ঢাকা, বুধবার 23 January 2019, ১০ মাঘ ১৪২৫, ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কুমিল্লায় গোমতীর চরে মুলার বাম্পার ফলন

এই মওসুমে কুমিল্লার গোমতীর চরে এবার শীতকালীন সবজি মুলা চাষে ব্যাপক ফলন পেয়েছেন কৃষকরা

রেজাউল করিম রাসেল (কুমিল্লা) অফিস: চলতি মওসুমে কুমিল্লার গোমতীর চরে এবার শীতকালীন সবজি মুলা চাষে ব্যাপক ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। নির্ধারিত সময়ে অধিক ফলনের কারণে দামের দিক থেকেও লাভবান হচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষক। পাইকাররা ক্ষেত থেকেই রীতিমত মুলা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। উন্নত বীজ, পরিমিত সার ব্যবহার ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় গোমতীর চরে মুলার এ বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়াও কপি, টমেটো, শালগমসহ অন্যান্য শীতকালীন সবজির ফলনও বাম্পার হয়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে অন্যান্য এসব সবজি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।
কৃষক দেলু মিয়া দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত কুমিল্লার  গোমতীর চরে সবজি চাষ করে আসছেন। বরাবরের মতো এবারও  তিনি ২৮ গন্ডা জমিতে করেন মুলা ও ফুলকপির আবাদ। পেয়েছেন বাম্পার ফলন। ক্ষেত থেকেই পাইকাররা এসে মুলা নিয়ে যাচ্ছেন। পাচ্ছেন ভালো অর্থনৈতিক মুনাফাও। শুধু দেলু মিয়াই নন, শীতকালীন সবজির ফলনে অন্যান্য কৃষকদের মুখেও হাসি ফুটেছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এখানে মুলার বাম্পার ফলন হয়। মুলার আকার ও গঠন হয় উন্নত। তাই বাজারে দামও তুলনামূলক বেশি।
কৃষকরা জানালেন কুমিল্লা  গোমতী নদীর চরে মুলার পাশাপাশি এখানে অন্যান্য সবজীর চাষও হয়। তবে কৃষকরা জানায় প্রতি বিঘা মুলা উৎপাদনে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর পাইকারি বাজারে তা বিক্রি হয় প্রায় ৬৫ হাজার টাকা। তাই অধিকাংশ কৃষক অধিক মুনাফার প্রত্যাশায় ঝুঁকছেন মুলা চাষের প্রতি।
কুমিল্লা  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ পরিচালক দীলিপ কুমার অধিকারী জানান, গোমতী চরের উন্নত অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শে অধিক ফলনশীল বীজ ও পরিমিত সার ও কিটনাশক ব্যবহারেই এখানে মুলার বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। এর ফলে এখানে মুলা চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে থাকেন চাষীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ