ঢাকা, শুক্রবার 15 March 2019, ১ চৈত্র ১৪২৫, ৭ রজব ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ভুটানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

স্পোর্টস রিপোর্টার: দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্টত্বের লড়াইয়ে ভুটানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌচ্ছে গেল গত আসরের রানার্সআপ বাংলাদেশ দলের মেয়েরা। গতকাল বৃহস্পতিবার নেপালের বিরাটনগরের শহীদ রঙ্গসালা স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে।গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মিলল কাঙ্খিত গোল। শেষ দিকে দারুণ এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন সাবিনা খাতুন। ভুটানকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি-ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ।সাফে এ নিয়ে ভুটানের বিপক্ষে তৃতীয় এবং সব মিলিয়ে অষ্টম জয় পেল বাংলাদেশ।টানা দুই হারে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলো ভুটান। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল তারা।বাংলাদেশের জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে স্বাগতিক নেপালেরও সেরা চারে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। আগামীকাল শনিবার ‘এ’ গ্রুপের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক নেপাল। আক্রমন পাল্টা আক্রমনে খেলা শুরু হলেও ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। যদিও প্রথমার্ধে গোল লাভের মত একাধিক সুযোগ সৃষ্টি করেছিল।একাদশ মিনিটে দারুণ সুযোগ নষ্ট করেন সিরাত জাহান স্বপ্না। আঁখি খাতুনের লম্বা করে বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে যান স্বপ্না। কিন্তু আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে গিয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে মারেন তিনি। প্রচণ্ড গরমের কারণে কুলিং ব্রেকের পর ৩০ মিনিটে সাবিনা খাতুনের দূরপাল্লার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ছয় মিনিট পর গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে হতাশা বাড়ান এই ফরোয়ার্ড।৪১ মিনিটে শামসুন্নাহারের বাড়ানো বলে মিশরাত জাহান মৌসুমীর শট জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাঙ্খিত গোল পায় প্রতিযোগিতার রানার্সআপ বাংলাদেশ। মনিকা চাকমার কর্নারে ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড় হেড করার পর জটলার মধ্য থেকে জাল খুঁজে নেন মৌসুমী ১-০।সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠা ভুটানের ভালো একটি সুযোগ নষ্ট হয়; সতীর্থের কর্নারে ইডোন দর্জির শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি সঙ্গিতা মনগেরের দৃঢ়তায়। বামদিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা শামসুন্নাহারের ক্রস থেকে পাওয়া বল তহুরা খাতুন বাড়ান স্বপ্নাকে। গত সাফে পাঁচ গোল করা এই ফরোয়ার্ডের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে বিপদমুক্ত করেন গোলরক্ষক।তিন মিনিট পর সাবিনার একক প্রচেষ্টার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় বাংলাদেশ। বামপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন গত সাফে ছয় গোল করা এই ফরোয়ার্ড ২-০। যোগ করা সময়ে শিউলি আজিমের বাড়ানো বলে তহুরার নেওয়া শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেলে দুই গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে গোলাম রাব্বানী ছোটনের শিষ্যরা। উল্লেখ্য ২০১০ সালের প্রথম আসরে নিজেদের মাঠে ভুটানকে ৯-০ গোলে উড়িয়ে সাফে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১২ সালে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ দল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ