ঢাকা, মঙ্গলবার 22 January 2019, ৯ মাঘ ১৪২৫, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নানা সমস্যা জর্জরিত বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা : নানা সমস্যায় জর্জরিত নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে চিবিৎসা সেবা বলতে কিছু নেই। ডাক্তার আসেন নিজের ইচ্ছে মত। চলে যানও নিজের খেয়াল খুশি মত । অফিসে আসা যাওয়ার সময় সূচি না মানায় ভেঙ্গে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। এ ছাড়াও রোগীদের খাবার পরিবেশনও নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। এমন অভিযোগের কথা জানিয়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা ভূক্তভোগী রোগীসহ তাদের স্বজনরা। 

 বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ ও ২০১৮ অর্থ বছরে নবীগঞ্জ এলাকার আকিল উদ্দিন টেন্ডারের মাধ্যমে রোগীদের খাবার সরবারাহের দায়িত্বপান। আকিল মিয়া খাবার সরবারাহের দায়িত্ব পেয়ে অসহায় রোগীদের নিম্নমানের খাবার পরিবশেন করে প্রতি বছর হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। 

এ ব্যাপারে চিকিৎসা নিতে আসা নবীগঞ্জ এলাকার আম্বিয়া নামে এক রোগী এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছে, খাবার সরবরাহকারী আকিল মিয়া টাকা বাঁচানোর জন্য হাসপাতালের সুইপার সখিনাকে দিয়ে রোগীদের খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব দিয়েছে। সুইপার সখিনা রান্না কাজ  থেকে শুরু প্রতি ওয়ার্ডে সে নিজেই রোগীদের খাবার পরিবেশন করে থাকে। আমরা নিয়মিত হাসপাতালে ডাক্তার পাচ্ছি না।  ডাক্তাররা আসা যাওয়া করে নিজের ইচ্ছা মত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২০১৭ ও ১৮ ইং সালে অর্থ বছরে মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ভাই আকিল মিয়া হাসপাতালের খাবার সরবারহের দায়িত্ব পায়। তিনি খাবার সরবরাহের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে নিম্নমানের খাবার দিয়ে রোগীদের সাথে দুর্নীতী করে যাচ্ছেন।  এ ছাড়াও প্রতিদিন  সকালে ১ জন রোগীকে ১ পিছ ছোট কলা, ৩ পিছ রুটি ও ১টি ডিম দিয়ে থাকে। সে সাথে দুপুরে প্রতি রোগীকে ১ বাটি ভাত, ১টি পাঙ্গাস মাছ টুকরা দিয়ে থাকে। এবং সাপ্তাহে ২ দিন দুপুর বেলায় ১ পিছ মুরগী মাংস দিয়ে থাকে। চালসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিম্ন মানের হওয়ার কারনে অনেক রোগী এগুলো  খেতে পারছে না বলে আরো জানায়।  এ ব্যাপরে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনচার্জ ডাঃ কাদির এর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ডাক্তারদের কোনো অবহেলা পাওয়া গেলে আমি তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি আমি গুরুত্বসহকারে দেখছি। তিনি আরো বলেন, আমাদের হাসপাতারে নিজেস্ব কুক রয়েছে। গত শনিবার আমি ওয়ার্ডে সকর রোগীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের কোন সমস্যা নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ