ এবং রাসায়নিক সার ৩১ কেজি সার, গ্রীষ্মকালীন মুগ ৫ কেজি বীজ এবং ২০ কেজি রাসায়নিক সার, বিটি বেগুন এর চাষের জন্য ২শ গ্রাম বীজ ও রাসায়নিক সার ৩০ কেজি এবং  বোরো বীজ ৫ কেজি এবং ৩৫ কেজি রাসায়নিক সার কৃষি প্রণোদনা সহায়তা হিসেবে চাষিদের দেয়া হচ্ছে।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, প্রত্যেক চাষিকে এক বিঘা করে জমিতে অর্থ্যাৎ ৫ জেলার মোট ৯০ হাজার ৪৪০ জন প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র চাষির জন্য ৯০ হাজার ৪৪০ বিঘা জমিতে এই পরিমাণ কৃষি প্রণোদনা সহায়তা দেয়া হচ্ছে। নির্বাচিত চাষীদের ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে কৃষি কমিটির মাধ্যমে  মনোনীত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে এসব কৃষি প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া খরিফ মওসুমের জন্য বরাদ্দ সহায়তা রবি মওসুম শেষে চাষিদের দেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ