ঢাকা, শুক্রবার 8 March 2019, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৫, ৩০ জমাদিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নবাব সিরাজ ও অন্ধকূপের কল্পকথা

সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা : শহীদ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইতিহাসের এক ভাগ্যাহত বীর। ১৭২৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রূপসী বাংলায় এই প্রবাদ পুরুষ জন্মগ্রহণ করেন। চার চারটি যুদ্ধের সফল মহানায়ক শহীদ সিরাজ একটি ষড়যন্ত্রমূলক ও প্রহসনের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মর্মান্তিকভাবে শহীদ হয়েছিলেন। আর এই ষড়যন্ত্রের কুশীলব ছিলেন মীর জাফর, জগৎশেট ও উমিচাঁদ গংরা। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসে শহীদ সিরাজের চেতনার যেমন মৃত্যু হয়নি, তেমনিভাবে ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রও অব্যাহত রয়েছে। পলাশীর ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের ক্ষমার অযোগ্য অপরাধকে কিছুটা হলেও লঘু করার জন্যই এই বীর শহীদের চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালিয়েছে। ফরমায়েসী লেখক-গবেষকের মাধ্যমে বিভিন্ন কল্পকাহিনীও রচনা করা হয়েছে। কিন্তু ঐতিহাসিক বিশ্লেষণে ও সত্যের মানদ-ে তা প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়নি। শহীদ সিরাজের সার্থকতা সেখানেই।

মূলত ষড়যন্ত্রকারীরা অতীতে যেমন সক্রিয় ছিল, এখনও আছে এবং আগামী দিনেও থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যে কত নীচে নেমেছিল তা শ্রী সুধীর কুমার চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য থেকে খুবই পরিষ্কার। কারণ, তিনি তার লেখায় মিথ্যাচারের সকল সীমা অতিক্রম করেছিলেন। সিরাজ সম্পর্কে তিনি লেখেন, ‘সিরাজ অতিরিক্ত নিষ্ঠুর প্রকৃতির লোক ছিলেন। তিনি প্রায় নদীতে বন্যার সময় নৌকা হতে আরোহী উল্টিয়ে দিয়ে বা ডুবিয়ে দিয়ে এক সঙ্গে এক দুই শত যুবক, যুবতী, স্ত্রী, বৃদ্ধ, শিশু, সাঁতার না জেনে জলে নিমজ্জিত হওয়ার নিষ্ঠুর দৃশ্যটি উপভোগ করে আনন্দ লাভ করতেন’। মানসিক বিকারগ্রস্ত না হলে কোন সুস্থ মানুষের কাছে এমন নিম্নমানের অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য হওয়ার কোন কারণ থাকতে পারে না। শহীদ নবাব সিরাজ ছিলেন অত্যন্ত প্রজাবৎসল, হৃদয়বান ও দয়ালু প্রকৃতির মানুষ। কিন্তু লেখক তার বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিত্বকেই বিতর্কিত করেছেন।

শহীদ নবাবকে অন্ধকূপের কথিত হত্যাকা-ের জন্য দায়ী করা হয়। কিন্তু ইতিহাসের চুলচেরা বিশ্লষণ ও বাস্তবতার আলোকে এ অভিযোগ কল্পনাপ্রসূত ও অসার বলেই প্রমাণিত। অভিযোগ করা হয় যে, কোলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের অভ্যন্তরে জানালাবিহীন ক্ষুদ্রাকৃতির একটি কামরায় ইংরেজকে কারারূদ্ধ করা হয়েছিল। অমানবিক পরিবেশের কারণে এক রাতেই ১২৩ জনের মৃত্যু ঘটেছিল বলে দাবি করেছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারী জন যেফানিয়াহ হলওয়েল (জন্ম-১৭১১-মৃত্যু-১৭৯৭) তার লিখিত ইন্ডিয়া ফ্যাক্টস্? নামক গ্রন্থে। তিনি নিজেকে কথিত অন্ধকূপ থেকে বেঁচে যাওয়া একজন বলে দাবিও করেছিলেন।

দৈর্ঘ্যে ২৪ ফুট এবং প্রস্থে ১৮ ফুট একটি কামরায় ১৪৬ জন মানুষকে আটক রাখা মোটেই বাস্তবসস্মত ছিল না। এমনকি সমসাময়িক ইতিহাসে এই ঘটনার কোনো বিবরণ পাওয়া যায় না। পরবর্তীতে ব্রিটিশ ঐতিহাসিকরা নবাবকে নির্দয়, উদ্ধত, স্বেচ্ছাচারী প্রমাণ করতে হলওয়েল বর্ণিত কাহিনীটি গ্রহণ করেছেন। অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর সিরাজদ্দৌলা (১৮৯৮) শীর্ষক গবেষণা গ্রন্থে যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে এই কাহিনীর অসারতার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে মার্চ এশিয়াটিক সোসাইটিতে এক সভায় অন্ধকূপ হত্যা অলীক ও ইংরেজ শাসকগোষ্ঠীর মিথ্যা প্রচার বলে প্রমাণ করেন।

অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা। সে সময় থেকে প্রায় অর্ধশতাব্দী পর্যন্ত বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয়নি। পরবর্তীকালে হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া (১৮৫৮) গ্রন্থের প্রণেতা ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জেমস মিলের লেখাতেই বিষয়টি প্রথম গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। তারপর থেকে এর ওপর এত বেশি আলোকপাত করা হতে থাকে যে পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭) এবং সিপাহি বিপ্লব (১৮৫৭) এর পাশাপাশি এ কাহিনীও ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ইংল্যান্ডের স্কুল ছাত্রদের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।

উল্লেখ, ১৭৫৬ সালের ১৬ জুন ত্রিশ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে কোলকাতা জয়ের লক্ষ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়ামের প্রবেশদ্বারে উপনীত হন। দু’দিন যুদ্ধের পর ইংরেজ গভর্নর রজার ড্রেক ১৯ জুন দলের বড় অংশ নিয়ে ফুলতা পালিয়ে যান। হলওয়েল ইউরোপীয় এবং আর্মেনীয় সেনা ছাড়াও প্রায় ১৭০ জন শ্বেতাঙ্গ সৈন্যের একটি দল নিয়ে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে থেকে যান এবং যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন। কিন্তু নবাবের বন্দুকী সৈন্যরা তাকে সফল হতে দেয়নি। ২০ জুনের সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যুদ্ধে ২৫ জন ইংরেজ সৈন্য নিহত এবং ৭০ জন আহত হয়।

ফলে হলওয়েল আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। রাতের দিকে কিছু বন্দী সৈন্যরা নবাব বাহিনীর প্রহরীদের আক্রমণ করলে নবাব অভিযুক্তদের আটক রাখতে নির্দেশ দেন। হলওয়েল অভিযোগ করেন যে, নবাব বন্দীদের একটিমাত্র ক্ষুদ্র জানালাবিশিষ্ট ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪ ফুট ১০ ইঞ্চি প্রস্থবিশিষ্ট একটি কক্ষে আটকে রাখেন এবং জুনের প্রচ- গরমের সে রাতে ইউরোপীয় ও ইংরেজ বন্দীদের ওই অন্ধকূপে ঠাসাঠাসি করে থাকতে বাধ্য করা হয়। ফলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে এবং যুদ্ধাহত অবস্থায় অনেকেরই মৃত্যু হয়। ১৪৬ জনের মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১২৩ জন বলে ইউরোপে প্রচার করা হয়।

এই ঘটনা হলওয়েল অতিমাত্রায় অতিরঞ্জন করেছিলেন বলে জানা যায়। নবাব এসব বন্দীদের সাথে মানবিক আচরণ করেছিলেন বলেই প্রমাণিত। বন্দীরা নবাবের সৈন্যদের ওপর হামলা করে বসে। তাই তাদেরকে হত্যা করাই অধিক যুক্তিযুক্ত ছিল। কিন্তু নবাব তা না করে তাদেরকে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরদিন হলওয়েল ও ইংরেজ কোম্পানির অপর তিন জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ছাড়া সকল আটকাধীন ইংরেজ সৈন্যকে মুক্তি দেয়া হয়।

নবাব হলওয়েল ও এ তিন জন শীর্ষস্থানীয় ইংরেজ কর্মকর্তাকে মুর্শিদাবাদের কারাগারে বন্দী রাখার নির্দেশ দেন। কিন্তু কয়েকদিন পর নবাব তাদের মুক্তি দেন। মূলত ইউরোপীয় বা ইংরেজ মহল থেকে মৃতের যে সংখ্যা দাবি করা হয়েছে তা স্পষ্টতই অতিরঞ্জন। আসলে আত্মসমর্পণের সময় থেকে ইউরোপীয় এসব যুদ্ধবন্দীদের অন্ধকূপে স্থানান্তরের সময় পর্যন্ত কিছ সংখ্যক ইউরোপীয় বা ইংরেজ সৈন্য পালিয়ে যায় বলে কোনো কোনো ঐতিহাসিক মত প্রকাশ করেন।

অন্ধকূপে বন্দী ইউরোপীয় বা ইংরেজ সৈন্যদের সংখ্যার দাবিতে যে অতিরঞ্জন পরিলক্ষিত হয় তা পন্ডিত ভোলানাথ চন্দ্রের বৈজ্ঞানিক এবং যুক্তিনির্ভর পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়। ভোলানাথ প্রমাণ করেছিলেন যে, অন্ধকূপের ২৬৭ বর্গফুট আয়তন ১৪৬ জন পূর্ণবয়স্ক ইউরোপীয় সৈন্যের ধারণ ক্ষমতার বাইরে ছিল। তিনি ১৮ ফুট-১৫ ফুট আয়তনবিশিষ্ট একটি স্থানকে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে সেখানে ইউরোপীয়দের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির ১৪৬ জন বাঙালি কৃষককে ঠাসাঠাসি করেও ঢোকাতে তিনি ব্যর্থ হন। ইউরোপীয় বা ইংরেজদের তুলনায় শারীরিক দিক থেকে খর্বকায় সমসংখ্যক বাঙালিকেও তথাকথিত অন্ধকূপের নির্দিষ্ট আয়তনে প্রবেশ করানো সম্ভব ছিলো না। ফলে নবাবের বিরুদ্ধে অন্ধকূপ হত্যার যে কাহিনী প্রচার করা হয়, তা রূপকথার কাহিনীকেও হার মানায়।

ঔপনিবেশিক শক্তির বিজয়ী হওয়া এবং টিকে থাকার অনিবার্য উপায়টি হলো দেশপ্রেমিক শক্তি ও ব্যক্তির চরিত্র হনন করা। নবাব সিরাজউদ্দৌলার ক্ষেত্রে ইংরেজরা এ কাজটি সার্থকভাবেই করতে সক্ষম হয়েছিল। ১৭৫৭ সালের ১ মে অনুষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম সিলেক্ট কমিটির বৈঠকের ধারাবিবরণী থেকে জানা যায়, এই বৈঠকে সিরাজকে উৎখাতের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক পলাশীর যুদ্ধের পর নানাভাবে ইংরেজরা সিরাজের চরিত্র হননের ধারা চালু রেখেছিল। ইতিহাস রচনায় নিয়োগ করা হয়েছিল ফরমায়েসী ও বশংবদ লেখকচক্র। কিন্তু তারা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ‘অন্ধকূপ হত্যাকা-’সহ সিরাজের বিরুদ্ধে যত গুরুতর  অভিযোগ তার প্রায় শতভাগই মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অতিরঞ্জিত। বাঙালি ঐতিহাসিকদের মধ্যে একেবারে হাতে-কলমে এ কথাটি প্রমাণ করেছেন অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়।

তার লেখা ইতিহাস গ্রন্থের আলোচনা প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ সিরাজউদ্দৌলা সম্পর্কে লিখেছেন ‘...দ্বন্দ্বের হীনতা মিথ্যাচার প্রতারণার উপরে তাঁহার সাহস ও সরলতা, বীর্য ও ক্ষমা রাজোচিত মহত্ত্বে উজ্জ্বল হইয়া ফুটিয়াছে।’ কর্নেল ম্যালিসনের বিখ্যাত উক্তিটির উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘সেই পরিণাম দারুণ মহানাটকের প্রধান অভিনেতাদের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলাই একমাত্র লোক যিনি প্রতারণা করিবার চেষ্টা করেন নাই।’ অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়ের ‘সিরাজদ্দৌলা’র আলোচনা প্রসঙ্গে রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘অকালে ঘটনার চক্রে তাঁহার মৃত্যু না ঘটিলে তিনি সম্ভবত রাজকর্মকুশল প্রজারঞ্জক রাজা হইতে পারিতেন।’ কবি কাজী নজরুলের ভাষায়, ‘হিন্দু-মুসলমানের প্রিয় মাতৃভূমির জন্য নবাব সিরাজউদ্দৌলা সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। সর্বোপরি বাংলার মর্যাদাকে তিনি ঊধর্ধ্বে তুলিয়া ধরিয়াছিলেন এবং বিদেশি শোষণের কবল হইতে দেশকে রক্ষা করিবার জন্য আপনার জীবন-যৌবনকে কোরবানি করিয়া গিয়াছেন।’ অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়ের মতে ‘ইংরেজ বাঙালি সত্যের সম্মান রক্ষার্থে সরলভাবে আত্মোপরাধ স্বীকার করিতে সম্মত হইলে সকলকেই বলিতে হইবে, Siraj-ud-doula was more unfortunate than wicked.’

ভারতীয় ইতিহাস লেখকদের কেউ কেউ শহীদ নবাব সিরাজের যথাযথ মূল্যায়ন করতে দীনতা ও সংকীর্ণতার পরিচয় দিয়েছেন। কলকাতার পাক্ষিক দেশ পত্রিকার সম্পাদক হর্ষ দত্ত পত্রিকাটির ১৭ এপ্রিল ২০১১ সংখ্যার শেষ পৃষ্ঠার ‘শেষ কথা’ নামের কলামে ‘কবে যে আমরা পুরোপুরি ইতিহাসমনস্ক হব!’ শিরোনামের লেখায় সিরাজউদ্দৌলাকে ‘অত্যাচারী ও অপরিণামদর্শী’ বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আশার কথা হলো গিরিশচন্দ্র ঘোষ, সচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে সিকান্দার আবু জাফর, সাঈদ আহমদ পর্যন্ত নাট্যকাররা ইংরেজদের চোখ দিয়ে সিরাজকে দেখেননি বরং তারা প্রত্যেকেই নবাব সিরাজকে জাতীয়তাবাদী বীর, ধর্মপ্রাণ ও প্রজাবৎসল শাসক হিসেবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

হর্ষ দত্ত শহীদ সিরাজের চরিত্র নিয়ে যেসব কথা বলেছেন ইতিহাসের নিরপেক্ষ মানদ-ে তার কোন গ্রহণযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায় না। কাজী নজরুল ইসলাম পলাশীর যুদ্ধকে ইঙ্গিত করে লিখেছেন, ‘ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায় ভারতের দিবাকর’। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, হর্ষ দত্তরা এখনও সংকীর্ণ বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি বরং তাদের পূর্বসূরি হেমচন্দ্র-নবীনচন্দ্রের মতো সামপ্রদায়িক বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে ইংরেজদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। (চলবে)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ