ঢাকা, বুধবার 13 March 2019, ২৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ৫ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

যুক্ত হলো নতুন নাম আক্তারুজ্জামান

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী : সরকারের সেবাদাস উচ্ছিষ্টভোগীদের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. আক্তারুজ্জামানের নাম আগে থেকেই লিপিবদ্ধ ছিল। এখন সে নাম যুক্ত হলো বেঈমানদের তালিকায়। শুধু বেঈমান বললে যথেষ্ট বলা হয় না, তাকে বলতে হয় বিশ্বাসঘাতক। তিনি জাতীয় বেঈমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদার যোগ্য সহযোগী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। নূরুল হুদা প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে জাতীয় দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পদলেহী দৃষ্টিভঙ্গি না নিয়ে যদি সে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারতেন, তবে তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে থাকতে পারতেন। কিন্তু সেটা মিশনও ছিল না, ভিশনও ছিল না। আর তাই নিকৃষ্ট সিইসি হিসেবে তিনি বহুকাল ধরে নিন্দিত হতে থাকবেন। তবে সিইসি নূরুল হুদা উচ্ছিষ্টভোগী সাবেক আমলা। বাংলাদেশে এদের চারিত্রিক দৃঢ়তার নজির বিরল। এদের কোনো আদর্শ নেই। তাই দেখা যায়, আমলাতন্ত্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর তারা রাজনীতিতে সুবিধা নিতে চায়। অবসরের পরপর যে দল ক্ষমতায় থাকে, সে দলে ভিড়বার জন্য মরিয়া হয়ে যায়। নূরুল তার ওপর প্রবল দলকানা। আমরা আদর করে যাদের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বলি, তিনি সে রকম তুলসীপাতা কখনও ছিলেন না। ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি’ থাকা অবস্থাতেই ছিলেন চরম দলদাস। সে বদভ্যাস এখনও তার পুরো দমে রয়েই গেছে।
নূরুল হুদার নেতৃত্বে দলকানাদের নিয়ে গঠিত এই নির্বাচন কমিশন এ পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন করেছে, তার কোনোটাই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে ছিল না। নির্বাচনে সরকারি দলের তথা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের জেতাতে হেন কোনো অপকর্ম নেই, যা এই নির্বাচন কমিশন করেনি। নির্বাচন কমিশনের শত কারসাজি সত্ত্বেও দু’এক জায়গায় জিতেছে বিরোধী দলের প্রার্থী। সেটা নির্বাচন কমিশনের সে কি আহ্লাদ। সেটাকে কর্মির ছানার মতো দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেছে ইসি। বলেছে, আমরা যদি নিরপেক্ষ না হতাম, তা হলে কী করে জিততে পারত বিরোধী দলীয় প্রার্থী। অর্থাৎ জনগণের ভোট নয়, নির্বাচন কমিশনের দয়াতেই পাশ- ফেল নির্ধারিত হয়। সরকার যেমন জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চেয়েছে, তেমনিভাবেই নির্বাচন কমিশন ‘নূপুরের মতো বেজেছে চরণে চরণে।’ ফলে বাংলাদেশে নির্বাচন এখন হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন। এই নির্বাচন বর্জন করেছে ভোটাররা। এ নির্বাচন উপলক্ষে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের শত রকম কোশেশ করেছে নির্বাচন কমিশন। যেটা তারা শুরু করেছিল ৩০ ডিসেম্বরের ভুয়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। কারণ তারা সরকারের সঙ্গে যোগসাজসে আগে থেকেই জানতো যে, ঐ নির্বাচনে কী ধরনের কারচুপি জালিয়াতি করা হবে। বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর মামলা-হামলা চালিয়ে, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে হবে। কমিশন জানত, এ কাজ তাদের নয়। তারা জনগণকে ভয় দেখাতে পারবে না। সে দায়িত্ব দেওয়া পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর। তারা আগের রাতেই অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাতেই জাল ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে রাখবে। করাও হয়েছে তাই। ৩০ ডিসেম্বর শুধু ভোটের নিয়ম রক্ষা করা হবে। সে ক্ষেত্রেও সিইসির যোগসাজসে বিরোধী দলের অন্তত দেড় ডজন প্রার্থীর ওপর শারীরিক হামলা চালানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছে, কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার গরজ অনুভব করেনি। আবার ভোট কেন্দ্রে অবৈধ চায়ের বিরতি, লাঞ্চের বিরতি দিয়ে জাল ভোট মারা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ৬ বুথের চার বুথ বন্ধ করে জালভোট দেওয়া হয়েছে দিনভর, কমিশন চোখে ঠুলি এঁটে বসে ছিল, কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার গরজ অনুভব করেনি। এরপর ভোট কেন্দ্রের সামনে সরকারি দলের পান্ডারা অকারণে জটলা করে সাধারণ ভোটারদের ভোটদানে বাধা দিয়েছে। কমিশন ‘চুপটি করিয়া বসিয়া’ থেকেছে। কোনো ক্ষেত্রেই কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। তারা শেষমেশ বলেই দিয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এবার বাচ্চে লোক, জনগণ বা ভোটার, তালিয়া বাজাও।
এই নির্বাচন কমিশন এখন সাধু সাজার চেষ্টা করছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হুদা সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে, নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা হয়েছিল। তার আগে কমিশনার কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আগের রাতে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করা হয়। আর কমিশনার মাহবুব তালুকদার আরও আগে থেকেই বলেছেন যে, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও সুষ্ঠু হয় না। কিন্তু সাধারণ মানুষের বা ভোটারদের প্রশ্ন হলো, নির্বাচনের আগের রাতেই যে ব্যালট বাক্স ভুয়া ভোট দিয়ে পূর্ণ করে রাখা হয়েছিল, সেটা কি তারা এতকাল পরে জানলেন। তারা এত দিন কোথায় ছিলেন? এ ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের স্বীকারোক্তি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। এবং আগামী নির্বাচনগুলোর জন্য অশনি সঙ্কেত। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন যে সুষ্ঠু হয়নি, এ কথা শুধু প্রধান বিরোধী দল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা বাম গণতান্ত্রিক জোটই বলেনি। বলেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের দুই শরিক শরীফ নূরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাসদ ও রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন ওয়ার্কার্স পার্টি। এদের দলের লোকেরাই নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন এবং কেউ কেউ নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশ জাসদ তাদের কাউন্সিল অধিবেশন করে বলেছেন, আগের রাতে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করা হয়েছে। কিছু ‘অতি উৎসাহী’ লোক এই কাজ করেছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছে। জাতীয় সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘যদি রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে, তাহলে রাজনৈতিক দল কেবল নির্বাচন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে। এটা যেমন আমাদের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি সরকারি দলের জন্যও তা প্রযোজ্য। নির্বাচনকে তাই যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে।’ মেনন যদিও আত্ম-বিলোপনকারী, তবু তার এ কথার গুরুত্ব আছে। ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ’ দেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে যে ফল ভালো হয় না, মন্ত্রিত্ব হারিয়ে মেনন তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন। রাশেদ খান মেনন বহুকাল আগেই শয়তানের কাছে আত্মা বিক্রয় করেছেন। তার জন্য বন্দরে নোঙ্গর করা কঠিন আছে। তবু এইটুকু সত্য উপলব্ধি করার জন্য তাকে ধন্যবাদ।
কিন্তু সেবাদাস মতলববাজ সিইসিকে কি ধন্যবাদ দেয়া যায়? তিনি বলেছেন, ‘আগামীতে ভোটে ইভিএম শুরু করে দেব? তাহলে সেখানে আর বাক্স ভর্তি করার সুযোগ থাকবে না। অর্থাৎ আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরার কথাটি তিনি স্বীকার করে নিলেন। তবে তার এই বক্তব্যে আরও উদ্বেগের সৃষ্টি হল। তিনি রাতের বেলায় ভোটের বাক্স ভরার একটা বিকল্প পথ দেখিয়েছেন ইভিএমের মাধ্যমে। এই ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) সারা বিশ্বে পরিত্যক্ত। সম্প্রতি ভারতীয় পার্লামেন্টে কীভাবে দূর নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে ইভিএম জালিয়াতি করা যায়, সেখানকার বিরোধী দল সেটা ডিসপ্লে করে দেখিয়েছে। সিইসি হুদা সেই বাতিল ব্যবস্থা প্রবর্তন করে আগামীতেও প্রয়োগ করতে চাইছেন। যেন তিনি চিরজীবী। অনন্তকাল ধরে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের দাসত্বই করে যেতে পারবেন। আওয়ামী লীগও চিরজীবী নয়। অর্থাৎ এবার রাতে ব্যালট বাক্স ভরার কাজটি যদি আগামীতে করা না যায়, তবে তার বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখছেন সিইসি হুদা।
সিইসির আরও কিছু কথা গুরুত্বপূর্ণ এবং চরম গণবিরোধী। ভোটে অনিয়ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐ আগের রাতের ভোটের জন্য ‘কারা দায়ী’ তাদের কী করা যাবে। সেই দীক্ষা-শিক্ষা দেয়ার ক্ষমতা-যোগ্যতা আমাদের কমিশনের নেই এবং সেভাবে বলারও সুযোগ নেই, কী কারণে হচ্ছে, কাদের কারণে হচ্ছে, কারা দায়ী।’ সংবিধানে নির্বাচন বিষয়ে কমিশনকে প্রভূত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যা অনেক দেশেই নেই। তারপরও তিনি যদি অনিয়মের জন্য কারা দায়ী তা বলতে না পারে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিতে পারে, তবে বলতেই হবে যে, তিনি চরম অযোগ্য অথবা নির্লজ্জ দলকানা। আর এ থেকে এ কথাও প্রমাণিত হয় যে, এই পদে বসার ন্যূনতম যোগ্যতাও তার নেই। অতএব তার বিদায় হওয়াই ভাল। কিন্তু বেহায়া সব সময় বলে, রাজ্যই আমার। আর তাই জনগণ গলা ধাক্কা না দিলে এই সিইসির বিদায় হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।
এই নষ্ট লোকদের সারিতে নতুন করে যুক্ত হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর আক্তারুজ্জামান। ২৮ বছর পর গত ১১ মার্চ আদালতের নির্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। সে নির্বাচনে চা-চ্ছমুচার তাত্ত্বিক আক্তারুজ্জামান সিইসি নূরুল হুদার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন। এ রকমই অনেকে আশঙ্কা করেছেন। সরকার সমর্থক ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য ছাত্র সংগঠন দাবি করেছিল যে, ভোটের আয়োজন হলে না করে প্রশাসনিক ভবন ও অন্যান্য ভবনে করা হোক। হলে আয়োজন হলে, সেখানে নির্বিঘেœ ভোট দানের পরিবেশ থাকবে না। আসলেও থাকেনি। রোকেয়া হল ও কুয়েত মৈত্রী হলে বস্তা বস্তা সীলমারা ও সীল না মারা ব্যালট পাওয়া গেছে। আর এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন আক্তারুজ্জামানের প্রিয়ভাজন শিক্ষকেরাই। লজ্জার কথা এটাই, এখানেও হুদা কায়দায় পোলিং বুথের সামনে ডামি লাইন তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভোটাররা ভোট দিতে না পারে, সময় চলে যায়। প্রায় প্রতিটি ছাত্র হলের এই ছিল চিত্র। কুয়েত মৈত্রী হলের প্রভোস্ট শবনম জাহানের যোগসাজশে ছাত্রলীগের অনুকূলে ভোট দেয়া কয়েক বস্তা ব্যালট লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ছাত্রীরা তালাবদ্ধ রুম ভেঙে সে ব্যালট উদ্ধার করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য শবনম জাহানকে অব্যাহতি দিয়েছেন। কিন্তু কী দেখালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। এই শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দশা। যার কারণে ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, পাকিস্তান আমলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেনি। স্বাধীন  বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে ডাকসু নির্বাচনে তৎকালীন ছাত্রলীগ ব্যালট বাক্স ছিনতাই করেছিল। কিন্তু সেখানে কোনো শিক্ষক জড়িত ছিলেন না। এই আক্তারুজ্জামান গংই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন অধঃপতন ঘটিয়েছেন। নির্বাচন শেষে ছাত্রলীগ একটি মিছিল নিয়ে গিয়েছিল জিয়া হলে। হলের প্রভোস্ট জিয়া রহমান তাদের বলেন, যা হবার হয়ে গেছে। এবার যাও। সাবাস। একদিন এক টকশোতে দেখা হয়েছিল নবগঠিত এক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নব নিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলরের সঙ্গে। ফোনে তিনি কাউকে বলছিলেন যে, তোমার চাকরি তো হবেই। তুমি ছাত্রলীগ করেছ। তোমার অনেক অবদান আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও আমরা দেখেছি, কুষ্টিয়া থেকে ডেকে এনে চাকরি দেয়া হয়েছে অস্ত্রবাজকে। তিনি সেখানে পিস্তল চালানো প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার সচিত্র প্রতিবেদন পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। আমরা ছাত্রলীগ যোগ্যতার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োজিত শিক্ষকদের প্রকাশ্যে মঞ্চে মারামারি করতে দেখেছি। শিক্ষক বললে আমাদের সামনে যে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির চিত্র ভেসে ওঠে আক্তারুজ্জামানরা তা ধ্বংস করে দিয়েছেন।
আর তথাকথিত নির্বাচন শেষে সিইসি হুদার মতোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, ড. আক্তারুজ্জামান তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে বলেছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। যখন তিনি একথা বলছিলেন, তখন গোটা ক্যাম্পাস জুড়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মিছিল করছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ