ঢাকা, মঙ্গলবার 05 February 2019, ২৩ মাঘ ১৪২৫, ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মায়েদের পাশে সর্বদা ‘মাতৃবন্ধু’ এএইচএম নোমান

রহিমা আক্তার মৌ : নিজ এলাকার প্রতি টানটা সবার বেশি। আমি নিজেই বলি, 'আমার টানটা একটু বেশিই।' আমি নোয়াখালীর মেয়ে শুনে কেউ প্রশ্ন করার আগেই বলি, 'আমি অর্জিনাল নোয়াখালীর, আশপাশ ভেবে ভুল করবেন না।' আমার গ্রাম, আমার শৈশব আমার কৈশোর নোয়াখালী চাটখিলে। অহংকার বোধ করি নোয়াখালীর মেয়ে ভেবে। সেই নোয়াখালীর এমন এক কৃতী ব্যক্তির কথা জানার পর শুনার পর নিজেকে আরো ভাগ্যবতী মনে হলো।
‘মাটি, মানুষ, মালিকানা’ এবং ‘ধ্বংস থেকে সৃষ্টি’ এই দুটি শ্লোগানকে ধারণ করে যিনি জীবনের দীর্ঘসময় অবিচল থেকেছেন। দরিদ্র মা’দের নিয়ে কাজ করে ইতোমধ্যে পেয়েছেন ‘মাতৃবন্ধু’ খেতাব। মাতৃত্বকালীন ভাতার দাবি প্রতিষ্ঠায় যিনি অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসাবে আজ পরিতৃৃপ্ত, যার মানবহিতৈষী কর্মকান্ড দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মন্ডলেও স্বীকৃত, সে মানুষটির নাম এএইচএম নোমান।
১৯৪৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভোলার দৌলতখান এর তালুকদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এএইচএম নোমান। লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলা সদর আলেকজান্ডারস্থ শিক্ষা গ্রামে তাঁর বাড়ী। বাবা ছিলেন বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও চিকিৎসক আলহাজ্জ্ব ডা: মফিজুর রহমান, মা এর নাম শামছুননাহার। ৫ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। নদী ভাঙনের কারণে এবং পড়ালেখার সুবিধার জন্য তিনি তাঁর পিতার কর্মস্থল নোয়াখালী জেলার রামগতি থানায় বেড়ে ওঠেন। জনাব নোমান ছাত্র থাকা অবস্থায়ই নিজেকে সেবামূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। ক্ষুদ্রঋণ উদ্ভাবনে তিনি অন্যতম সংগঠক। সমবায় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বগ্রাম-গুচ্ছগ্রাম কনসেপ্টে বাংলাদেশ-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সংগঠক তিনি। ১৯৬৪-৬৬ সালে জগন্নাথ কলেজে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এসআর হল শাখার সভাপতি এবং ঢাকা শহর ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৬৬ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে বি.কম পাশ করেন। ১৯৭০ সালে 'এ কাশেম এন্ড কোম্পানী' থেকে সিএ কোর্স সমাপ্ত করেন। সিএ পড়া অবস্থায় এএইচএম নোমান ১৯৭০ এর ১২ নভেম্বর ভয়াল জলোচ্ছ্বাসে ১০ লাখ লোকের প্রাণহানীতে ‘ধ্বংস থেকে সৃষ্টি‘র শ্লোগান নিয়ে রামগতি তথা বৃহত্তর নোয়াখালীতে ত্রাণ, পুনর্বাসন, পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও মানবাধিকার কাজে তখন থেকে অদ্যাবধি নিয়োজিত আছেন। ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুত্থানকালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান চাটার্ড একাউন্টেন্টন্স স্টুডেন্টস একশন কমিটির আহবায়ক ছিলেন। এএইচএম নোমান ২০০৯ সালে জেলা সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক লক্ষীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সমাজকর্মী নির্বাচিত হন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। সন্তানদের সবাই উচ্চশিক্ষিত। ডাক্তার রাজিয়া বেগম তার সহধর্মিণী। একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান নেদারল্যান্ডে পরিবেশ বিজ্ঞানে মাস্টার্স করে বর্তমানে গবেষণায় রত। দুই মেয়ে জাফরিন হাসান বাণিজ্যে মাষ্টার্স করে স্বামী-সংসার নিয়ে আছেন আর জেরিন হাসান ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ পড়াশোনা করছেন।
২০০৫ সালে বিশ্ব মা দিবস উদযাপনকালে জনাব নোমান নিজের পরিচালিত বেসরকারি সংস্থা ‘ডরপ’ এর মাধ্যমে মাত্র ১০০ জন অতিদরিদ্র মাকে চিহ্নিত করে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদানের ঘোষণা দেন।
মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত মায়েদের কেন্দ্র করে জনাব নোমান দারিদ্র্যমোচনে শুরু করেছেন ‘স্বপ্ন’ প্যাকেজ নামে আরেকটি সমন্বিত কর্মসূচী। সোশ্যাল অ্যাসিসট্যান্স প্রোগ্রাম ফর নন অ্যাসেটার্স-‘স্বপ্ন’ প্যাকেজটি মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত মা-বাবা-শিশুকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রম। তাঁর স্বপ্ন প্যাকেজে রয়েছে ১. স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্ড, ২. শিক্ষা ও বিনোদন কার্ড, ৩. স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনসহ একটি ঘর, ৪. জীবিকায়ন সরঞ্জাম, ৫. সঞ্চয়, বনায়ন ও প্রয়োজনে উন্নয়ন ঋণ।
জনাব নোমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশের দরিদ্র মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কার্যক্রম চালু করে। শুরুতেই দেশের ৩ হাজার ইউনিয়নে ৪৫ হাজার মাকে এই ভাতাদান করা হলেও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকার সারা দেশে মাসে ৮০০/- টাকা করে বছরে প্রায় ৭ লক্ষ মাকে এই ভাতা প্রদান করছে। মায়ের গর্ভে বাচ্চা আসা থেকে শুরু করে বুকের দুধ খাওয়া পর্যন্ত ৩৬ মাস পরিকল্পিত পরিবার গঠনে মা শুধু এই ভাতা পাচ্ছে। এতে বাল্যবিবাহ, তালাক ও যৌতুক রোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জন্ম নিবন্ধন উৎসাহিত হচ্ছে। সরকারের
মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এই ভাতাদান প্রদান করছে।
‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ নিয়ে জনাব নোমান বলেন, 'জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কার্যক্রম প্রশংসা কুড়াচ্ছে। কুমিল্লা অ্যাকাডেমি, বগুড়া অ্যাকাডেমি, পিপিআরসি, বিআইএডিএস, কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এটার মূল্যায়ন/ স্টাডি করেছে। তারা দেখেছে এটা দারিদ্র্য বিমোচনে বিশাল একটা পথ ও পন্থা তৈরি করে দিয়েছে। আমরা এর ব্যাপ্তি সম্প্রসারণে কাজ করছি। সরকারের কাছে আবেদন করেছি, এক লাখ মাকে নিয়ে কাজ শুরুর। এক মা এক লাখ টাকা, এটা অনেক কম খরচে করা যাচ্ছে এবং সবকিছু তদারকিরও দরকার নেই। যেমন মায়েরাই শিশুর যতœ নেবে। এরই মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কার্ড হয়ে গেছে। এই স্বাস্থ্যকার্ড দিলে আপনি চিকিৎসা পাবেন। তবে এটা বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা সেটা সংলাপের ব্যাপার। অবশ্য অধিকার আদায় করে নেয়ার ব্যাপারটা যখন শুরু হয়ে যাবে তখন রাজনৈতিক দলের ওপর দায়িত্ব এসে যাবে। এই ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ তথা স্বাস্থ্য কার্ড দিলে দেখা যাচ্ছে দুটি বাচ্চার বেশি এখন কেউ নিচ্ছে না। তাহলে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্টের এই ধরনের কাজও লাগবে না আর।'
জনাব নোমান ছাত্রজীবনে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকলেও কর্মজীবনে মাঠ পর্যায়ের মানুষের সেবায় ডুবে যান এবং এখানেই খুঁজে ফেরেন জীবনের আস্বাদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ইমাম প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় 'স্বনির্ভর আন্দোলন' এবং দেশের উন্নয়ন ও মানবাধিকার অভিজ্ঞতা প্রসূত লেখা 'সামগ্রিকতার জন্য কিছু বিক্ষিপ্ত কথা', 'সময়ের মানচিত্র', 'দিন বদলের স্বপ্ন' এবং 'ধ্বংস থেকে সৃষ্টি' বইগুলোর রচয়িতা এএইচএম নোমান। ১৯৮০-৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক 'আমার দেশ' পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। এএইচএম নোমান বাংলাদেশের এনজিও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র-ডরপ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারি জেনারেল। দারিদ্র্য বিমোচন ও মানবহিতৈষী কাজে অবদান রাখার জন্য ফিলিপাইন ভিত্তিক ‘গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার- ২০১৩’ লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি যিনি এই সম্মানজনক এওয়ার্ড অর্জন করেন। এছাড়া এএইচএম নোমান প্রবর্তিত ‘স্বাস্থ্যগ্রাম’ কার্যক্রমের উদ্ভাবনীমূলক দিক ও ফলপ্রসু বাস্তবায়নের জন্য ডর্প ‘জাতিসংঘের পানি বিষয়ক পুরস্কার ২০১৩’ ও ‘সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ইউনিভাসির্টি থেকে চ্যান্সেলর এওয়ার্ড ২০০৬’ লাভ করেন। স্বপ্ন প্যাকেজ কর্মসূচির স্বপ্নদ্রষ্টা জনাব নোমান বলেন, ‘দিন বদলের সনদ-স্লোগান, সরকারের কাছে নতুন প্রজন্মের নাগরিকদের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন অনেক। এই ‘স্বপ্ন’ বাস্তবায়নে মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত গরিব মা-বাবা-শিশুকেন্দ্রিক পরিবার উন্নয়নই দারিদ্র্যমোচনের মূল চাবিকাঠি। ভাতাপ্রাপ্ত মা শিশুকে কেন্দ্র করে স্বপ্ন প্যাকেজ বাস্তবায়ন করলে আগামী প্রজন্ম অর্থাৎ ২০ বছর মেয়াদে কমবেশি ১ কোটি মা কাভার করলে দেশে দরিদ্র পরিবার থাকবে না। বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ ও সুখী সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হবে।'
উনার জীবনের সেরা অর্জন মায়েদের ভালোবাসা। উনি যেখানেই যান শত শত মাকে পেয়ে যান। এই মা’দের পাওয়ার পেছনে গল্প তো আছে অনেক। কোন অর্জন মানুষ সহজে পেয়ে যান না, উনিও এই অর্জন সহজে পাননি। নিজের অর্জন নিয়ে এএইচএম নোমান বলেন-
'আমাদের দেশে চাকরিজীবী মায়েদের মাতৃত্বকালীন ছুটির প্রচলন রয়েছে, শহুরে শিক্ষিত মায়েরা বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পায়, কিন্তু যারা নদীভাঙা, রিক্সাওয়ালা বা খেত-খামারির স্ত্রী, তাদের তো দরখাস্ত করার কোনো জায়গা নেই। তাদের নিয়ে আমি কথা বলি ২০০৫ সালের বিশ্ব মা দিবসের এক সেমিনারে। দরিদ্র মায়েদের জন্য ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা’ প্রচলন করার কথা বলি। এই কথা বলার পরে সেটার প্রশংসা করল অনেকে, কিন্তু অ্যাকশনে নেয়ার মতো কেউ ছিল না। আসলে রাজনীতি আর কর্মনীতির ফারাক এখনো অনেক কঠিন একটা ব্যাপার। তবে অর্থের জোগান শুরু হলো আমাদের নিজেদের উদ্যোগে, মানে ডর্প কর্মীদের একদিনের বেতন ভাতা দিয়ে। জনাব এম. হাফিজউদ্দীন খান দুই জন মায়ের টাকা চেকে দিলেন, কেউ জাকাতের টাকা দিলেন। এভাবে কাজ শুরু হলো বেশ কয়েকটি জায়গায়। আমরা প্রথমে ১০০ টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম, প্রত্যেক গর্ভবতী মাকে মাসিক ১০০ টাকা করে ভাতা প্রদানের মাধ্যমে। সে-সময় দেশের গণমাধ্যম আমাদের বিশেষ সহযোগিতা করেছে এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করে। পরবর্তী সময়ে সরকার নিজেই এ প্রজেক্টটি গ্রহণ করে। যা এনজিও সেক্টরের জন্য অনন্য সাফল্য। তবে এক্ষেত্রে ৫ লাখের ওপর মা হওয়া উচিত না। আমি স্টাডি করে দেখেছি, ৫ লাখের বেশি হলে দারিদ্র্যের যে সংজ্ঞা তার বাইরে চলে যায়। তখন এটা রিল্যাক্স হয়ে যায়, আর সেকারণেই মূল কাজটা আর হয় না। সুযোগ সন্ধানীরা এটা কাজে লাগায়, অনেক অবস্থাপন্ন পরিবারে চলে যায় বরং সেক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ কমপক্ষে এক হাজার টাকা হওয়া উচিত।'
সত্যিই আমার অহংকার হচ্ছে, আমি জানি নিজেকে নিয়ে অহংকার করা ঠিক না। নিজের কাজ নিয়ে নিজে অহংকার করা ঠিক না। তবে অন্যের সফলতাকে জানা অন্যকে জানতে দেয়া অহংকারের। জনাব নোমাদের সুস্থতা কামনা করছি, এই দেশে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে, নারীর অগ্রযাত্রা বেড়েছে তবুও নারীই প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতিত নিপীড়িত, সেই সব মায়েদের পাশে জনাব নোমানকে পেয়ে আমরা গর্বিত। মাতৃমৃত্যু আর গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে লিখতে বসে যেসব তথ্য পেয়েছি, শরীর শিউরে উঠেছে। জনাব নোমান এর মতো আরো ব্যক্তিরা এগিয়ে আসবে মায়েদের জন্যে, আগামীর প্রজন্মের জন্যে এই প্রত্যাশা। মাও সেতুং এর  সেই বাক্যটি দিয়ে শেষ করছি, 'আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব।' তাই বলছি, 'সুস্থ মা ই পারে সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে, আসুন মায়েদের পাশে দাঁড়াই, জাতীর মেরুদন্ড সোজা রাখি'। গত শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) ছিল ‘গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এএইচএম নোমান এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী।এ উপলক্ষ্যে এবার একদিন আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই পর্বে জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথম পর্বে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডরপ-পরিবারের পক্ষ থেকে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে সাহিত্য সংগঠন ‘বৃহস্পতির আড্ডা’,ও ‘মা স্বপ্ন ফাউন্ডেশন’ যৌথভাবে এএইচএম নোমানের জন্মদিন এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ পর্বে কেককাটা, উপহার বিতরণ, কবিতা পাঠ ও গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কথা সাহিত্যিক ও ‘বৃহস্পতির আড্ডা’র আহবায়ক রোকেয়া ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণীর কবি ও সাহিত্যকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ