ঢাকা, মঙ্গলবার 26 February 2019, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৫, ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষাকে দুর্বল করা হয়েছে -সুশীল ফোরাম

গতকাল সোমবার ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্র্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া ও মুনাজাত করেন পরিবারের সদস্যরা -সংগ্রাম

পিলখানা হত্যাকান্ড দিবসে রাজধানীর এক হলরুমে গতকাল সুশীল ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফোরামের সভাপতি মোঃ জাহিদ বলেন, ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ রাইফেলস এর সদস্যরা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা পিলখানা এলাকায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে বিডিআর থেকে সেনাবাহিনী কর্মকর্তাদের কর্তৃত্বের অবসান, রেশন ও বেতন বৈষম্য দূর করাসহ বেশকিছু দাবিতে স্বশস্ত্র বিদ্রোহ করে। বিডিআর এর প্রায় ১৫,০০০ সদস্য সম্মিলিতভাবে তাদের উর্ধ্বস্থানীয় ৫৭জন কর্মকর্তাকে হত্যা এবং কয়েকজনকে জিম্মি করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের এত জন সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়নি পিলখানা হত্যাকান্ডে যতজন সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে। এই সকল অফিসার ছিল জাতির গর্বিত সন্তান। যারা আগামী দিনে জাতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে জাতিকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেত।
ফোরামের সভাপতি মোঃ জাহিদ আরো বলেন, দেশ স্বাধীন হল ৫৭ জন সেনা অফিসারের জীবনের নিরাপত্তা আমরা দিতে পারিনি। তাই সাধারণ জনগণ ও নিহত সেনা অফিসারের পরিবারের সদস্যদের মনে প্রশ্ন জাগে দেশ স্বাধীন হল ৫৭ জন সেনা অফিসার কতটুকু স্বাধীনতার সুফল ভোগ করল। আজ যদি জাতির সামনে দাঁড়িয়ে নিহত সেনা অফিসারদের স্ত্রী, সন্তান ও তাদের বাবা-মা প্রশ্ন করে, দেশ স্বাধীন হল আমার বাবা/স্বামী/সন্তান এর কি লাভ হল। ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সেনা অফিসার হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষাকে দুর্বল করা হয়েছে। যার কারণে সীমান্তে প্রতিদিন পাখির মত ফেলানীসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। যার কোন বিচার হচ্ছে না। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সিনিয়ার সহ-সভাপতি এস এম শহিদুল্লা, বক্তব্য রাখে সুশীল ফোরামের নেতা মোঃ কামাল হোসেন খান, আঃ মান্নান তরুন, ছানোয়ার হোসেন সাহেদ, কামরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ