ঢাকা, বৃহস্পতিবার 17 January 2019, ৪ মাঘ ১৪২৫, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নীলফামারী ডিমলা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় ভারতীয় ড্রোন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লংঘনের প্রতিবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নীলফামারীতে বাংলাদেশী যুবক খলিলুর রহমানকে হত্যা ও ভারতীয় ড্রোন কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়ীয় সীমান্তে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লংঘনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
 মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বলেন, নীলফামারীর ডিমলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলীতে খলিলুর রহমান (২৫) নামের এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভোরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে ভুজারীপাড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলেকে হত্যা ২০০০-২০১৮ পর্যন্ত ১৮ বছরে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশের নাগরিক সীমান্তে হত্যার ধারাবাহিকতা। যা খুবই উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের সরকার এবং বিবেকবানদের নির্বাক থাকা সন্দেহজনক ও হতাশাব্যঞ্জক।
বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের আকাশ সীমায় ভারতীয় ড্রোন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লংঘন এবং নিরাপত্তা হুমকি। ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) সদস্যরা অস্ত্র হাতে দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে এদেশের সাধারণ নাগরিককে হামলা করে। তাদের হাতে আহত, নিহত হওয়ার ঘটনা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। গতকাল ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আখাউড়ার সাধারণ মানুষ হতচকিত হয়ে লক্ষ্য করে গঙ্গাসাগর রেলে স্টেশনের কাছে মোগড়া ইউপির কাছে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং কালো জীপ গাড়ীতে চড়ে হিন্দিবাসী লোকজন অবস্থান করে এবং ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। যা খুবই উদ্বেগজনক। নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য সৃষ্টিতে ব্যর্থ হলে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। সার্বভৌমত্বের লংঘন করে দেশের মধ্যে ভারতীয় ড্রোনের তৎপরতার বিষয়ে আমরা বিমান বাহিনীর, আইএসপিআর এর মাধ্যমে সরকারের প্রতিরক্ষায় দায়িত্বশীলদের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবী করছি। তিনি সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না যদি ফেলানী হত্যার বিচার না হয়। সীমান্ত হত্যা এবং সার্বভৌমত্ব লংঘনের বিরুদ্ধে সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে হওয়ার আহ্বান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ