ঢাকা, রোববার 10 February 2019, ২৮ মাঘ ১৪২৫, ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুসারে একশ’ বস্তা কাপড় আটক করা হয়। ছাত্রলীগ ঘটনার জন্য সাজুকে বহিস্কার করে। ১৮ জানুয়ারি বরিশালের উজিরপুরে ডহরপাড়া গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা সজীব হাওলাদার আহত হয়। ছাত্রলীগ নেতা শাহাদাৎ হোসেন ও সজীব হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ২২ জানুয়ারি ঢাকার পল্টনে এক সংঘর্ষ ঠেকাতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগ। পুলিশ সেখান থেকে ১৭ জনকে আটক করে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মেহেদী হাসান, প্লাটুন চাকমা, শাকিল, সাজন ও আসির উদ্দিনসহ আহত হয় ৮ জন। সিক্সটি নাইন গ্রুপ ও সিএফসি গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে কামরাঙ্গীরচর থানার সাবেক আহবায়ক পারভেজ হোসেন বিপ্লব আহত হয়।
২৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন নেতার মাজার এলাকায় ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয় ৫ জন। ছাত্রলীগ ঢাকা কলেজ গ্রুপ ও জগন্নাথ হল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আমিনুল ইসলাম, আজিজুল, তুষার, নয়ন ও আজিম আহত হয়। ২৭ জানুয়ারি শেরপুরের শ্রীবরদী থেকে বখাটে আটকের জেরে পুলিশের ওপর হামলা ও মারপিট করে ছাত্রলীগ। তাদের হামলায় পুলিশের এএসআই রফিকুল ইসলাম ও এএসআই আব্দুল হান্নান আহত হয়। পুলিশ ছাত্রলীগ উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক জিয়াউল হক জেনারেল ও রুবেলসহ ৩ জনকে আটক করে। ২৯ জানুয়ারি চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে দোয়াভাঙ্গা এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এমদাদুল হক মিলন ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসেন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে এমদাদুল হক মিলন, আল-আমিন, সাইফুল ইসলাম, কাজী ইয়াদ, সোহেল হোসেন, সোহাগ হোসেন, রবিউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও সোহেল আহত হয়। রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মুখতার হলে বরাদ্দকৃত সীটে উঠতে গেলে দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক আল-আমিন হোসেন ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সৌম্য সরকারকে মারধর করে ছাত্রলীগ। পরে রংপুরের সাংবাদিকরা গণআন্দোলন গড়ে তোলে।
যুব লীগ : ১ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় দর্শনা পুরাণ বাজারে যুবলীগ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আশরাফুল আলম বাবু, সোহাগ হাসান ও আব্দুল মান্নানসহ ৪ জন আহত হয়। ২ জানুয়ারি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হাজীপুর গ্রামের যুবলীগ দু’গ্রুপের মধ্যে এক সংঘর্ষ হয়। যুবলীগ সুমন গ্রুপ ও স¤্রাট গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাতেন ও সোহেলসহ ৭ জন আহত হয়। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ, ৪টি প্রাইভেট গাড়ি, ২টি মাইক্রো ও ২টি পিক-আপ ভাংচুর করে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেলোয়ার হোসেন নামে এক যুবকের ওপর হামলা করতে পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের সাথে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় এসআই আব্দুল আলিম, এএসআই গিয়াস উদ্দিন, কনষ্টেবল নয়ন, মেহেদী, সাংবাদিক মীর ফরহাদ হোসেন সুমন, যুবলীগ নেতা সালাহ উদ্দিন ও মাহবুবুর রহমানসহ ১০ জন আহত হয়। পুলিশ যুবলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান, রূপম হাওলাদার, ইকবাল হোসেন, আজগর হোসেন, মিজানুর রহমান, হিমেল কারি, আশিক মাহমুদ, আকিব খান, রেজাউল ইসলাম, আজগর আলী, সাইফুদ্দিন ও মোহাম্মদ উল্লাহকে আটক করে। ১৩ জানুয়ারি নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে কালিকাপুর গ্রামের যুবলীগ নেতা সালাহ উদ্দিনকে পুলিশ আটক করে। ১৮ জানুয়ারি নোয়াখালীর কবিরহাটের নবগ্রামের বিএনপি কর্মী আবুল হোসেনের স্ত্রী পারভীন আক্তার যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনসহ ৪ জনের দ্বারা ধর্ষিতা হয়। পুলিশ জাকির হোসেনকে আটক করে। ২২ জানুয়ারি বরিশালের গৌরনদীতে ডিস ব্যবসার বিরোধ নিয়ে যুবলীগ দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে কামরুজ্জামানসহ আহত হয় ২ জন। পুলিশ রাজু আহমেদ ও মিলনসহ ৩ জনকে আটক করে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ : ২২ জানুয়ারি সিলেট শহরের কুয়ারপাড়ের বাসা থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি পীযুষ কান্তি দেকে আটক করে পুলিশ। ২৩ জানুয়ারি নওগাঁর আত্রাই উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে ১২৫ পিস ইয়াবা ও ১৩ বোতল ফেনসিডিলসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনাকে আটক করে র‌্যাব-৫। ২৭ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি ও একটি মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত আসামী আনিছুর রহমানকে নাশকতার মামলায় আটক করে পুলিশ।  
শ্রমিক লীগ : ২৭ জানুয়ারি ঢাকা আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রতিটি দোকান থেকে অসহায় ও দুঃস্থদের সাহায্যের নামে চাঁদা আদায় করে শ্রমিক লীগ নেতা মামুন। দোকান প্রতি সপ্তাহে এখন ২০ টাকা নেয় এবং পরে ৫০ টাকা নেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়।
বিএনপি : ১ জানুয়ারি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিএনপি ও নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ বাচ্চুকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া গোপালপুর আলী হায়দার উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রদল কর্মী ফয়সালকে মারধর করে যুবলীগ নেতা হাসান, মজিদ ও মাসুমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। কক্সবাজার সদরে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। কারাগারে যাওয়া নেতা-কর্মীরা হলো- জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোহাম্মদ আলী, সরওয়ার রোমান, রাশেদুল হক, ছাত্রদল জেলা সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন রিপন, সাধারণ সম্পাদক ফাহিমুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মিজানুল আলম ও শহর সভাপতি এনামুল হকসহ ১৫ জন। বগুড়ার কাহালুতে নির্বাচনের দিন বিএনপির সাথে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ পাইকড় ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি নাজমুল হুদা ডুয়েলের মৃত্যু হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর নাজমুল হুদা আহত হয়। ৫ জানুয়ারি ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পাগলা থানা পুলিশ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ.কে.এম আনছার উদ্দিনকে বারইগাঁও গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে আটক করে। সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলা বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।
 ৬ জানুযারি বান্দরবন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ কাজী মহিতুল হোসেন যতœকে কোর্ট এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা এ.টি.এম নূরুল বশর চৌধূরী, জালাল আহমেদ চৌধুরী, জিয়াবুল আলম, ছাত্রদল নেতা মোশররফ হোসেন বাপ্পা, রেজাউল করীম রাজু ও কামরুল ইসলামসহ ১২ জন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। ৭ জানুয়ারি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া বিএনপির ২৩ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিনও নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। কারাগরে যাওয়া নেতারা হরো- উপজেলা বিএনপর সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন দুলাল, ইসমাইল হোসেন হাওলাদার, রানি মুন্সী ও তাহসিন জামান রোমেলসহ ২৩ জন। ৯ জানুয়ারি কুমিল্লার লাকসামে কৈত্রা ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত বাকই দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ নিহত হয়। বিগত ৩০ ডিসেম্বর তিনি আহত হন। ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগরী বিএনপি নেতা ইসাহাক চৌধুরী আলিম, এম.আই চৌধূরী মামুন, ইউনুস চৌধূরী হাকিম, মহিউদ্দিন, নাছির উদ্দিন, এস.এম সেলিম, মামুনুর রশীদ, আজাদ খান, নাছরুল্লাহ খান, নাজমুল হক নাজু, ইলিয়াস, জসিম ও রেজাউল আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম হারুনুর রশীদকে আটক করে পুলিশ। ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুল হককে আটক করে পুলিশ। ১৩ জানুয়ারি ঢাকার দোহার থেকে পুলিশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল হালিমকে আটক করে। ১৫ জানুয়ারি নোয়াখালী সদরের ২১৮ বিএনপি নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। আসামীরা যুবলীগ কর্মী হানিফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত। যশোরের মনিরামপুরে দায়ের করা এক মামলা বিএনপি কারাবন্দী কর্মী নুরুল হককে ২২ নম্বর আসামী করা হয়। এ মামলায় বিএনপি-জামায়াত ছাড়াও আওয়ামী লীগের ৬ জনকে আসামী করা হয়। পুলিশ সৈয়দ আলী, মোস্তাক হোসেন ও রবি হোসেনকে আটক করে।
২২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা বিএনপির প্রচার সম্পাদিকা দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটাকে আটক করে র‌্যাব। গাজীপুর মহানগর বিএনপি নেতা ও শ্রমিক দল কার্যকরী সভাপতি সালাহ উদ্দিন সরকার, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আহমেদ আলী রুশদী, সদর থানার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুরুজ আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাবুল এবং বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মীর শাহে আলমসহ ৪ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির ৪০ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিনও নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। ২৪ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হওয়ার পথে পুলিশ তাকে ফের আটক করে। ২৭ জানুয়ারি ফরিদপুর শহর বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মিরাজ, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধূরী রঞ্জন, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনান, যুবদল নেতা এ.কে কিবরিয়া স্বপন, ফরিদপুর মহানগর ছাত্রদল সভাপতি শাহরিয়ার শিথীল, যুবদল নেতা শহীদ আল-ফারুক ও আলমাস মন্ডল আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। 
ছাত্র দল : ২৭ জানুয়ারি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ছাত্রদল রাজশাহী মহানগর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবিকে আটক করে।
স্বেচ্ছাসেবক দল : ১৫ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি তরিকুল ইসলাম ঝলক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, যুবদল জেলা সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, ছাত্রদল জেলা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এম.এ বাতেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নূরুজ্জামান টুটুল এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ.কে.এম আব্দুল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়।
জামায়াত ঃ ১২ জানুয়ারি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াত আমীর মাওলানা শাহাদাৎ হোসেনকে পুলিশ আটক করে। 
শিবির : ১৭ জানুয়ারি মাদারীপুর জেলা শিবির সভাপতি জাকির হোসেন, সেক্রেটারি মেসবাহ উদ্দিন সরদার ও রাজৈর উপজেলা সভাপতি আরমান খালাসীকে আটক করে পুলিশ। 
তাবলীগ জামাত : ৩ জানুয়ারি গাজীপুরের টঙ্গীতে তাবলীগ জামায়াতের আহত শামসুদ্দিন বেলালের মৃত্যু হয়। শামসুদ্দিন বেলাল ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এস্তেমার মাঠে তাবলীগ জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়।
জেএমবি : ১ জানুয়ারি লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থেকে জেএমবি সংগঠক শফিকুল ইসলাম আলালকে আটক করে র‌্যাব-১৩। ৮ জানুয়ারি রংপুরের তারাগঞ্জ থেকে জেএমবি নেতা আব্দুর রহমান বিশ্বাস ফুয়াদ, আখিনুর ইসলাম, লোকমান আলী কোরবান ও মিজানুর রহমানকে আটক করে র‌্যাব-১৩। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি রিভালবার, ২টি ম্যাগাজিন ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ২৪ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সদরের বিদ্যাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে সিয়াম আল-মাহমুদ, নাসরিন আক্তার জোবাইদা, শাহীন ইসলাম ওরফে মাহবুব ইসলাম ও সাখাওয়াত করীমকে আটক করে র‌্যাব-১৪। ২৫ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থেকে জেএমবি নেতা শরিফুল ইসলাম খালিদকে আটক করে র‌্যাব। ৩১ জানুয়ারি নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ মৌচাক বাসষ্ট্যান্ড থেকে জেএমবি সদস্য রেজাউল করীম বান্দা রেজাকে আটক করে র‌্যাব-১১। 
ইউপিডিএফ : ১ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির গুইমারার লক্ষ্মীছড়ি এলাকা থেকে ইউপিডিএফ সদস্য সুমন্ত চাকমা ও দিপঙ্কর চাকমাকে অস্ত্রসহ আটক করে সেনাবাহিনী। ১৪ জানুয়ারি খাগড়াছড়ির রামগড়ে জগন্নাথপাড়া এলাকায় ইউপিডিএফ-এর হাতে জেএসএস রামগড় উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালেক্টর মোহন ত্রিপুরা নিহত হয়।  
জেএসএস : ১৯ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি সদরে পান বানমুখ এলাকায় জেএসএস-এর হাতে ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের কর্মী পিপলু বৈষ্ণব ত্রিপুরা রনি নিহত হয়। (সমাপ্ত)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ