ঢাকা, রোববার 22 September 2019, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

নির্বাচনের ‘অনিয়ম’ নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি

সংগ্রাম অনলাইন : দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘অনিয়মের চিত্র’ তুলে ধরতে শুক্রবার সকালে গণশুনানি শুরু করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ গণশুনানি দুপুর ১টায় এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বিকাল ৪/৫ টা পর্যন্ত চলবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরপর নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। এছাড়া নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্যানেল গণশুনানি পরিচালনা করছেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, সাবেক বিচারক আকম আনিসুর রহমান খান, অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ।

গণশুনানির শুরুতে ড. কামাল হোসেন বলেন, তাঁরা বিচারক নন। বিচার করার ক্ষমতা তাঁদের নেই। বিচার হবে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে। গণশুনানিতে যে বক্তব্য আসবে, তা পরবর্তী সময়ে বই আকারে প্রকাশ করার কথা জানান কামাল হোসেন।

৩০ ডিসেম্বর প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে দাবি করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকায় সরকার যা ইচ্ছা তাই করছে। এ জন্য সরকারকে জবাবদিহিও করতে হয় না।

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রেজা কিবরিয়া অভিযোগ করে বলেন, সাদাপোশাকে তাঁর কর্মীদের তুলে নেওয়া হয়। নির্বাচনের দেড় মাস আগে থেকেই কর্মীরা বাড়িছাড়া হয়েছেন।

গণশুনানিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও ঐক্যফ্রন্টের সিনিয়র নেতারা এবং বিভিন্ন জোটের কর্মী-সমর্থকরা অংশ নিয়েছেন।

এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হলেও ওই দিন রাজধানীতে কোনো জায়গার ব্যবস্থা না হওয়ায় তা দুদিন এগিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ