ঢাকা, শনিবার 16 February 2019, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫, ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে একটি সেতুতে আটকে আছে যোগাযোগ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার অবহেলিত একটি গ্রাম নাম তার হামকুড়িয়া। চলনবিলের ঠিক মাঝামাঝি স্থানে এর অবস্থান হওয়ায় দেশের অধিকাংশ মানুষ দেখলেই গ্রামটি চিনে ফেলে কিন্তু এর উন্নয়ন নিয়ে কেউ ভাবে নাই। নেতারা ভোটের আগে রাস্তা নির্মাণ ব্রিজের ওয়াদা করলে ও উন্নয়নের কোন আলামত পাওয়া যাচ্ছে না। হামকুড়িয়া তজির মৃধার বাড়ি থেকে শাহজাহান সাংবাদিকের বাড়ি পযর্ন্ত রাস্তা যাতায়াতের একেবারেই অযোগ্য চলাচলের বেহাল দশা। রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় একটি সেতকুর অভাবে ভোগান্তিতে গ্রামের ২০ হাজার মানুষ। এই সেতুর কারণে আটকে আছে মূল সড়কের সঙ্গে যোগাযোগ। আর এ ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল-অধ্যুষিত বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া খানপাড়ায় বসবাসকারী মানুষ। বর্ষাকালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও কৃষিপণ্য পরিবহনে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। মূল সড়কের সঙ্গে গ্রামটির যোগাযোগ আটকে আছে একটি সেতু না থাকায়।
হামকুড়িয়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক জিয়াউর রহমান জানান, বর্ষাকালে নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হলেও বৃদ্ধ, শিশু আর রোগী নিয়ে চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নৌপথে কৃষিপণ্য পরিবহনেও রয়েছে নানা ভোগান্তি। এ গ্রামটি সাতটি পাড়া নিয়ে গঠিত। বর্ষা মৌসুমে এ গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে নদী পার হন। স্থানীয় কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ গ্রামের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়। যদি কোনো শিশুর পা সাঁকো থেকে সরে যায়, তাহলেই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। খানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন খন্দকার বলেন, তারা নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি তৈরি করেছেন। গ্রামের দোকান ব্যবসায়ীদের বাজার থেকে পণ্য আনতে যাতায়াত খরচও বেশি পড়ে যায়। বর্ষাকালে সাঁকো পিচ্ছিল হওয়ার কারণে পার হতে বেগ পেতে হয় এলাকাবাসীর। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ আলী জানান, হামকুড়িয়া গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। এলাকার লোকজন যদি এ বিষয়ে আবেদন করে, তাহলে প্রকল্প অনুমোদনের জন্য চাহিদা পাঠানো হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ