ঢাকা, শনিবার 23 February 2019, ১১ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব জনগণের সঙ্গে মশকরা: রিজভী

ফাইল ফটো

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

ভোটাধিকার হরণ করে আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব জনগণের সঙ্গে মশকরা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।  

তিনি বলেন, "জনগণ নাকি এবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। ভোটাধিকারহারা জনগণ ব্যথিত, বিমর্ষ ও বাক্যহারা। এ অবস্থায় তাদের নিয়ে এ ধরনের বক্তব্য নিষ্ঠুর রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। জনগণের পকেট কাটা টাকায় এমন আয়োজন জনগণের সঙ্গে আরেকটি অবজ্ঞাভরা মশকরা।"

তিনি আরও বলেন, "বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে তার দলকে বিজয়ী করার জন্য জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জনগণ নাকি এবার স্বতঃস্ফূর্ভভাবে ভোট দিয়েছে। তার এমন বক্তব্যে জনগণ হাসবে না কাঁদবে তা ভেবে পাচ্ছে না।"

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "জনগণ মনে করে ভুয়া ভোটের সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে। কারণ ভোটের আগের দিন রাতেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের ভোটের অধিকারটা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিল। ভোট জালিয়াতি করতে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র ক্ষমতাসীনদের পাশে দাঁড়িয়েছে।"

রিজভী আরও বলেন, সরকারপ্রধান যখন বাংলাদেশে ভোটাধিকার হরণের পর উৎসব করছেন, তখন জাতিসংঘ মহাসচিবের বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিরোনাম ছিল বাংলাদেশে নির্বাচন অবশ্যই সঠিক ছিল না। বিবিসির হেড লাইন ছিল, গণতন্ত্র থেকে ছিটকে পড়েছে বাংলাদেশ। বৈধতা পেতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকার দেনদরবার করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, "জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া কোনো সরকার কখনোই টিকতে পারে না। ভয় দেখিয়েও বেশি দিন টেকা যায় না। ম্যাকিয়াভেলির নীতি অবলম্বন করে ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে।"

বেগম খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ ফেব্রুয়ারি

এদিকে, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। শুনানি শেষে নতুন দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। আজ (রোববার) পুরান ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েস নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে ১১ মামলার শুনানির জন্য আজ দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সেসব মামলা হাইকোর্টে স্থগিত থাকায় সময়ের আবেদন করে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা। আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ