ঢাকা, মঙ্গলবার 5 March 2019, ২১ ফাল্গুন ১৪২৫, ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি ইন্দোনেশিয়ার

৪ মার্চ, টিআরটি ওয়ার্ল্ড : অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিতে উপনীত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। গতকাল সোমবার জাকার্তায় কয়েক বিলিয়ন ডলারের এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই দেশের মন্ত্রীরা এক উভয় দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্ক স্থাপনের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন, যদিও পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিকতায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেয় অস্ট্রেলিয়া। এ সময় ইসরায়েলে নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে মুসলিম অধ্যুষিত প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়ায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাসের উত্তেজনার পর শেষ পর্যন্ত গতকাল সোমবার বহুল প্রতীক্ষিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিতে উপনীত হয় দুই দেশ। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উল্লেখ রয়েছে। নয় বছর ধরে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল সোমবার চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ইন্দোনেশিয়ায় গবাদি পশু ও ভেড়া বিক্রিতে বাড়তি সুবিধা পাবে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং খননকাজের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই ইন্দোনেশিয়ার ২৬ কোটি মানুষের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাড়তি সুবিধা পাবে ইন্দোনেশিয়ার টেক্সটাইল খাত। এছাড়া জাকার্তার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় কাঠ, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রি এবং ঔষধজাত পণ্যের রফতানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী সাইমন বার্মিংহাম এ চুক্তিকে দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার এক নতুন অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী এনগারতিয়াস্তো লাকিতা বলেন, এটি দুই দেশের সম্পর্কে একটি চমৎকার মুহূর্ত। উভয় দেশের অর্থনীতিতেই এ চুক্তি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ