ঢাকা, মঙ্গলবার 12 February 2019, ৩০ মাঘ ১৪২৫, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আমাদের সংবাদপত্র আমাদের প্রত্যাশা

এ কে আজাদ:

সংবাদপত্র সম্পর্কে ইংরেজীতে একটা কথা আছে যে, Newspaper is the herald of the civilization -“সংবাদপত্র হলো সভ্যতার অগ্রদূত”। একদিনে গড়ে উঠেনি আমাদের এই সম্ভ্রান্ত আধুনিক সভ্যতা। এই সভ্যতার পেছনে বহু মানুষের বহু দিনের শ্রম যেমন অবদান রেখেছে, সংবাদপত্র তথ্যের পরে তথ্য প্রদান করে তেমনি তিলে তিলে দাঁড় করিয়েছে এই সভ্যতার রূপরেখা। একমাত্র সংবাদপত্রই প্রথম তৈরী করেছে সভ্যতা উন্নয়নের উত্তাল ঢেউ। এই ঢেউকে আবার ছড়িয়ে দিয়েছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যার ফলে পৃথিবীর নানান প্রান্তে লেগেছে আমাদের এই সভ্যতার ছোঁয়া। ইদানিং অবাধ তথ্য প্রবাহের এই যুগে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার যে জয় জয়কার তার সূতিকাগারও এই সংবাদপত্র। পৃথিবীর নানান পরতে পরতে যা কিছু ঘটছে তার সবই প্রতিফলিত হয় এই সংবাদপত্রের পাতায়। তাই তো সংবাদপত্রকে বলা হয় সমাজের দর্পন-Newspaper is the mirror of the society। না, শুধু ঘটনা আর দুর্ঘটনাই বাণী-চিত্র লাভ করে না সংবাদপত্রের পাতায়, সংবাদপত্র মানুষকে স্বপ্নও দেখায়। সে স্বপ্ন সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন। সে স্বপ্ন সুখময় সমাজের স্বপ্ন। কুসংস্কারের অন্ধকার পাড়ি দিয়ে আলোকিত দিনের স্বপ্ন।

সংবাদপত্রের পাতায় চোখ রেখে প্রতিদিন সকালে একজন পাঠক এক নজরে দেখতে পায় দেশ বিদেশে ঘটে যাওয়া নানান চিত্র। সে চিত্র দেখে কখনো আলো ঝলোমল হয়ে ওঠে পাঠকের চোখ; আবার কখনো চোখ হয়ে ওঠে ছানাবড়া। কখনো কষ্টের ছবি দেখে কেঁদে ওঠে মন। এই কান্না হাসির যে জীবন, সে জীবনে গতি আনে এই সংবাদপত্র। তথ্য প্রদান করে মানুষের সামনে চলার যে পথ-পরিকল্পনা তাও ঠিক করে দেয় এই সংবাদপত্রই। সংবাদপত্রের পাতায় চোখ রেখেই বিশ্ব দেখে মানুষ; দেখে সামনে চলার রেখা মানচিত্র। তাই তো সংবাদপত্রকে বলা হয় - আধুনিক মানুষের চোখ - Newspaper is the eye of modern men।

কথায় বলা হয়- Development comes through the information। বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি, চিকিৎসা, যোগাযোগ, প্রভৃতি ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধন এবং সর্বোপরি যে মানবিক উন্নয়ন তার প্রথম বার্তাবাহক কিন্তু এই সংবাদপত্রই।    

এই সংবাদপত্রই মানুষের সামনে তুলে ধরে অতীত ইতিহাস, যে ইতিহাস থেকে মানুষ শিক্ষা নেয়, জাতি পায় সামনে চলার প্রেরণা। অতীতের ভুল ভ্রান্তিগুলোকে ফাউন্ডেশন করেই গড়ে উঠে বর্তমানের সঠিক পথচলার প্রণোদনা। তাই তো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন- 

“হে অতীত, তুমি গোপনে গোপনে

কাজ করে যাও ভূবনে।”

অতীত ইতিহাস রোমন্থন-এর পাশাপাশি সম্ভাবনার কথাও বলে সংবাদপত্র। কোন একটা বিষয়ে নানা মুনীর নানা মত উপস্থাপিত হয় সংবাদ পত্রের পাতায়। পরিসংখ্যানগতভাবে উপস্থাপিত হয় সেই বিষয়ের পক্ষে বিপক্ষে নানান যুক্তি। সেই যুক্তির আলোকে পরিকল্পনা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্টরা। আর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নানান তথ্য বিশ্লেষণে নেয়া হয় সঠিক সিদ্ধান্ত।

সম্ভাবনার পাশাপাশি আশঙ্কাও প্রকাশিত হয় পত্রিকার পাতায়। রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক নানাবিধ ঘটনার আলোকে কখনো কখনো জাতীয় স্বার্থে কোন কার্য বা সিদ্ধান্তের বিপরীতে আশঙ্কাও লিপিবদ্ধ হয় সংবাদপত্রের কালো হরফে। ফলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের আলোকে করণীয়ও ঠিক করা যায়। প্রতিকারমূলক প্রতিষেধক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যায়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন জাতীয় দূর্যোগ এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলায় সংবাদপত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের ভূমিকা প্রাণীদেহে মূল রক্তকণিকা প্রবাহের মতই। কুসংস্কারের অন্ধকার থেকে সমাজকে আলোর পথে পরিচালিত করতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে এই সংবাদপত্র। এক্ষেত্রে জ্ঞানী-গুণী মুনী-ঋষীদের মন্তব্য ও পরামর্শ জাতীয় সংস্কারের ব্যাপারে মূল চালিকা শক্তি ও টনিক হিসেবে কাজ করে। সংবাদপত্রের ভূমিকা সর্বক্ষেত্রে হয় প্রশংশিত।

শিক্ষা বিষয়ক নানা সংবাদ, তথ্য-প্রযুক্তি ও আবিস্কারের কাহিনী পত্রিকার পাতাকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়ভাবে উপাদেয়। সে ক্ষেত্রে পত্রিকা হয়ে পড়ে দারুণভাবে অপরিহার্য। 

রাষ্ট্রযন্ত্রের নানা অনিয়ম অনাচার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকার জন্য সংবাদপত্র চিরকালই হয়েছে নন্দিত। নিপীড়িত মানুষেরা সর্বকালই সংবাদপত্রের এ ভূমিকার কাছে ঋণী। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনতা সংগ্রামীদেরকে বরাবরই উৎসাহ যুগিয়েছে সংবাদপত্র। আমাদের এই উপমহাদেশেও ব্রিটিশদের দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও সংবাদপত্র রেখেছে যুগান্তকারী ভূমিকা। 

ভারতীয় উপমহাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই যে, এই উপমহাদেশের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র ছিল “দি বেঙ্গল গেজেট।” ১৭৮০ সালের ২৯ জানুযায়ী রোজ শনিবার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ট্যাবলয়েড সাইজের এই পত্রিকা বের করেছিলেন ইংরেজ ব্যবসায়ী জেমস্ অগাষ্টাস হিকি। সম্পাদকের নাম অনুসারে এই পত্রিকাকে “হিকির গেজেট” নামেও অভিহিত করা হতো। পত্রিকাটির মুদ্রণ পরিপাট্য, অঙ্গসজ্জা, বিজ্ঞাপনের ভাষা, রচনার বিষয় প্রভৃতিতে নান্দনিকতা পরিলক্ষিত না হলেও তৎকালীন সময়ে পত্রিকাটি ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছিল। কেননা তৎকালীন ভারতে ইউরোপীয় সমাজের কদর্যতা, অশালীনতা, শোষণের পদ্ধতি ইত্যাদির প্রায় সবই স্থান পেয়েছিল সেই “হিকির গেজেট”এ। তবে এর কারণ ভারতের মানুষের প্রতি ভালবাসা ছিল না। এর কারণ ছিল ইংলিশদের স্বার্থপরতা এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। সে সময়ে ভারতের গভর্ণর জেনারেল ছিলো ওয়ারেন হেস্টিংস। গভর্ণর জেনারেল পরিষদের অন্যতম সদস্য কট্টর হেস্টিংস-সমালোচক ফিলিপ ফ্রান্সিস ছিলো হিকির গডফাদার। ফলে হিকির গেজেট ছিল ওয়ারেন হেস্টিংস্ এর সমালোচনায় মুখর এবং সে কারণেই গভর্ণর জেনারেলের রোষানলে পড়তে হয় জেমস্ অগাষ্টাস হিকিকে। হিকির গেজেটে ছাপা হতে থাকে ওয়ারেন হেস্টিংস, মিসেস হেস্টিংস এবং হেস্টিং এর আজ্ঞাবহ বিচারপতি স্যার এলিজা ইম্পের কদর্যতা এবং কুকর্মের কাহিনী। ফলে গভর্নর জেনারেলের রোষানলে পড়ল হিকি এবং তার গেজেট। অবশেষে ডাক বিভাগেরর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলো হিকির গেজেট। কারাবরণ করতে হলো জেমস্ অগাস্টাস হিকিকে। শুধু তাই নয় বাজেয়াপ্ত হলো হিকির ছাপাখানা। পথে বসলেন হিকি। ভারত ছেড়ে নিজ দেশ বিলেত-এর উদ্দেশে পাড়ি জমালেন তিনি। খুব সম্ভবত জাহাজের মধ্যেই না খেয়ে মারা গিয়েছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম পত্রিকার সম্পাদক জেমস অগাস্টাস হিকি।

তবে শ্রীরামপুরের মিশনারীদের উদ্যোগে জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত “সাপ্তাহিক সমাচার দর্পণ” নামে এই উপমহাদেশের প্রথম বাংলা পত্রিকা প্রকাশিত হয় ২৩ শে মে ১৮১৮ সালে। কিন্তু বাংলা পত্রিকা হলেও এটি ছিল বৃটিশদের মালিকানাধীন। তবে বাঙালী মালিকানাধীন পত্রিকা ছিলো গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য সম্পাদিত “বাঙ্গাল গেজেট” যেটি ১৮১৮ সালের ১৪ মে হতে ৯ই জুলাই এর মধ্যে কোন এক তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন। এটিও ছিল সংস্কারপন্থী একটি পত্রিকা।

যাই হোক, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা কুসংস্কারের বিপরীতে সংস্কারকার্য সম্পাদন করাও যে সংবাদপত্রের মহৎ গুণাবলীর একটি তা কিন্তু এই উপমহাদেশে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর কার্যক্রম থেকে সহজেই অনুমেয়। সেই সাথে এ কথাও প্রতীয়মান হয় যে, দেশ ও জাতীয় বৃহৎ স্বার্থে কাজ করতে গিয়ে সংবাদপত্রের কন্ঠরোধ হওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

সংবাদপত্রের অনেক গৌরবময় ইতিহাস থাকলেও কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও ব্যক্তির       কু-পরশ

সংবাদপত্রের গায়ে লেগেছে চাঁদের কলঙ্ক। কখনো কখনো ভুল তথ্য উপস্থাপন করেও সংবাদপত্র হয়েছে সমালোচিত। কোন কোন সাংবাদিকের ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিতর্কিত সংবাদ পরিবেশনের কারণে সংবাদপত্রের জগতে যোগ হয়েছে নতুন টার্ম “হলুদ সাংবাদিকতা”। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কোন ব্যক্তি বা সমাজের চরিত্র হনন করে এবং মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের উপস্থাপন করে দেশ ও জাতিকে বিভ্রান্ত করে সমালোচনার তোপের মুখে কখনো কখনো ম্রিয়মান হয়েছে সংবাদপত্রের ঔজ্জ্বল্য। আবার কখনো চরিত্রহীন খলনায়কদের পক্ষাবলম্বন করেও সংবাদপত্রকে পড়তে হয়েছে পাঠকের রোষানলে, যা সংবাদপত্রের মঙ্গল বয়ে তো আনেইনি বরং সংবাদপত্র হয়েছে বিতর্কিত। বর্তমানকালে পাঠকবর্গ সহসাই কোন কোন সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উত্থাপন করে থাকেন যে-সংবাদপত্র নাকি রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশন করে। ফলে বিভিন্ন আদর্শের রাজনীতির ছত্রছায়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোন কোন সংবাদপত্র। আবার কেউ কেউ এমনও বলেন যে- একটা পত্রিকায় পরিবেশিত সংবাদের উপর, বিশেষ করে রাজনৈতিক খবরের উপর, নাকি আস্থা রাখা যায় না। একটা রাজনৈতিক ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য নাকি কমছে কম চারপাঁচটি পত্রিকার সংবাদকে পর্যালোচনা করতে হয়। এক্ষেত্রে শুধু এ কথাই বলতে চাই যে, সংবাদ পত্রেরও একটা রাজনীতি আছে। একটা আদর্শ আছে। সে রাজনীতি হলো- পক্ষপাতহীন সংবাদ পরিবেশন। আদর্শ হলো - সত্যাদর্শ। কেননা অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এই আধুনিক যুগে যখন ঘরে বসেই মানুষ নানা ঘটনার লাইভ দৃশ্য অবলোকন করতে পারছে অনায়াসে, তখন ঘটনা সংঘটনের একদিন পরে উক্ত ঘটনা বা দুর্ঘটনা সম্পর্কে কোন ভূয়া টেবিল রিপোর্টিং প্রকাশ করলে তা আর কারও জন্য ক্ষতিকর হোক বা না হোক, সংবাদপত্রের জন্য তা মর্যাদাহানীকর তো বটেই। এতে করে সংবাদ মাধ্যমের প্রতি মানুষের অনাস্থারও সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের শুধু এই বলে অনুরোধ করতে চাই যে- “দোহাই আপনাদের সংবাদপত্রকে বিতর্কিত করবেন না। সংবাদপত্র হলো আধুনিক সভ্যতার আশীর্বাদ। এই আশীর্বাদকে মানুষ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যবহার করুন। কল্যাণধর্মী এই আশীর্বাদকে মানুষের অকল্যাণে ব্যবহার করবেন, তো সংবাদপত্রের প্রতি মানুষের অনাস্থার সৃষ্টিই শুধু হবে না বরং যারা সংবাদপত্রকে কোন বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠিগত স্বার্থে ব্যবহার করবেন কালের আবর্তনে তারাই নিক্ষেপিত হবেন সময়ের নির্মম আস্তাকুঁড়ে।”

কখনো কখনো অপসংস্কৃতি বা ভিনদেশীয় সংস্কৃতির বহুল প্রচার করে দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিপরীতে অবস্থান গ্রহণ করেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সংবাদপত্রকে। ইদানিং একটা উদ্বেগজনক কথাও শোনা যায় যে, কোন কোন বিপথগামী সাংবাদিক নাকি ভয় ভীতি দেখিয়ে মানুষের কাছে চাঁদাও আদায় করেন। তবে তার সংখ্যা উল্লেখ করবার মত না হলেও ব্যাপারটার কিঞ্চিত অংশও যদি সত্যি হয়, তাহলে সংবাদপত্রের ষোলকলায় যাদের বুকে সুখের বান ডাকে, চোখের কোণায় চিক চিক করে শরতের শুভ্র মুক্ত বলাকা, তাদের কষ্টের সীমা থাকবে না।

এই যে এতগুলো কথা, তা কেবল সংবাদপত্রের মঙ্গলময় শোভাযাত্রার দিকে তাকিয়ে। সংবাদপত্র সঠিক তথ্য উপাত্ত দিয়ে দেশ ও জাতিকে সামনে এগিয়ে নেবে, মানবিক মূল্যবোধে সভ্যতাকে পৌঁছে দেবে শীর্ষ চূড়ায় - এমনটিই আশা করে সংবাদপত্রের নির্মোহ শুভাকাঙ্খীরা। সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ ও জাগ্রত বিবেকসূলভ ভূমিকায় সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হবে দেশ ও জাতি-এমনই আকাঙ্খা নিঃস্বার্থ পাঠকবর্গের। পরিশেষে সংবাদপত্রের পথ চলা নির্মোহ হোক, দেশ ও জাতির কল্যাণে সংবাদপত্র রাখুক অনবদ্য ভূমিকা, নিষ্কন্টক হোক পরিচ্ছন্ন সংবাদপত্রের পথচলা- এই হোক সংবাদপত্রের সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক ও পাঠক বর্গের নিত্যদিনের প্রত্যাশা। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ