ঢাকা, শনিবার 23 March 2019, ৯ চৈত্র ১৪২৫, ১৫ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রদান করুন 

সংগ্রাম অনলাইন :  গত ২০ ফেব্রুয়ারী বুধবার দিবাগত রাতে পুরান ঢাকার চকবাজারে পাঁচটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে এখন পর্যন্ত ৮১ জন নিহত এবং আরোও বহুসংখ্যক মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে এক যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

গত শুক্রবর দেয়া যুক্ত বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারী বুধবার দিবাগত রাতে পুরান ঢাকার চকবাজারে পাঁচটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে এখন পর্যন্ত ৮১ জন নিহত এবং আরোও বহুসংখ্যক মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে হতাহত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং মর্মাহত। এ অনাকাঙ্খিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান ও এজাতীয় দুর্ঘটনার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেইসাথে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দান ও আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানের জন্য এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে কেমিক্যালের দোকান ও গুদাম সরিয়ে নেয়ার জন্য আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। 

নেতৃবৃন্দ অগ্নিকান্ডে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোআ করেন, আল্লাহ যেন অগ্নিকান্ডে নিহতদের নেক আমল সমূহ কবুল করে তাদেরকে জান্নাতবাসী করেন এবং তাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনকে সবর করার তৌফিক দান করেন। এসময় আহতদের দ্রুত আরোগ্যের জন্যও আল্লাহর কাছে তারা দোয়া করেন। 

সরকারের ব্যর্থতা, দায়িত্বহীনতা ও অব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ রাজধানীবাসী ন্যূনতম নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। রাজধানী ঢাকার সংকটের শেষ নেই, একটি সমস্যা অন্যটিকে ত্বরান্বিত করছে। ফলে প্রতিনিয়ত পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং রাজধানী ঢাকা ক্রমেই বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। ২০১০ সালে পুরনো ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে শতাধিক মানুষ পুড়ে নিহত হবার ঘটনার পর উচ্চমাত্রার দাহ্য পদার্থ মজুতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিলো। তারপরেও চকবাজারে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। মুলত দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে চরম সমন্ধয়হীনতার জন্য সরকারের ব্যর্থতাই দায়ী। অবিলম্বে চিন্হিত সমস্যা সমুহের আশু সমাধান করে রাজধানীকে বাসযোগ্য করার লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন সরকার, সিটি কর্পোরেশন সহ সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান সমূহকে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ