ঢাকা, রোববার 17 February 2019, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫, ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সোনালী কাবিনের কবি আল মাহমুদ আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার : কাবিনবিহীন হাতে মহাকাল স্পর্শ করতে চলেছেন এখন তিনি। সোনার দিনার নেই, দেনমোহর চেয়না হরিণী, যদি নাও দিতে পারি কাবিনবিহীন হাত দু’টি। সোনালী কাবিন নামে খ্যাত আধুনিক বাংলার প্রধান কবি আল মাহমুদকে চির বিদায় জানানো হয়। আজ রোববার তার গ্রামের বাড়িতে জানাযা শেষে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাব, বায়তুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদে জানাযা শেষে তার গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাত ১১ টা ৫ মিনিটে ধানমন্ডি শংকরের ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কবি আল মাহমুদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। এর পর তার লাশ বাংলা একাডেমিতে নেয়া হয়। বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি, বাংলা একাডেমির সম্মানিত ফেলো আল মাহমুদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শনিবার দুপুর পৌনে ১২টায় কবির স্মৃতির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য তার লাশ বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে রাখা হয়।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর নেতৃত্বে একাডেমির সচিব মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস এবং কর্মকর্তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে কবির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় আরও অংশ নেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির পরিচালক আনজীর লিটন, আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন, কবি আবদুল হাই শিকদার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শংকর সাঁওজাল, কবি-সাংবাদিক সোহরাব হাসান, লিটল ম্যাগাজিন নিসর্গ-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ, কবি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কথাসাহিত্যিক সুমন রহমান, অনুবাদক আলীম আজিজ, কবি হাসান মাহমুদ, কবি জাকির আবু জাফর, ড. ফজলুল হক তুহিন, কবি সরকার আমিন, কবি জাফর আহমদ রাশেদ, অলকা নন্দিতা, শিল্পী শাহীনুর রহমান, কবি আলতাফ শাহনেওয়াজ, কবি সালেহীন শিপ্রা, কবি পিয়াস মজিদ, কবি সোহাগ সিদ্দিকী, কবি আবিদ আজম, শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার এবং কবি পরিবারের সদস্যরা।
বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আল মাহমুদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং কবি জসিম উদ্দিন পুরস্কারে ভূষিত হন।
বাংলা একাডেমিতে সম্মান শেষে গতকাল শনিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে তার মৃতদেহ নেয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, এডভোকেট আহমদ আযম খান, গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএফইউজের মহাসচিব এম এ আজিজ, কবি আবদুল হাই শিকদার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, কবি জাকির আবু জাফর, কবি আল-মাহমুদের ছেলে মীর মুহাম্মদ মনির, মীর শরিফ আল-মাহমুদ প্রমুখ।
 জাসাস’র পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বিএনপি’র সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস এর সভাপতি ড. মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি অভিনেতা বাবুল আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান টিপু, জাসাস নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, কবি আল মাহমুদ ছিলেন দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। দেশের সর্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে, সেখানে তার গুরুতপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি এই সমাজকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তার সে স্বপ্ন পূরণ হোক।
তিনি আরও বলেন, তিনি ছিলেন,বড় মাপের কবি। বর্তমান সমাজে কবি আল মাহমুমকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। আল্লাহ তাকে সর্ব উত্তম স্থান দান করুন, সবাই সেই দোয়া করি।
কবি আল মাহমুদের ছেলে মীর মোহাম্মদ মুনির বলেন, উনার ইচ্ছা ছিল শুক্রবারে মৃত্যুবরণ করবেন। আল্লাহ উনার ইচ্ছা পূরণ করেছেন। তার অজান্তে কোনও ভুল করে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, উনার মতো কবি সাধারণত সবসময় সব জায়গায় জন্ম নেননি। প্রতিটি ধারাতেই ওনার উপস্থিতি আমরা দেখেছি। এতে আমরা অভিভূত হয়েছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি। সেই অনুপ্রেরণাটুকু উনি রেখে গেছেন আগামী প্রজন্মের জন্য।
প্রথম জানাযা শেষে ফুলে ফুলে সিক্ত হয় তার কফিন। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান,বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর, বুদ্ধিজীবীদের পক্ষে প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে এডভোকেট আহমদ আযম খান, জাসাসের পক্ষে সহ-সভাপতি বাবুল আহমেদ প্রমুখ।
বায়তুল মোকাররমে কবি আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় জানাযা হবে কবির নিজ গ্রাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইলে। গতকাল শনিবার বাদ জোহর তার দ্বিতীয় জানাযা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা.শফিকুর রহমান, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ, সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব গীতিকার মোস্তফা জামান আব্বাসী, জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, শামিম সাঈদী, মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, এডভোকেট তাজুল ইসলাম, আব্দুস সবুর ফকির প্রমুখ।
বিচারপতি আব্দুল রউফ বলেন তিনি ছিলেন বিশ্বাসের কবি। তিনি পূর্ণভাবে ইসলামকে ধারণ করেছিলেন। তিনি অনুস্মরণ করার মত আমাদের জন্য অনেক কিছু রেখে গেছেন। তিনি ছিলেন এক জন ভালো মানুষ। এসময় তিনি উপস্থিত সবার কাছে জানতে চান আল-মাহমুদ মানুষ হিসেবে কেমন ছিলেন। সবাই এক বাক্যে সাক্ষ্য দেন তিনি ভালো মানুষ ছিলেন।
মোস্তফা জামান আব্বাসি বলেন তিনি প্রকৃতির কবি। তিনি আমাদের জন্য কালের কাব্য লিখেছেন। তার রেখে যাওয়া পথ ধরেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এ জাতীয় মসজিদে তার সাথে আমার অনেকবার দেখা হয়েছে। আর দেখা হবে না। আমি তার মাগফিরাত কামনা করছি।
কবির বড় ছেলে শরিফ মাহমুদ বলেন, এখন আল মাহমুদকে আবার মগবাজারের বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তাকে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। আগামীকাল (রোববার) বাদ জোহর সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে আল মাহমুদের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। উল্লেখ্য যে, বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে যিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি কবি আল মাহমুদ। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিও তিনি। তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক তিনি। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই প্রবল বর্ষণের এক রাতে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামের এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সোনালী কাবিনের এই কবি। তাঁর পিতার নাম মীর আবদুর রব এবং মাতার নাম রওশন আরা মীর। বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকু- হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। বাংলা সাহিত্যে অনবদ্য অনন্য অপার বিরল সৃষ্টি কালজয়ী কাব্য ‘সোনালী কাবিনে’র স্রষ্টা বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ প্রতিভাবান ও শক্তিমান কবি এবং এক প্রবাদতুল্য অনিবার্য কিংবদন্তি হিসাবে আল মাহমুদই পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী সৈয়দা নাদিরা বেগম আর তাদের ৫ পুত্র ও ৩ কন্যা নিয়েই সংসার।
মাত্র ১৮ বছর বয়স ১৯৫৪ সালে সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে কবি ঢাকা আসেন। তখন থেকেই তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে। ঢাকা আসেন এবং পত্রিকায় কাজ নেন, তখনিই সাহিত্যে পুরোদমে মনযোগী হন। আজীবন আত্মপ্রত্যয়ী কবি ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা করে একের পর এক সাফল্য লাভ করেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত বিখ্যাত ‘কবিতা’ পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা-কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম সুপরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র/পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সালে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।
১৯৬৩ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর কালের কলস, সোনালি কাবিন, মায়াবী পর্দা দুলে উঠো, কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন, যুদ্ধের পরে দৈনিক গণকণ্ঠ নামক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। এই পত্রিকায় সামসুদ্দিন পেয়ারা, মরহুম আসফউদ দৌলা, ফজলুল বারী প্রমুখ রিপোর্টার হিসাবে কাজ করেন। মুলত: এই সময় তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এক বছরের জন্য একবার জেল খাটেন। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু তাকে শিল্পকলা একাডেমীর গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
আধুনিক বাংলা কবিতার শহরমুখী প্রবণতার মধ্যেই ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহকে তিনি কবিতায় অবলম্বন করেন। ১৯৯০-এর দশক থেকে তাঁর কবিতায় বিশ্ব¯্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। তবে ঈশ্বরানুগত্যের কারণে তার কবিতার কাব্যগুণ আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি একটুও। আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ তার অনন্য কীর্তি।
সমকালীন বাংলা সাহিত্যাকাশে আল মাহমুদের সমতুল্য মেলা ভার। বিগত কয়েক দশক বাংলা কবিতা তাঁর হাত ধরে আজ চরম উৎকৃষ্ট ও উন্নত শিখরে অবস্থান করছে। তিনি কবিতার সোনার চামচ মুখে নিয়ে এই বাংলায় জন্মেছেন। কবিতার সঙ্গেই গড়ে তুলেছেন একান্তে ঘর-সংসার। তিনি বলেছেন- ‘কবিতা আমার জীবন। পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট লেখক, সমালোচক শিবনারায়ণ রায় বলেছিলেন, “বাংলা কবিতায় নতুন সম্ভাবনা এনেছেন আল মাহমুদ, পশ্চিম বাংলার কবিরা যা পারেনি তিনি সেই অসাধ্য সাধন করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ