ঢাকা, মঙ্গলবার 19 February 2019, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ডাকসুর মনোনয়নপত্র বিতরণ আজ

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র  দেওয়া আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে কাল মনোনয়নপত্র নিচ্ছে না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের নেতারা বলেছেন, কাল থেকে তারা মনোনয়নপত্র নেবেন না। হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র ও প্রার্থিতার বয়সসীমা বাতিলসহ দাবি তারা জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে শিগগিরই সাংগঠনিক কর্মসূচি দেবে সংগঠনটি।
গতকাল সোমবার পৌনে ১২টার দিকে চতুর্থ দিনের মতো মধুর ক্যানটিনে গিয়েছিলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। নেতা-কর্মীদের নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী। বেলা ১টা পর্যন্ত তাঁরা মধুর ক্যান্টিনে ছিলেন।
১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। এক প্রশ্নের জবাবে আকরাম বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে ইতিবাচক থাকতে চাই। আমরা এখনো টেকসই সহাবস্থান বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের কাছে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়ে আচরণ অব্যাহত রাখে,এ  বৈরী আচরণের আমরা প্রতিবাদ জানাব। কিন্তু আমাদের সর্বশেষ অবস্থান, ডাকসু নির্বাচনের প্রতিটি ধাপের শেষ পর্যন্ত আমরা ইতিবাচক থাকতে চাই।
 টেকসই সহাবস্থান নিশ্চিতে নির্বাচন তিন মাস পেছানো, বয়সসীমা বাতিল, হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র, নির্বাচন ঘিরে গঠিত কমিটিগুলোর পুনর্গঠন করে নিরপেক্ষ শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও ডাকসুর পুনঃতফসিল দাবি করেন আকরাম। তিনি বলেন, ডাকসুকে রাষ্ট্রক্ষমতার মতো দখল করার অভিপ্রায়ে প্রশাসন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারদের মতো আচরণ করলে সেটি হবে দুঃখজনক। দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এর আগে প্রায় নয় বছর পর গত বুধ, বৃহস্পতি ও শনিবার মধুর ক্যানটিনে গিয়েছিলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। প্রথম দিন ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন অবশ্য তেমন কিছু ঘটেনি৷ আজ চতুর্থ দিনের মতো মধুর ক্যানটিনে এলে তাদের ঘিরে স্লোগান দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে লাইব্রেরি কমপ্লেক্সের দাবিতে ছাত্রলীগের মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা যোগ দিলে স্লোগান বন্ধ হয় এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বেলা একটা পর্যন্ত মধুর ক্যানটিনে নির্বিঘেœ সময় কাটান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ