ঢাকা, সোমবার 28 January 2019, ১৫ মাঘ ১৪২৫, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং-এর ছত্রিশ বছরের অগ্রযাত্রায় সৃষ্ট সমস্যা এবং উত্তরণের উপায়

-এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম প্রধান, এমএম (ডাবল হাদীস, তাফসীর), বিএসএস (সম্মান) এমএসএস (রাষ্ট্র বিজ্ঞান), এলএলবি
[দুই]
International Association of Islamic Banks তাদের সংজ্ঞায় বলেছে : The Islamic Bank basically implements a new banking concept, in that it adheres strictly to the ruling of the Islamic Shariah in the fields of finance and other dealings. Moreover, the bank which is functioning in this way must reflect Islamic principles in real life. The bank should work towards  the establishment of an Islamic Society; hence, one of the primary goals is the deepening of the religious sprit among the people. অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংক মূলত একটি নতুন ব্যাংকিং  ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেয়, যাতে তা ফাইন্যান্স এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়ার বিধিবিধান কঠোরভাবে মেনে চলে। অধিকন্তু, ইসলামী ব্যাংক এভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে বাস্তব জীবনে ইসলামী বিধিবিধানকে অবশ্যই প্রতিবিম্বিত করবে। ব্যাংক একটি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ করার লক্ষ্যে কাজ করা উচিত এবং সে জন্য এর অন্যতম প্রাথমিক লক্ষ্য হলো জনগণের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা গভীরভাবে প্রোথিত করা।’
ডক্টর শাওকী ইসমাঈল সাহতা ইসলামী ব্যংকিং সম্পর্কে বলেন :
It is therefore,....... imperative for an Islami bank to incorporate in its function and practices commercial investment and social activities, as an institution designed to promote the civilized mission of an Islamic economy.
অর্থাৎ ‘‘ কাজেই ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম ও প্রয়োগ রীতিতে বাণিজ্যিক বিনিয়োগ এবং সামাজিক কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন অত্যন্ত জরুরী, যেন এটি (ইসলামী ব্যাংক) ইসলামী অর্থনীতির সুশীল লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি প্রতিষ্ঠান রূপে কাজ করতে পারে।’’
ডক্টর জিয়াউদ্দিন আহমদ -এর মতে Islamic banking is essentially a normative concept and could be defind as conduct of banking in consonance with the ethos of the value of Islam.’
অর্থাৎ ‘‘ ইসলামী ব্যাংকিং হলো একটি নীতিগত ধারণা এবং এটিকে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংকিং হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়।’’ উপরের সংজ্ঞাসমূহ থেকে এটা স্পষ্ট যে, ইসলামী ব্যাংকিং আর্থিক মধ্যস্থতার এমন একটি পদ্ধতি যা তার লেনদেনে সুদ গ্রহণ ও প্রদান করে না এবং এর কার্যাবলী এমনভাবে পরিচালিত করে যাতে ইসলামী অর্থনীতির উদ্দেশ্য অর্জন সম্ভব হয়। এটি এমন এক ব্যাংকিং পদ্ধতি যা লেনদেনের ক্ষেত্রে ইসলামী নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং এই লেনদেনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো লাভ- লোকসানে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা এবং  অর্থনীতি ন্যায়বিচার নিশ্চত করা।
উল্লেখিত সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষণে আমরা যেটা দেখতে পাই যে, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার মূলনীতি এবং কর্মপদ্ধতির সকল পর্যায়ে ইসলামী শরীয়তের নীতিমালা মেনে চলা এবং সকল কার্যক্রমে সুদের যাবতীয় কারণ সৃষ্টিকে বিলুপ্ত করা এবং লেনদেনকে সম্পূর্ণরূপে সুদমুক্ত করার নামই হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকিং। সেই সাথে ইসলামী ব্যাংকিং-এর বিষয়ে International Association of Islamic Banks এর সংজ্ঞায় যেটা বলা হয়েছে তাতে দেখা যায় যে, ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে ঐ ব্যাংকের মালিক পরিচালক এবং ব্যাংকের সকল পর্যায়ে কর্মচারী-কর্মকর্তা বাস্তব জীবনে ইসলামী বিধি বিধানকে অবশ্যই প্রতিবিম্বিত করবে অর্থাৎ মেনে চলবে।
ইসলামী ব্যাংকিং এর একটি লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক কাজ করে যাবে। সে জন্য ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে যে, যে রাষ্ট্রে বা এলাকায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হবে সেই রাষ্ট্র বা এলাকার জনগণের মধ্যে ইসলামী শরীয়তের প্রতি বিশ্বাস এবং চেতনা গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ব্যাংকিং-এর সাথে কাজ করে যাবে। বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংক ১৯৮৩ সালের ৩০ শে মার্চ কার্যক্রম শুরু করে। তার পর উল্লেখিত সংজ্ঞা অনুযায়ী ইসলামী ব্যাংকের কর্মচারী কর্মকর্তাগণ বাস্তব জীবনে ইসলামের বিধি বিধান পালন করে গ্রাহক তথা জাতির সামনে একটি আদর্শ স্থাপন করতে সক্ষম হয়। ১৯৮৩ সালের ১২ আগস্ট মতিঝিলের উন্মুক্ত রাস্তায় নির্মিত খোলা প্যান্ডেলে উদ্বোধনী তারিখের অনেক বিলম্বে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর প্রকাশ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়।  সামাজিকভাবে ইসলামী অর্থনীতির প্রতি মানুষের আগ্রহ সৃষ্টির বিষয়ে সাড়া দেশে সেমিনার সিম্পোজিয়াম এবং আলোচনা অনুষ্ঠানে যেমন ইফতার মাহফিল, ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠান, নতুন শাখা  উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং অর্থনীতি সাপেক্ষে গণসচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়। বর্তমানে ঐ ধরনের গণসচেতনতা সৃষ্টির প্রগ্রামসমূহ বা প্রয়াস অনেকটা কমে গেছে বলে মনে হয়। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা পেশাদার ব্যাংকিং এর দিকে বেশি নজর দিয়েছেন এবং ব্যাংকের সামাজিক কার্যক্রম থেকে তারা অনেকটা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। এতে দেশের জনগণের প্রত্যাশার মাঝে কিছুটা হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিট সিস্টেম : বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে ১৬ ধরনের ডিপোজিট পদ্ধতি চালু হয়েছে। যথা ১। আল ওয়াদিয়া অর্থাৎ চলতি হিসাব নম্বরে জমা, ২। মুরাবাহ সেভিংস হিসাব নম্বরে জমা, ৩। মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট স্কীম মেয়াদ ১, ৩, ৬, ১২, ২৪ ও ৩৬ মাস, ৪। মুদারাবা বিশেষ নোটিশ স্কীম, ৫। মুদারাবা হজ্জ সঞ্চয় স্কীম মেয়াদ ১-২৫ বছর, ৬। মুদারাবা বিশেষ পেনশন সঞ্চয় স্কীম মেয়াদ ৫-১০ বছর, ৭। মুদারাবা সেভিংস ব- স্কীম মেয়াদ ৫ ও ৮ বছর, ৮। মুদারাবা মালিক লভ্যাংশ প্রাপ্তী স্কীম মেয়াদ ৩, ৫ বছর, ৯। মুদারাবা মোহরানা পরিশোধ স্কীম মেয়াদ ৫ ও ১০ বছর, ১০। মুদারাবা ওয়াকফ ক্যাশ ডিপোজিট স্কীম (এককালীন জনকল্যাণের জন্য ডিপোজিট, ১১। মুদারাবা বৈদেশিক মুদ্রা ডিপোজিট স্কীম, ১২। মুদারাবা এনআরবি সেভিংস বন্ড, মেয়াদ ৫ এবং ১০ বছর, ১৩। স্টুডেন্ট মুদারাবা সেভিংস স্কীম, ১৪। মুদারাবা ফার্মাস সেভিংস স্কীম, ১৫। মুদারাবা উপহার সেভিংস স্কীম, ১৬। মুদারাবা ইন্ডাষ্ট্রি এমপয়োজি সেভিংস স্কীম তন্মধ্যে মুদারাবাহ ওয়াকফ ক্যাশ ডিপোজিট স্কীম, মুদারাবা হজ্জ সঞ্চয় স্কীম, মুদারাবা মোহরানা পরিশোধ স্কীম সমূহ ইসলামী বিধান প্রতিপালনের লক্ষ্যে এবং জনকল্যাণ মূলক সাদকায়ে জারিয়া স্কীম হিসাবে বিবেচিত।
ইসলামী ব্যাংকের ইনভেস্টমেন্ট বা বিনিয়োগ পদ্ধতি : বাংলাদেশের  ইসলামী ব্যাংক সমূহের পাইওনিয়ার বা পথিকৃত ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ২৯ ধরনের বিনিয়োগ কার্যক্রম চালু করে বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং সুবিধা বা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।  যেমন ১। বাই মুরাবাহা, ২। বাই মুয়াজ্জাল, ৩। হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিলক্, ৪। মুদারাবা, ৫। মুশারাকা, ৬। বাইয়ে সারফ, ৮। হাউস হোল্ড ডিওরেবল স্কীম (গৃহ সামগ্রী সরবরাহ প্রকল্প), ৯। হাউজিং ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১০। হাউজিং ইনভেষ্টমেন্ট প্রগ্রাম, ১১। ট্রান্সপোর্ট ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১২। কার ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১৩। ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম ফর ডক্টরস, ১৪। স্মল বিসনেস স্কীম, ১৫। এগ্রিকালচারাল ইম্পিমেন্ট ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১৬। রুরাল ডেভলোপমেন্ট স্কীম, ১৭। রুরাল হাউজিং ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১৮।  মাইক্রো ই-াষ্ট্রিজ ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ১৯। এস.এমই ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২০। এসইমই ওমেন ইনট্রিপ্রিমিয়াম ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২১। এনআরবি ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২২। আরবান পুওর ডেভেলপমেন্ট স্কীম, ২৩। সোলার প্যানেল ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২৪। ফুড গার্ডেনিং ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২৫। ফ্রিল্যান্সার ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২৬। ওয়ার্ক অর্ডার ফাইন্যান্স স্কীম, ২৭। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২৮। রুরাল ট্রান্সপোর্র্ট ইনভেষ্টমেন্ট স্কীম, ২৯। ক্লাষ্টার ইনভেস্টমেন্ট স্কীম।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর যাত্রাপথে সহযাত্রী হওয়া আরও কতিপয় ইসলামী ব্যাংক : ১৯৮৩ ইং সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড অগ্রযাত্রা শুরু করে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ঈর্ষণীয় সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে সহযাত্রী হয়েছে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, এস.আই.বি এল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশে সুদ ভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিচালিত কিছু ব্যাংক তাদের কোন কোন শাখায় শরীয়াহ ভিত্তিক পৃথক উইন-ো চালু করেছে। বাংলাদেশের ৯টি সুদ ভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংকের পৃথক ইসলামী ব্যাংকিং পদ্ধতির শাখা রয়েছে। যেমন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, শাখার সংখ্যা ০৫, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড শাখা সংখ্যা ০২, সাউথ ইষ্ট ব্যাংক লিমিটেড শাখা সংখ্যা ০৫, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, শাখা সংখ্যা ০২, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড শাখা সংখ্যা ০২, আরব বাংলাদেশ লিমিটেড, শাখা সংখ্যা ০১, এইচএসবিসি ব্যাংক লিমিটেড শাখা সংখ্যা ০১, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার ব্যাংক লিমিটেড শাখা সংখ্যা ০১। এছাড়াও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর ০৫ টি অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড এ ০৫ টি, পুবালী ব্যাংক লিমিটেড এ ০২ টি, স্ট্যার্-ার্ড ব্যাংক লিমিটেড এ ০২টি, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড এ ০৪ টি, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এ ০৫ টি ইসলামী ব্যাংকিং উইনডো চালু আছে। যার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং পদ্ধরি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
বিগত ডিসেম্বর ২০১৭ ইং পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর শাখা সংখ্যা ৩৩২ এ উন্নীত হয়েছে। যার মধ্যে বৈদেশিক আমদানী রপ্তানীর সাথে যুক্ত রয়েছে ৫৮ টি শাখা। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ডিপোজিটের পরিমাণ ৭,২০,০৬১ মিলিয়ন টাকা এবং বিনিয়োগের পরিমান ৬,৮৭,৬৫২ মিলিয়ন টাকা। ব্যাংকের নিজস্ব পরিচালনায় এটিএম বুথ সংখ্যা ৫৪৯, সার্ভিস সেন্টার ৪৬, পাবলিক শেয়ারে পরিচালিত এটিএম বুথ সংখ্যা ৭,০০০। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এ ২০১৮ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত  ১৪,০০০ (চৌদ্দ হাজার) কর্মকর্তা, কর্মচারী কর্মরত ছিল।
ইসলামী ব্যাংকিং এর অগ্রগতির ধারা : বর্তমান নিবন্ধে বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং এর পথিকৃত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখা হলো। কারণ অন্যান্য ইসলামী ব্যাংকগুলোর অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা করা হলে এই নিবন্ধের কলেবর বৃদ্ধি পাবে। মাত্র ৩৬ বছরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের ব্যাংকিং জগতে ব্যবসা, বাণিজ্য আমদানী, রপ্তানী, নির্মাণ, শিল্পায়ন এবং রেমিটেন্স সংগ্রহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে একটি বিরাট স্থান দখল করতে সমর্থ হয়েছে। এ অগ্রগতির ধারা ক্ষুন্ন না হয়ে আরও বেগবান হবে এটাই বাংলাদেশের সকল ধর্ম প্রাণ ও বিবেকবান দেশপ্রেমিক মানুষের প্রত্যাশা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ