ঢাকা, বুধবার 13 March 2019, ২৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ৫ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ডাকসুর ভিপি নূরুল হক নুর জিএস রাব্বানী

ডাকসু নির্বাচনে নূরুল হক নুর ভিপি ও গোলাম রাব্বানী জিএসসি ও সাদ্দাম হোসেন এজিএস নির্বাচিত -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নূরুল হক নুর। তিনি ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ১২৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা মো. রাশেদ খাঁন। তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩ ভোট। এ ছাড়া ১৮টি হলে স্বতন্ত্র থেকে ভিপি ৬, জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগ পেয়েছে।
গত সোমবার দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ২টায়।
সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ফারুক হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৯৬ ভোট।
এ ছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে সাদ বিন কাদের চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে আরিফ ইবনে আলী, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে লিপি আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে শাহরিমা তানজিম অর্নি, সাহিত্য সম্পাদক পদে মাজহারুল কবির শয়ন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে আসিফ তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে শাকিল আহমেদ তানভীর, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে শামস-ঈ-নোমান ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
১৩টি সদস্যপদে বিজয়ীরা হলেন- যোশীয় সাংমা চিবল (১২ হাজার ৫৬৮), মো. রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য (১১ হাজার ২৩২), তানভীর হাসান সৈকত (১০ হাজার ৮০৫), তিলোত্তমা সিকদার (১০ হাজার ৪৬৬), নিপু ইসলাম তন্বী (১০ হাজার ৩৯৩), রাইসা নাসের (৯ হাজার ৭৬৮), সাবরিনা ইতি (৯ হাজার ৪৫০), মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (৮ হাজার ৬৭৩), নজরুল ইসলাম (৮ হাজার ৫০৯), মোছা. ফরিদা পারভীন (৮ হাজার ৪৮৯), মুহা. মাহমুদুল হাসান (৭ হাজার ৯৭৮), মো. সাইফুল ইসলাম রাসেল (৭ হাজার ৮১২) ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সবুজ (৫ হাজার ৫১৭)।
নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এ ছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
১৮টি হলে স্বতন্ত্র ভিপি ৬ জিএস ৪, বাকিগুলো ছাত্রলীগের: ছাত্রলীগ ছাত্র হলগুলোতে আধিপত্য দেখাতে পারলেও ছাত্রী হলগুলোর ভিপি জিএস পদের অধিকাংশই চলে গেছে স্বতন্ত্র প্যানেলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দখলে। ছাত্রীদের পাঁচটি হলের মধ্যে শামসুন্নাহার, কবি সুফিয়া কামাল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী- এই তিনটি হলেই ভিপি-জিএস উভয় পদেই জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা। এছাড়াও ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের ভিপি পদটিও জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রিকি হায়দার আশা। এসব হলের অন্যান্য পদেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকে জয়ী হয়েছেন। আর ছাত্রদের অবশিষ্ট ১২টি হলের মধ্যে অমর একুশে হল ও ফজলুল হক হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এরা হচ্ছেন মেহেদী হাসান সুমন ও মাহমুদুল হাসান তমাল। এর বাইরে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের জিএস পদে জয় পেয়েছেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌফিকুল ইসলাম। বাকি হলগুলোর ভিপি-জিএসসহ বেশিরভাগ হলের সিংহভাগ পদে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
গত সোমবার ডাকসু নির্বাচন শেষে হলগুলোর নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা হল সংসদ রিটার্নিং অফিসাররা এই ফল ঘোষণা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট হলের সংখ্যা ১৯টি। এর মধ্যে স্যার ফিলিপ হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলটি বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য হওয়ায় এটি ভোটের আওতাধীন নয়। অবশিষ্ট ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নিচে সবগুলো হলের ফল:
শামসুন্নাহার হল : শামসুন্নাহার হলের ফল সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষেই ছিল। এখানে ভিপি, জিএস এজিএসসহ ১৩টি পদের ৮টিতেই স্বতন্ত্র প্যানেল জয়ী হয়েছে। বাকিগুলোতে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। হলটিতে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ তাসনীম আফরোজ ইমি, জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আফসানা ছপা, এজিএস ফাতিমা আক্তার। জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্যানেলটি ৮ জনেরই ছিল। এরা সবাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেলের শিক্ষার্থী।
অমর একুশে হল: অমর একুশে হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান সুমন। এই হলে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের প্যানেলের আহসান হাবীব। অন্য পদগুলোতেও ছাত্রলীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে।
ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল: ফলে চমক এসেছে ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলেও। এতে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী রিকি হায়দার আশা। তিনি ছাত্রলীগের প্রার্থী কোহিনুর আক্তার রাখিকে পরাজিত করেন। এই হলে সাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রলীগের সারা বিনতে জামাল জয়ী হন। এই হলে ১০ পদে ছাত্রলীগ জয়ী হলেও রিকির মতো সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তাসলিন হালিম মিম ও সাহিত্য সম্পাদক পদে খাদিজা জয়ী হন। এই দুজনও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হল: সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে সাইফুল্লাহ আব্বাসী অনন্ত। তিনি পেয়েছেন ১২৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোলায়মান ইসলাম পেয়েছেন ১২৬ ভোট। এই হলে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌফিকুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট। তার নিকটতম রিফাত উদ্দিন পেয়েছেন ৬৮০ ভোট।
জসীম উদ্দীন হল: ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত প্যানেলের ফরহাদ আলী। এই হলে জিএস নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের ইমাম হাসান।
হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল: সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ সমর্থিত প্রার্থী শহিদুল হক শিশির। তিনি পেয়েছেন ৭৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাকিল মিয়া পেয়েছেন ২১৭ ভোট। জিএস নির্বাচিত হয়েছেন একই প্যানেলের মেহেদী হাসান মিজান। তিনি পেয়েছেন ৬২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজান রহমান পান ২৫১ ভোট।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল: ভিপি পদে ছাত্রলীগের আকমল হোসেন ও জিএস পদে মেহেদি হাসান শান্ত নির্বাচিত হয়েছেন। আকমল হোসেন পেয়েছেন ৯৭৯ ভোট ও জিএস পদে মেহেদী হাসান শান্ত পেয়েছেন ৯৯৫ ভোট। এই হলের ১১টি ছাত্রলীগ জয়ী হলেও দুটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এরা হচ্ছেন সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ইয়াসির আরাফাত ও সদস্য পদে আতাউল্লাহ আরমান।
জিয়াউর রহমান হল: জিয়াউর রহমান হলে পূর্ণ প্যানেলে জিতেছে ছাত্রলীগ। এখানে ছাত্রলীগ থেকে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৮২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক হাসান পেয়েছেন ১৬৯ ভোট। এই প্যানেল থেকে জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন হাসিবুল হোসেন শান্ত। তিনি পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রায়হানুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট।
বিজয় একাত্তর হল: বিজয় একাত্তর হলে ১৩টি পদের সব কটিতেই জয়ী হয়েছে ছাত্রলীগ প্রার্থীরা। এই হলে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন সজিবুর রহমান এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন নাজমুল হাসান নিশান।
সলিমুল্লাহ্ মুসলিম হল: সলিমুল্লাহ্ মুসলিম হলেও পূর্ণ প্যানেলে জয়ী ছাত্রলীগ। এই হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোজাহীদ কামাল উদ্দীন (এম এম কামাল)। জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন জুলিয়াস সিজার ও এজিএস পদে জিতেছেন নওশের।
জগন্নাথ হল: জগন্নাথ হলে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে ছাত্রলীগ জয়ী হয়েছে। এই হলে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রলীগ উৎপল বিশ্বাস। জিএস পদে জয়ী হয়েছেন কাজল দাস।
সূর্যসেন হল: ভিপি পদে জিতেছেন ছাত্রলীগের মারিয়াম জামান খান সোহান। জিএস পদে জিতেছেন একই প্যানেলের সিয়াম রহমান। প্যানেলের বাইরে বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক পদে জুলহাস সুজন, সাহিত্য আল সাদী।
এ এফ রহমান হল: ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল জয়ী হয়েছে। এই হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল আলীম খান ও জিএস পদে জয়ী হয়েছেন আব্দুর রহীম।
শহীদুল্লাহ হল: ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন হোসাইন আহমদ সোহান। জিএস পদে জয়ী হয়েছেন ইরফানুল হাই সৌরভ। এই হলে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে জয়ী হয়েছে ছাত্রলীগ।
ফজলুল হক হল: ভিপিসহ পাঁচটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদুল হাসান তমাল। জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন মাহফুজুর রহমান। এই হলে স্বতন্ত্র থেকে বিজয়ী অন্যরা হচ্ছেন বহিরাঙ্গন ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার বাপ্পী, পাঠকক্ষ বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাকীব, সদস্য শামিম এবং মাহবুব। ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচিতরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাহফুজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) শাহিনুর, অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রওনক ইসলাম, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক রানা আরাফাত, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক আবু হাসিব ও দুজন সদস্য কাইছার ও রাফসান।
বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের হল বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদকসহ (জিএস) পাঁচ পদে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই হলে ভিপি হয়েছেন সুস্মিতা কুণ্ডু, জিএস হয়েছেন সাগুফতা বুশরা। বাকি আট পদে জিতেছেন ছাত্রলীগের প্যানেলের প্রার্থীরা। নির্বাচনে সাতটি পদে প্রার্থিতা রেখে স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে জয় পেয়েছেন পাঁচ জন। স্বতন্ত্র থেকে বিজয়ী অন্যরা হলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুন্নী আক্তার, সাহিত্য সম্পাদক সাহরীন সুলতানা ইরা ও অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া সম্পাদক জয়নব আক্তার।
বেগম রোকেয়া হল: ছাত্রীদের হল বেগম রোকেয়া হলে ভোট বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। এই হলে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। হলটির ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ইশরাত জাহান তন্বী। জিএস নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা আক্তার প্রমি এবং এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন ফাল্গুনি দাস তন্নি।
কবি সুফিয়া কামাল হল: ভিপি ও জিএস পদে জয় পেয়েছে স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা। এই হলে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীকে হারিয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন তানজিনা আক্তার সুমা। একইভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনিরা শারমিন নির্বাচিত হয়েছেন জিএস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ