ঢাকা, সোমবার 14 January 2019, ১ মাঘ ১৪২৫, ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মুন্সীগঞ্জে কারখানায় প্রকাশ্যে চলছে কারেন্ট জাল উৎপাদন

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা : একের পর এক অভিযানের পরেও মুন্সীগঞ্জে বন্ধ হচ্ছেনা কারেন্টজাল উৎপাদন ও আয়রন। জেলা সদরের পঞ্চসার ইউনিয়নের বাগবাড়ী, মুক্তারপুর, মালির পাথর, বিনোদপুর, দয়াল বাজারে অনেকটা প্রকাশ্যেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা চালিয়ে আসছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল উৎপাদন ও আয়রন । সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পঞ্চসার ইউনিয়নের মালিপাথর এলকায় শাহ-আলী রাইস মেইল সংলগ্ন ধানের মাঠে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন গড়ে তুলেছে অবৈধ কারেন্ট জাল আয়রন কারখানা। সেখানে বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদিত অবৈধ কারেন্ট জাল আয়রন করা হচ্ছে। কারখানাটির ভিতরে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ১ কোটি টাকার অবৈধ (মনোফিলামিন) কারেন্টজাল আয়রন করার জন্য প্রস্তুত করছেন শ্রমিকরা। প্রতিদিন প্রকাশ্যে অবৈধ কারেন্টজাল আয়রন ও বাজারজাত করণের শেষ প্রক্রিয়া চললেও উপজেলা মৎস্য প্রশাসন এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কোটি কোটি টাকার অবৈধ কারেন্টজাল আয়রন ও প্রক্রিয়াজাত করলেও যেন দেখার কেউ নেই।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। তারা আরো বলেন, শুধু ইমরান মেম্বারই নয় পুরো পঞ্চসার ইউনিয়নে শতশত অবৈধ কারেন্ট জাল উৎপাদন করছে প্রভাবশালীরা। তবে র‌্যাবের যে কয়েকটা অভিযান হয়েছে তা সফলভাবে হলেও জেলা প্রশাসনের তেমন কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেই । ফলে প্রভাবশালীরা নির্দ্বিধায় চালিয়ে আসছে কারেন্ট জাল উৎপাদন, আয়রন ও বাজারজাত করার সকল প্রক্রিয়া।
অবৈধ কারেন্ট জাল আয়রনের বিষয়টি স্বীকার করে পঞ্চসার ইউপি সদস্য ইমরান হোসেন বলেন, আমার এখানে কারেন্ট জাল উৎপাদন করা হয়না। আমি শুধু বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদিত কারেন্ট জালসহ সকল ধরণের জাল আয়রন করি। আমি জানি এসব অবৈধ তবুও করি। যারা উৎপাদন করে তাদের বিরুদ্ধে লিখুন কেন তারা উৎপাদন করে। এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আহম্মেদ বলেন, অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ীরা যতই প্রভাবশালী হোক তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ