ঢাকা, মঙ্গলবার 22 January 2019, ৯ মাঘ ১৪২৫, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ডিসেম্বর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [এগার]
২০ দলীয় জোট : ২ ডিসেম্বর দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় ২০ দলীয় জোটের নেতা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আলমগীর হোসেন এবং বিএনপি নেতা মামুনকে আটক করে পুলিশ। ৪ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- আশাশুনীর ভোলানাথপুর গ্রামের জামায়াত কর্মী অহিদুজ্জামান, ছাত্রদল সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাদশা, ইউনিয়ন জামায়াত  সেক্রেটারি মাওলানা জাকির হোসেন, আব্দুল আলিম ও সদরের ধুলিহর ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আশরাফুজ্জামান খোকনসহ ১০ জন। ৬ ডিসেম্বর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার থেকে ২০ দলীয় জোটের সমর্থক দুই ব্যবসায়ী আবু মুছা ও ইসরাফিল মোল্লাকে পুলিশ আটক করে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পুলিশ ২০ দলীয় জোটের বাসিতা বাজার থেকে হাজী আবুল কালাম ও চৌদ্দগ্রাম বাজারের আবুল হাশেমকে আটক করে। ১০ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৬০ নেতা-কর্মীকে আটক করে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের লুদিয়ারা গ্রামের সোহেল ও পারাগ্রামের মাহবুবুল হককে আটক করে। ১১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেন যে, পুলিশ বেছে বেছে ২০ দলীয় জোটের ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ১৩ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- তানোর উপজেলা জামায়াত আমীর সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা শিবির সভাপতি জুয়েল রানা, দূর্গাপুর উপজেলার বাজুখলসী গ্রামের শাহ আলম, গোপালপুরের শাহজাহান আলী, আলীয়াবাদ গ্রামের জিল্লুর রহমান, বাগমারা উপজেলার আব্দুল মান্নান ও শ্রীপুর গ্রামের বিএনপি কর্মী আকরাম হোসেন। 
১২ ডিসেম্বর সিলেটে গত ৩ দিনে ২০ দলীয় জোটের ৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। ১৪ ডিসেম্বর ফরিদপুর সদর ও মধুখালী থেকে পুলিশ ২০ দলীয় ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ১৫ ডিসেম্বর যশোরের চৌগাছা থেকে ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ, জামায়াত নেতা আহসান হাবিব, নারায়নপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতা তুহীনুর রহমান, জগদিশপুর ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি ডঃ মাহবুবুর রহমান, রঘুনাথপুর গ্রামের শাহাজ উদ্দিন, সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল খালেক ও বাকপাড়া গ্রামের মাওলানা আনোয়ার হোসেন। ১৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার তালা থেকে পুলিশ বিগত দুই দিনে ২০ দলীয় জোটের বিএনপির কেড়াগাছি ইউনিয়ন নেতা মুনসুর আলীসহ ১২৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াত নায়েবে আমীর মাওলানা জহুরুল ইসলামসহ ১০ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। রংপুরের মিঠাপুকুর পুলিশ ২০ দলীয় জোটের রতিয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী আলমগীর সুলতান, আলম, বৈরাতী গ্রামের ইউনুস, ময়েনপুর গ্রামের আশরাফুল, তেকানী মন্ডলপাড়ার রওশন, কৃষ্ণপুর গ্রামের বরিউল, ইমাদপুর গ্রামের ইকরামুল, সাঈদ মাসুদ, শঠিবাড়ী গ্রামের টুলু মিয়া, চিথলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের খোরশেদ ও ভাংনী গ্রামের ফাকরুলসহ ২০ দলীয় জোটের ১২ নেতা-কর্মীকে আটক করে। রাজবাড়ী সদর থেকে ২০ দলীয় জোটের ৪ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ১৮ ডিসেম্বর বরিশাল মহানগরী থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বরিশাল পূর্ব জেলা জামায়াত নেতা সাইফুর রহমান, কর্মী শাহ আলম জমাদ্দার, হুমায়ুন কবীর, মাহবুবুর রহমান, ফিরোজ আলম ও  মোজাম্মেল হকসহ ১৫ জন। মেহেরপুর সদর ও গাংনী পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ২৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। বরিশাল মহানগরী পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ২০ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আহসান কবীর হাসান, মহানগর জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন, যুবদল সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রতন, মন্টু খান, খালেদ হোসেন বাবর, শামসুল কবীর, ফরহাদ, সাজ্জাদ হোসেন, নাইমুল হাসান, আবুল খায়ের জলিল, মাসুদ হাওলাদার ও ছাত্রদল নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিনসহ ৩০ নেতা-কর্মী। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
২০ ডিসেম্বর মেহেরপুর পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ১৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ফেনীর ছাগলনাইয়া থেকে ২০ দলীয় জোটের ২ নেতাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মহামায়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বাশার সওদাগার ও ইউনিয়ন জামায়াত  সেক্রেটারি জহির উদ্দিন। পটুয়াখালী সদর থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বিএনপি দুমকি উপজেলা সভাপতি খলিলুর রহমান, জেলা কৃষক দল সাধারণ সম্পাদক শাহজান সিকদার, জামায়াত কর্মী নেছার উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা নূর ইসলাম, আউলিয়াপুর শ্রমিক দল নেতা মনিরুল ইসলাম সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহ জালাল সিকদার, ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ ও মির্জাগঞ্জের শামসুল হক। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৩ নেতাকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- বৈলতলী ইউনিয়ন এলডিপি সভাপতি এনামুল হক, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন এলডিপি নেতা ফরিদুল ইসলাম ও বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম।
২২ ডিসেম্বর বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম মোল্লা, কলসকাঠি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, নলুয়া ইউনিয়ন সভাপতি ফোরকান চৌধূরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মনির হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল কালাম বাবুলকে পুলিশ আটক করে।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে হাসাদহ ইউনিয়ন জামায়াত নেতা সিরাজুল ইসলাম ও তার ছেলেসহ বিএনপি-জামায়াতের ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। সাতক্ষীরা পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের ৭৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
২৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর পবা উপজেলা বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন, জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন ও সাজ্জাদুল হককে আটক করে পুলিশ। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ২০ দলীয় জোটের কর্মী নিজপাড়া গ্রামের আল-মামুন সরকার, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের ছাবেদ আলী ও শুকুর আলীকে পুলিশ আটক করে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৩১ নেতা-কর্মীকে আটক করে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের মাগুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী, ওই ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি মাওলানা মজিবুর রহমান, নিতাই ইউনিয়ন যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাবু ও বিএনপি কর্মী জাভেদ আলীকে আটক করে। ঝিনাইদাহের কোটচাঁদপুর থেকে ২০ দলীয় জোটের ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- পৌর কৃষক দল সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান স্বপন, জামায়াত নেতা মাওলানা আয়নাল হোসেন, নাসিমা খাতুন, নূর জাহান বেগম, দেলোয়ার হোসেন ও কোরবান আলীসহ ৭ জন। 
২৪ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম পুলিশ ২০ দলীয় জোটের উলিপুর থেকে থেতরাই ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি নজির হোসেন ও নাগেশ্বরী উপজেলা যুবদল নেতা জহুরুল হক কামাল, রৌমারী উপজেলা জামায়াত বায়তুলমাল সম্পাদক মোকছেদ আলী ও রৌমারীর ৪নং ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আবুল হোসেনসহ ১২ জন, এর আগে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন ও যুবদল নেতা ব্রাইটকে আটক করে। সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন ষÍান থেকে ২০ দলীয় জোটের ৮৬ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ২০ দলীয়জোটের ৮ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- শান্তিরাম গ্রামের জুয়েল মিয়া, ফিজু রহমান, সুলতানা পারভীন, দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামের মশিউর রহমান, বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের শহীদুল ইসলাম, শামসুল হক, তালুক বেলকা গ্রামের ইউনুছ আলী ও কঞ্চিবাড়ী গ্রামের আবু তালেব হোসেন। রংপুর পীরগাছা থেকে ২০ দলীয় জোটের ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
২৫ ডিসেম্বর বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিমের বাড়ী থেকে তিনি নিজেসহ ২০ দলীয় জোটের ১০০ নেতা-কর্মীক আটক করে পুলিশ। পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে ২০ দলীয়জোটের ৩ নেতাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- কলাপাড়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর হাবিবুর রহমান, পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জসীম উদ্দিন বাবুল ও মহিপুর থানার বালিয়াগাতীর মহসীন। নীলফামারী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ দলীয় জোটের ১৭ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। আটককৃতরা হলো- সদরের হাবালীপাড়ার শিবির কর্মী হারুন-অর-রশীদ, সাইয়েদ আলী, জামায়াত কর্মী আজাদ, ওয়ালিউর রহমান, জলঢাকার ধর্মপাল ইউনিয়ন জামায়াত নেতা মোশাররফ হোসেন, কর্মী জিয়া উদ্দিন, বুলু, মজিবুর রহমান, সুজা, আব্দুল কাইউম, আমিনুর রহমান, গোলনার ইউনিয়নের মাহবুবুল হক, গোলাম রব্বানী, ফরমান আলী, ডোমারের ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের চিলাহাটি বটতলা গ্রামের বিএনপি কর্মী আমিনুল ইসলাম, চান্দিয়াপাড়ার সাইদুর রহমান ও গোমনাতি ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়ী গ্রামের জাহিদুল ইসলাম। পটুয়াখালী গলাচিপা থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- জিয়ার রহমান, হাসান, বিএনপি কর্মী আবুল কাশেম, ডালিম গাজী, বাচ্চু মিয়া, নেছার উদ্দিন, কালাম হাওলাদার, খোকন খান ও জয়নাল মৃধা। ঝিনাইদাহের কোটচাঁদপুর থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- পৌর কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর, আবু সাঈদ, মহিউদ্দিন, নাজমা খাতুন, শেফালী বেগম, আব্দুস সালাম, আদল, আসাদ, শামীম, দরূদ আলী, মোতালেব, খোকন, সাদেক আলী, রুহুল আমীন ও মিজানুর রহমান।
বরিশালের আগৈলঝাড়া থেকে পুলিশ ২০ দলীয় জোটের ৪ নেতা-কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- উপজেলা যুবদল সভাপতি আলী হোসেন ভূঁইয়া স্বপন, বিএনপি নেতা কার্তিক ব্যাপারী, সেলিম সরদার ও জামায়াত কর্মী মামুন আকন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ