ঢাকা, শুক্রবার 18 January 2019, ৫ মাঘ ১৪২৫, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলনায় স্কুল সময়ে বাইরে শিক্ষার্থীদের ঘোরাঘুরি

খুলনা অফিস : খুলনায় মহানগরীতে স্কুল সময়ে বাইরে ঘোরাঘুরি করে কিছু শিক্ষার্থী। প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায় পর্যন্ত বাদ যায় না কোনো ধরনের ছাত্র-ছাত্রীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনের ফাস্টফুডের দোকান থেকে রাস্তাঘাট ও পার্ক বাদ যায় না কোনো স্থান। সিম্পল ড্রেসের পাশাপাশি স্কুল ড্রেসেরও কমতি নেই। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে অভিযানের কথাও বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, খুলনা মহানগরীতে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস সময়ে রয়েছে ভিন্নতা। কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে দুইটি শিফটও। সাধারণত সকাল নয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস থাকে। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস ছেড়ে বাইরে না যাওয়ার কড়াকড়ি রয়েছে। তারপরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রথম ক্লাসে উপস্থিতি ভাল থাকে। ধীরে ধীরে কমতে থাকে অনুপস্থিতি। সরেজমিন মহানগরীর সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সেন্ট জোসেফস স্কুলের আশপাশ, সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বয়রাস্থ ডাক বিভাগীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, খুলনা জিলা স্কুল, শহীদ হাদিস পার্কসহ অন্যান্য স্থানেও স্কুল ড্রেস ও স্বাভাবিক পোশাকে শিক্ষার্থীরা ঘোরাঘুরি করে। সাথে থাকে স্কুল ব্যাগও। মহানগরীর শেখপাড়া এলাকার সোবহান নামের এক অভিভাবক বলেন, সকালে সন্তানদের বিদ্যালয়ে দিয়ে এসে আর তেমন খোঁজ রাখা হয় না। বিদ্যালয়ে থাকে না এমন বিষয় মাঝে মাঝে বিভিন্ন জায়গায় স্কুল ড্রেসে ছেলে মেয়ে দেখে বোঝা যায়।

শান্তিধাম মোড় এলাকার সোনিয়া বেগম নামের এক অভিভাবক বলেন, বর্তমানের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যায় ঠিকই। কিন্তু স্কুল থেকে কে কোথায় তার খবর সাধারণত অভিভাবকরা রাখে না।

মিয়াপাড়া এলাকার সাদমান নামের এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে দেয়ার পরে দায়িত্ব শিক্ষকদের। সেখান থেকে বাইরে গেলে তারা কিভাবে জানবে। বাইরে ঘোরাঘুরি করা শিক্ষার্থীরা বলে, তারা ক্লাস শুরু হওয়ার পরে কৌশলে বিভিন্ন কারণে বাইরে আসে।

খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, তার স্কুলে একবার শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করলে স্কুল সময় শেষ না হলে তারা বাইরে যেতে পারে না। এজন্য শিক্ষকরা মনিটরিং করেন।

খুলনা কলেজিয়েট স্কুল এন্ড উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর তৌহিদুজ্জামান বলেন, কিছু কিছু শিক্ষার্থী গেট দারোয়ানদের সহযোগিতায় বাইরে যায়। তবে তার সংখ্যা খুবই কম। প্রশাসন সপ্তাহে একবার করে অভিযান করলে বাইরে ঘোরাঘুরি করা শিক্ষার্থীরা ভয় পাবে।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান বলেন, এ বিষয়গুলো পারিবারিকভাবে ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দেখবেন। প্রয়োজন হলে অভিযানও পরিচালনা করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ