ঢাকা, বৃহস্পতিবার 21 February 2019, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ৫ কাউন্সিলর বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখার পরামর্শ

স্পোর্টস রিপোর্টার : বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নির্বাচন নিয়ে ক্রীড়াঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নির্বাচন কমিশন গঠন করে দিলেও তারা এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি। নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশনের নির্দেশের পর এক দফা সময় বাড়িয়ে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন গঠনতন্ত্র ও হালনাগাদ করা কাউন্সিলর তালিকা জমা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে। দেশের তৃতীয় প্রধান এই ফেডারেশনের নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মো. শাহ আলম সরদার বলেছেন, মার্চের শেষ কিংবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে হবে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নির্বাচন। সহসাই তফসিল ঘোষণা হবে। হকি ফেডারেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলর ৮৫ জন। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত ৫ জন। প্রতি নির্বাচনে এই ৫ কাউন্সিলরই চলে আসেন আলোচনার শীর্ষে। ২০১৩ সালে এক তরফা নির্বাচন হওয়ার প্রধান কারণ ছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত এই ৫ কাউন্সিলর। ৫ জনের ৩ জনই ছিল আবাহনী ঘরানার। দুইজন ছিলেন স্পন্সর হিসেবে। প্রতিবাদে একটি পক্ষ সেবার নির্বাচন বর্জন করেছিল। ২০১৭ সালে স্থগিত হওয়া নির্বাচনের আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যে ৫ কাউন্সিলর মনোনীত করে সেখানে আবাহনীর আবদুস সাদেক ও মোহামেডানের শফিকুল ইসলাম লিটুকে রেখে বাকি ৩ জন রেখেছিল স্পন্সর হিসেবে। অতীতের তীক্ত অভিজ্ঞতায় বিতর্কের ঊর্ধ্বেই রাখা হয়ে আলোচিত এই ৫ কাউন্সিলরের তালিকা।

আসন্ন নির্বাচনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কোন ৫ জনকে কাউন্সিলর মনোনীত করবে, তা নিয়ে এবার আগেভাগেই আলোচনা শুরু। পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ যাতে গ্রহণযোগ্যভাবে এই ৫ জনের নাম দেয় ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে সে দাবিও তোলা হয়েছে। জাতীয় হকি দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কামরুল ইসলাম কিসমত বলেন, ‘আমরা চাই দেশের চার প্রধান ক্লাব মোহামেডান, আবাহনী, ঊষা এবং মেরিনার্সের একজন করে প্রতিনিধি এবং একজন স্পন্সর হিসেবে কাউন্সিলর করুক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তাতে বিতর্ক থাকবেনা।’ এ প্রসঙ্গে হকি ফেডারেশনের নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশনের প্রধান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মো. শাহ আলম সরদার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি এখনো কাউন্সিলর তালিকা হাতে পাইনি। তবে জেনেছি তারা পরিষদে তালিকা জমা দিয়ে গেছে। আমরা কমিশনের সবাই বসে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে থেকে কারা কাউন্সিলর হবেন সে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার চেয়ারম্যান মহোদয়ের (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল)। তার সঙ্গে কথা বলেই আমরা নাম চূড়ান্ত করবো।’ উল্লেখ্য বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছিল ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই। তার প্রায় ৬ মাস পর গত বছর ১১ জানুয়ারি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মেয়াদ শেষ হওয়া কমিটি বিলুপ্ত করে গঠন করে অ্যাডহক কমিটি। সেই অনির্বাচিত কমিটি দিয়েই চলছে দেশের হকি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ