ঢাকা, মঙ্গলবার 5 March 2019, ২১ ফাল্গুন ১৪২৫, ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীদের এমপিও প্রদান করার দাবি

বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীগণের এমপিও প্রাপ্তির দাবিতে গতকাল সোমবার এমপিও বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সমাবেশ ও মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার : দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমপিও প্রদান করার দাবি জানিয়েছে, এমপিও বঞ্চিত শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তারা এই দাবি জানায়। সংগঠনের আহ্বায়ক মো: আব্দুর রবসহ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের আহ্বায়ক মো: আব্দুর রব বলেন, আদালতের রায়ে বন্ধ হওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নিয়ে যাঁরা  বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের সনদের বৈধতা দেওয়ার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির হাতে অর্পণ করা হয়েছে। তারা সনদ বৈধ ঘোষণা করলে বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে এই মর্মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা সনদের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং ওই সনদের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তসংক্রান্ত সব কার্যক্রম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর গ্রহণ করবে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আদালতের রায়ে বন্ধ হওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা প্রায় তিন হাজার বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী বর্তমানে এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন। আবার অনেকে আছেন যাঁদের দারুল ইহসানের সনদ রয়েছে অথচ এমপিওভুক্তির আবেদন করেননি। কারোরই আর এখন এমপিও পেতে বাধা নেই। অথচ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এমপিওভুক্তি প্রদান করা হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১৩টি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এই নামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি না দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে বলা হয়, দারুল ইহসান কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়। তবে সনদ অবৈধ ঘোষণা করেননি আদালত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ