ঢাকা, সোমবার 21 January 2019, ৮ মাঘ ১৪২৫, ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

দর্শনের  সমস্যা অথবা দার্শনিক সমস্যা 

আবু মহি মুসা : Problems of Philosophy or Philosophical Problesm ‘দর্শনের বিভিন্ন সমস্যা’ বিষয়টি  একটি বিতর্কের সৃষ্টি করে আসছে। যে যাই বলুক আমরা বলবো,  দর্শনের কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে আমাদের। আমরা বুঝতে পারি না। আমাদের জ্ঞানের সংকীর্ণতা। এই সংকীর্ণ জ্ঞান নিয়ে দার্শনিক  বিষয়গুলোকে  আলোচনার মধ্য দিয়ে দর্শনকে জটিল করে  ফেলা হয়েছে।  মূলত বিষয়গুলোকে বুঝতে গিয়ে দর্শন আমাদের কাছে জটিল আকার ধারণ করেছে। দার্শনিক বিষয়গুলো আমাদের চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আমরা বুঝতে পারি না, বলেই দর্শন আমাদের কাছে জটিল।

যেমন, দর্শনের উৎপত্তি সম্পর্কে  প্রাচীনকালের মনীষীরা মতবাদ দিয়েছে। তাদের সে মতবাদ  যথার্থ বলে মনে করি না। এ সম্পর্কে দার্শনিক জ্ঞান বা দর্শনের উৎপত্তি সম্পর্কে ইতোপূর্বে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। দর্শনের উৎপত্তির পরে দর্শন দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তার একটি ভাববাদ, অন্যটি বস্তুবাদ। তৃতীয় স্তরে দর্শন চারভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে- ভাববাদী জ্ঞান, বস্তুবাদী জ্ঞান, ধর্মীয় জ্ঞান এবং দার্শনিক সাধারণ জ্ঞান। পৃথিবীতে যতপ্রকার মতবাদ সৃষ্টি হোক না কেন, সব মতবাদই এর যে কোনো দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা সম্ভব। এই চারটি অভিমতের কারণে দর্শন আমাদের কাছে একটি সমস্যা। অথচ দর্শনের সমাধান রয়েছে এর মধ্যে। একটি বিষয় নিয়ে আমরা বিচার করবো। সেখানে দেখা গেছে,   বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে যে বিষয়টিকে ‘ ইতিবাচক’  বলা হয়েছে,  ভাববাদী দৃষ্টিকোণ থেকে সেটাকে ‘নেতিবাচক’ বলা হয়েছে। বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণের সিদ্ধান্ত ‘হ্যাঁ’ এবং ভাববাদী দৃষ্টিকোণের সিদ্ধান্ত ‘না’, পরস্পরবিরোধী হয়েও দুটোই যুক্তিযুক্ত। পরস্পরবিরোধী হয়েও যুক্তিযুক্ত হয় কি করে?  এখানে একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে। যেমন,  আমরা ‘সময়’কে নিয়ে বিচার করবো। ভাববাদী দৃষ্টিকোণ  থেকে বলা হয়েছে সময় বলতে কিছু নেই (সময় : সৃষ্টি থেকে ধ্বংস)। এটা আপেক্ষিক, কাল্পনিক। বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয়েছে, সময় সব কিছুর ধারক, বাহক, সময় সব কিছু সৃষ্টি করে, সময়ই সব কিছু ধ্বংস করে, অতএব সময় বলতে কিছু নেই, এটা গ্রহণযোগ্য নয়।  

আমরা সময়কে কিভাবে পেয়েছি? দুটো কারণে সময়ের সৃষ্টি। যেমন,  পৃথিবী ঘুরছে,  সূর্য আলো দিচ্ছে।  এর ফলে আমরা একটি রাত এবং একটি দিন পাচ্ছি। একটি রাত এবং একটি দিনকে আমরা যান্ত্রিক উপায়ে ২৪টি ভাগে ভাগ করেছি। এটাকে মিনিট করা হয়েছে, সেকেন্ড করা হয়েছে। আরো অনেক ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এটা হচ্ছে বস্তুজগতের ব্যাপার। পৃথিবীর ব্যাপার। পৃথিবী একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে, সেদিন সময় বলতে কিছু থাকবে না। কাজেই  সময় নেই এটা যেমন যুক্তিযুক্ত, তবে ভাববাদী দৃষ্টিকোণ থেকে।  তেমনি সময়কে অস্বীকার করা যাবে না, এটাও যুক্তিযুক্ত  তবে বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে। আমরা কোনটাকে গ্রহণ করবো?  দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যের কারণে অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সিদ্ধান্ত পরস্পরবিরোধী হয়ে থাকে। এটাকেই আমরা হয়তো বলবো, এটা দর্শনের একটি সমস্যা। তবে  এরকম বিষয়ের আলোচনা থেকে দর্শনের সমস্যার অনেক খানি সমাধান দেয়া সম্ভব হতে পারে বলে আমরা মনে করি। 

এর আর একটি সহজ উদাহরণ,  আমরা চারজন লোক।  কালো, সবুজ, হলুদ এবং লাল, চার রঙের সানগ্লাস পড়ে একটি সাদা বস্তুর দিকে তাকালাম। আমরা কিন্তু একই সাদা বস্তুটাকে একেক জনে একেক রকম দেখতে পাবো। অর্থাৎ বস্তুটাকে চারজন চার রঙের দেখতে পাবো। যিনি কালো রঙের সানগ্লাস পরেছেন, তিনি সাদা বস্তুটাকে কালো দেখবেন। যিনি সবুজ রঙের সানগ্লাস পরে আছেন, তিনি একই বস্তুকে সবুজ দেখবেন। এক অর্থে বলা  হয়েছে, প্রত্যেকের দেখাই  সঠিক। দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে  বলা হয়েছে, কারো দেখাই সঠিক নয়। কারণ বস্তুটির রঙ হচ্ছে সাদা। এটাই হচ্ছে পরম সত্য। পরম সত্যের রূপ হচ্ছে ভয়ংকর। এই ভয়ংকর রূপটাই কলার মোচার মতো বিভিন্ন আবরণে আবৃত করা থাকে। এক মনীষী এসে একটি আবরণ উন্মোচন করে বললেন, আমি যেটা বললাম, এর মধ্যে কল্যাণ আছে। এটা মেনে চলতে হবে। দীর্ঘ সময়ে পর অন্য এক মনীষী এসে আর একটি আবরণ উন্মোচন করে বললে ন যে,  এর আগে যে সব কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে তেমন কোনো কল্যাণ নেই। আমি যে কথা বলছি, এর মধ্যে অধিকতর কল্যাণ রয়েছে, কাজেই আমি যে কথা বললাম, এটা মেনে চলো। আমরা শুরুতেই ভূমিকায় বলেছিলাম, সময়ের সাথে সাথে জ্ঞানের উৎকর্ষ, জ্ঞানের উৎকর্ষের সাথে সাথে মতবাদের পরিবর্তন ঘটে। কাজেই প্রাচীন কালের মনীষীদের অধিকাংশ মতবাদই যুক্তিহীন ভিত্তিহীন। তবে একথা কখনোই বলা যাবে না, তাঁদের মতোবাদ গুরুত্বহীন।   

যাহোক দৃষ্টিভঙ্গির এই পার্থক্যের জন্য সমাজে আজ এত মতবিরোধ। এই মতবিরোধের কারণে দাম্পত্য জীবনে সংসার ভাঙছে, পরিবারের সদস্যরা  বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। রাজনৈতিক দলগুলো ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে পরিণত হচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতিতে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। বিশ্বরাজনীতিতে এই মতবিরোধই একদিন ডেকে আনবে  বৈজ্ঞানিক বিপর্যয়’ অর্থাৎ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। যে বিশ্বযুদ্ধে কি পরিমাণ ক্ষতি হবে, তার ব্যাখ্যা দিয়ে শেষ করা যাবে না। 

তবে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, এবং বিশ্ব রাজনীতির এ সমস্যাগুলোর সমাধান দার্শনিকরাই দিয়ে থাকেন। এখন কি বলা যাবে যে এটা দর্শনের সমস্যা?  সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তির। সমস্যা হচ্ছে বুঝতে না পারা । এই সমস্যা সমাধানের জন্য দার্শনিকদের প্রয়োজন। যার সমাধান শুধু তারাই দিতে পারেন। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক কেয়ার্ড বলেছেন, ‘মানব অভিজ্ঞতার এমন কোনো দিক নেই, সমগ্র বিশ্বসত্তার মধ্যে এমন কিছু নেই যা দর্শনের আওতার বাইরে পড়ে, অথবা যে দিকে দার্শনিক অনুসন্ধান প্রসারিত হয় না।’ 

দর্শন এমন একটি বিষয়, সৃষ্টি থেকে ধ্বংস, জীবন থেকে মৃত্যু এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে  দর্শনের স্থান নেই। যদি তাই হয়, তাহলে কেন দর্শনের সমস্যার কথা বলবো? বলতে হবে আমাদের চিন্তা চেতনার সংকীর্ণতার কথা। আমাদের ব্যর্থতার কথা। আমরা গাড়ী চালাতে পারি না, সমস্যাটি কি আমাদের না গাড়ীর? বলতেই হবে যে সমস্যাটা আমাদের। অধ্যাপক আর. জে. হার্স্টের মতে, দর্শনের সমস্যাগুলোর সূত্র তিনি নির্ধারণ করেছেন। সেই সূত্রগুলো এখানে তুলে ধরা হলো। সূত্রগুলো হচ্ছে, যেমন- বিষয়বস্তুর ব্যাপকতা, বিষয়বস্তুর মৌলিকত্ব,  বিষয়বস্তুর সার্বিকতা,   বিষয়বস্তুর যৌক্তিক অনুসন্ধান এবং  বিষয়বস্তুর ভাষার অর্থ। 

১. বিষয়বস্তুর ব্যাপকতা (large scope of subject matter) : শুধু মানবজীবনই নয়, বিশ্বের এমন কোনো দিক নেই যা দর্শনের বাইরে রয়েছে।  বিভিন্ন খ্যাতিমান লেখকদের লেখার মধ্যে বলা হয়েছে যে, ‘পক্ষান্তরে অন্যসব জ্ঞানের শাখাগুলোর আলোচনার পরিধি সীমিত। যেমন, রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, বাণিজ্যিক অনুষদ, ইতহাস, সাহিত্য, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ইত্যাদির সব কিছুই নিজ নিজ অলোচ্যক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু একমাত্র ‘দর্শন’ সীমাবদ্ধতার দেয়াল টপকিয়ে এসব বিষয়সমুহকে সুবিন্যস্তকরণের প্রচেষ্টা চালায়। এ কারণে জ্ঞানের সকল শাখা দার্শনিক বিশ্লেষণের অন্তর্ভুক্ত হয়।’ এজন্য বলা হয়, দর্শন সকল বিষয়ের প্রসূতি। দর্শন সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসবের সমালোচনামূলক ব্যাখ্যা দেয়। 

সামালোচনা : এ বিষয়ের সাথে আমাদের কিছুটা দ্বিমত আছে। বুদ্ধি জ্ঞানের একটি স্তর। এ জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে। দর্শন থেকে যে সকল শাখা বিস্তার করেছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ শাখা হচ্ছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের কোনো সীমবদ্ধতা নেই। বরং দর্শন বিজ্ঞানের জন্ম দিলেও বিজ্ঞান একদিন দর্শনকে ছাড়িয়ে যাবে। একশ বছর বিজ্ঞান যদি টিকে থাকে তাহলে বিজ্ঞান যে কি সৃষ্টি করবে, এটা কল্পনার বাইরে। তবে  অর্থনীতি,  বাণিজ্যিক অনুষদ, ইতহাস, এ সব বিষয়গুলোর একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।    

২. বিষয়বস্তুর মৌলিকত্ব (fundamental nature of subject matter): বিশ্বজগত দুই ভাগে বিভক্ত। একটি বস্তুজগত, অন্যটি ভাবগত। দুটো ক্ষেত্রেই দর্শনের ভূমিকা স্বীকার্য। কিন্তু কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে দর্শনের ভূমিকা রয়েছে এটা নির্ধারণের একটি ব্যাপার রয়েছে। মানবজীবনের সব সমস্যার সমাধান দার্শনিক জ্ঞান দিয়ে সম্ভব নয়। যেমন, গ্রামে, দাম্পত্য কলহ বা সমস্যা, এ সমস্যার সমাধান দার্শনিকরা দিতে পারেন না। এ সমস্যার সমাধান দিতে পারেন ‘জ্ঞানীরা’। (যারা অক্ষরজ্ঞানহীন, কিন্তু গ্রামে বিচার  শালিস করেন)। 

 

৩. বিষয়বস্তুর সার্বিকতা  (general nature of subject matter) :  বিষয়বস্তুর সার্বিকতা বলতে আমরা কি বুঝতে পারি?  কোনো বিষয়বস্তুর আলোচনার সমগ্র ক্ষেত্র? অনেক বিষয় আছে সেখানে দর্শনের কোনো ভূমিকা নেই। যেমন, চলতে গিয়ে পথিমধ্যে একটা মটর গাড়ি বিকল হয়ে গেছে, সেখানে দর্শনের কি ভূমিকা রয়েছে? এটা একটি সাধারণ বিষয়।  দর্শন সর্বক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান দিতে পারে না। তবে জীবন কিভাবে সুন্দর সুখী করা যায় এ পরামর্শ দর্শন দিতে পারে। কিভাবে মানবিক মুল্যবোধকে জাগ্রত করা যায়, এটাই দর্শনের আলোচনার বিষয়। ভাবের ক্ষেত্রে সর্ববিষয়ের সমস্যার সমাধান দর্শন দিয়ে থাকে। 

৪. বিষয়বস্তুর যৌক্তিক অনুসন্ধান (rational investigation of subject) : দার্শনিক বিষয়গুলোকে কোনো ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিচার বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। কারণ, বস্তুবাদী ধারণা কেবল বস্তুর গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ। এমন কি দার্শনিক ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা কখনো মাথা ঘামাতে চেষ্টাও করেন না। দর্শনের তাৎপর্যময় প্রকৃতিই আসলে সব ধরনের বিষয় থেকে দর্শনের বিভিন্ন বিষয় যৌক্তিক বিশ্লেষণের দাবি রাখে, তা না হলে এর গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে সন্দেহের সৃষ্টি হতে পারে। অন্য কোনো বিষয় যেমন, সমাজবিদ্যা, বিজ্ঞান অথবা ধর্মের বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে দর্শনের বিস্তৃতি ও সাধারণ অলোচ্যবিষয়কে পরখ করা সম্ভব হয় না। দর্শন মূখ্যত  যুক্তিনির্ভর পদ্ধতির সাহয্যে সমস্যার স্বরূপ নির্ধারণের চেষ্ট করে।  

৫. বিষয়বস্তুর ভাষার অর্থ (  denotation of language of subject matter): দর্শন একটি দুর্বোধ্য বিষয়। এই দুর্বোধ্যতা দর্শনের একটি সমস্যা। বর্তমান সময়ের দর্শনে মূল সমস্যা হচ্ছে, দর্শনে ব্যবহৃত ভাষা ও শব্দের অর্থের যথার্থতা বিশ্লেষণ করা। দর্শনের সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মত এবং পাল্টা মতের সৃষ্টি হয়েছে। এর কোনোটাই দর্শনকে প্রাঞ্জল ও নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং সকলই ভাষার গোলক ধাঁধাঁয় নিরর্থক আবর্তিত হয়েছে। কাজেই বর্তমানে দার্শনিক সমস্যা বলতে যা বোঝায় তা হচ্ছে ভাষার দুর্বোধ্যতা। ভাষা হচ্ছে চিন্তার বাহন। ভাষার অর্থ প্রকাশের শক্তি যদি সীমাবদ্ধ হয়, তাহলে যেকোনো মতের অভিব্যক্তি দুর্বল ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে এবং দার্শািনক সত্য সংশয়াত্মক হয়ে পড়ে। কাজেই দর্শন প্রাথমিকভাবে যে সমস্যার সম্মুখীন হয় তা হলো ভাষার শব্দ, ধারণা ও প্রত্যয়ের অর্থ সুস্পষ্ট করা। 

কাজেই দর্শনের  সমস্যা সম্পর্কিত বিশ্লেষণটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি দিক নিদর্শনা হতে পারে কারো কারো কাছে। এটি প্রত্যক্ষভাবে দর্শনের প্রকৃতি এবং এর আলোচনার পরিসর সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ  করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ জন্য দার্শনিক কান্ট এবং র্ব্ট্রাান্ড রাসেলের সাথে কন্ঠ মিলিয়ে অধ্যাপক হার্স্ট ও অন্যান্যরা বলেন যে, দর্শনের স্বরূপ বা বিষয়বস্তুকে নির্দিষ্ট করণের উদ্দেশ্যে দর্শনের মূল সমস্যাগুলো বৈশিষ্ট্যসমূহকে উদ্ঘাটন করাই এর যথার্থ পূর্বশর্ত বলে গণ্য  করা সমীচিন হবে।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ